রুদ্রর সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাবিল মিঠিও কমলিনীর বিরুদ্ধে! মায়ের আচরণে বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত চন্দ্রর!

স্টার জলসার (Star jalsha) সদ্য শুরু হওয়া ধারাবাহিক (Bengali Serial) গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো চিরসখা (Chirosokha)। দীর্ঘদিন পর এই ধারাবাহিকের হাত ধরে টেলিভিশনের পর্দায় ফিরেছেন অভিনেত্রী অপরাজিতা ঘোষ দাস (Aparajita Ghosh Das)। এছাড়াও ধারাবাহিকে একেবারে অন্যরকম একটি চরিত্রে দেখা যেতে অভিনেতা সুদীপ মুখোপাধ্যায়কে (Sudip Mukherjee)। আরও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন টেলিভিশনের পর্দার অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীরা।

ধারাবাহিকে একটি অসমবয়সী প্রেম ফুটিয়ে তোলা হবে আগামী দিনে সেটা ধারাবাহিকের গল্প সেদিকে এগোচ্ছে তাতেই বোঝা যাচ্ছে। আর বাকি পাঁচটা ধারাবাহিকের চেয়ে যে এই ধারাবাহিক একেবারেই আলাদা হতে চলেছে সেটা প্রথম থেকেই বোঝা গিয়েছিল। আর যেখানে ধারাবাহিকের লেখিকা লীনা গঙ্গোপাধ্যায়, সেখানে তো আলাদা কিছু হতেই হবে।

Aparajita Ghosh Das

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে কমলিনী মিথিল এবং কাকাবাবুকে নিয়ে উকিলের কাছে যায়। উকিলের কাছে গিয়ে সমস্ত ঘটনা খুলে জানায়। উকিল জানাই যদি স্বামী নিখোঁজ হওয়া সাত বছর পর আদালতে গিয়ে স্বামীকে মৃত ঘোষণা না করা হয় তাহলে সেই সম্পর্ক আজও টিকে রয়েছে কিংবা যদি নিখোঁজ হয়ে যাবে পর তিন বছরের মধ্যে ডিভোর্স না হয় তাহলে সেই সম্পর্ক বেঁচে আছে। এসব নিয়ম কানুন কিছুই জানতো না কমলিনী তাই তার কিছুই করা হয়নি। তাদের সম্পর্কটা আজও বেঁচে আছে কিন্তু কমলিনী এই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চায়। সেটাই উকিলকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়, তাই জন্য আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে তাকে।

কমলিনী বাড়িতে আসার পর সবাই তাকে ঘিরে ধরে উকিল কি বলল সেটা জানার জন্য। কমলিনী জানায় উকিল তাকে কি কি পরামর্শ দিয়েছে। কমলিনী বারবার আলাদা হয়ে যাওয়া, ডিভোর্স এসবের কথা বলছিল তাই প্রথমে কমলিনীর মনে আসলে কি চলছে সেটা কেউই বুঝতে পারেনি। এদিকে রুদ্রর পাশাপাশি এখন কমলিনীর বাকি দুই ছেলেমেয়েও তাকে বাবার সাথে থাকতে বলছে। কারণ তারা ভাবতেই পারছে না তাদের মা নতুনকে ভালোবাসে। রুদ্র এতদিন যা সন্দেহ করে এসেছিল সেই ধরনের আচরণই করছে কমলিনী। তাই জন্য বাবার সঙ্গে না থাকার কারণটাই জানতে চাইছে বারবার।

আরও পড়ুনঃ ‘আমায় কেউ তেমন পছন্দ করে না, কিন্তু…’- ইন্ডাস্ট্রির মানুষের সঙ্গেই প্রেম করছেন দুই শালিকের “আঁখি”! অবশেষে মনের মানুষের নাম প্রকাশ্যে আনলেন তিতিক্ষা!

এতদিন চন্দ্র ইচ্ছে করে হারিয়ে যায়নি বা পরিবার ছেড়ে থাকেনি সেটা সকলেই মানতে পারলেও মিটিলের মনে সন্দেহ রয়েছে চন্দ্রকে নিয়ে। এদিকে চন্দ্র কমলিনীর এই অপমান মেনে নিতে পারে না। তাই জানিয়ে দেয় যদি কমলিনী তার সঙ্গে সংসার করতে না চায় তাহলে সে এই বাড়ি ছেড়ে চলে যাবে। কুড়িটা বছর যখন বাড়ি থেকে আলাদা ছিল তখন মৃত্যুর আগে পর্যন্ত আর কয়েকটা বছর বাইরে কাটিয়ে দিতে পারবে সে। আর এই কথা শুনে তো কমলিনীর শাশুড়ি কমলিনীকে যা নাই তাই বলে অপমান করে। কমলিনী নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকে। এবার দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।

Back to top button