নতুনের সঙ্গে লিভ ইন!নিজের সিদ্ধান্তে অনড় কমলিনী! শুরু হলো দুজনের নতুন করে পথ চলা! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

স্টার জলসার (Star Jalsha) জনপ্রিয় ধারাবাহিকগুলোর (Bengali Serial) মধ্যে অন্যতম একটি হলো চিরসখা। মাসখানেক আগেই শুরু হয়েছে এই ধারাবাহিক। শুরুর দিন থেকে একটু একটু করে দর্শকদের মন জয় করে নিচ্ছে ধারাবাহিকটি। বর্তমানে টিআরপি তালিকাতেও (TRP List) বেশ ভালো ফলাফল করছে। প্রতি সপ্তাহে এক থেকে পাঁচের মধ্যে নিজেদের জায়গা দখল করে নিচ্ছে। দর্শকদের আকর্ষণ ধরে রাখতে প্রতিদিনই গল্পে থাকছে নতুন নতুন টুইস্ট।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, মিঠি এবং মিটিল মিলে প্রস্তাব দেয় নতুনের এই বাড়িতে নতুন আবার ফিরে আসবে,অন্য কোথাও যাবে না। আর এটাতেই আপত্তি করে ওঠে সবার আগে বাবিল। কিন্তু মিটিল জানিয়ে দেয় যদি কারোর এ বিষয়ে আপত্তি থাকে তাহলে আইনি পদক্ষেপ নেবে তারা। আইনের সাহায্য নেবে সে ক্ষেত্রে। এদিকে সকলেই সহমত জানান মিটিলের সিদ্ধান্ত। কিন্তু নতুন জানিয়ে দেয় সে কোনভাবেই এই বাড়িতে আর ফিরতে পারবে না। কারণ সে ভালো মত জানে সে ফিরে এলে আবারও কমলিনীকে তার ছেলেমেয়েদের কাছে অপমানিত হতে হবে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে, সকলেই নতুনকে বারবার করে অনুরোধ করে বাড়িতে ফিরে আসার জন্য। কিন্তু বুবলাই তো একেবারে চায় না নতুন ফিরে আসুক সে বারবার বলছে নতুন যদি এ বাড়িতে ফিরে আসে তাহলে সে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাবে। সকালে তাতে মোটেও আপত্তি জানায় না। যদি সে চলে যেতে চায় কেউ বাধা দেবে না জানিয়ে দেয়। সে যেন বাড়ি থেকে চলে যায়।

এদিকে নতুনের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেয় চন্দ্রার মা এবং নতুনকে বলে এই বাড়িতেই থাকতে। তাহলে তাদের কিছুটা প্রায়শ্চিত্ত হবে। ঠাম্মির মুখে এই কথা শুনে বর্ষা আর বুবলাই দুজনেই খোঁচা মেরে কথা বলতে থাকে। ঠাম্মি জানায় তার ধর্মের ভয় আছে তাই জন্য সে এখন থেকে সংশোধন করে নিচ্ছে। কিন্তু তারা কোন মতেই রাজি হয় না নতুনের এ বাড়িতে থাকা নিয়ে। কমলিনী তখন জানিয়ে দেয় এতদিন পর্যন্ত নতুন তাদের দেখভাল করেছে তাতে সমস্ত বিপদে পাশে থেকেছে এখন তাদের সময় পাশে এসে দাঁড়ানোর।

আরও পড়ুনঃ জেলে বসেই নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার নতুন সূত্র পেল পারুল! বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিল পুরনো শত্রু! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

সেখানে বুবলাই যদি না চায় তাহলে নতুনের সাথে আলাদা বাড়িতে থাকবে কমলিনী নতুনের সেবা করার জন্য। এ কথা শুনে তো আবারো কমলিনীকে অপমান করার সুযোগ পেয়ে যায় মিঠির মামি, বর্ষা সকলে। যদিও কমলিনী এখন এসবের কিছুতেই মাথা ঘামায় না। সে জানিয়ে দেয় সে যেটা ঠিক মনে করবে সেটাই সে করবে। কারোর কথা সে আর শুনবে না। সকলে এতবার করে অনুরোধ করাতে নতুন অবশেষে থাকতে রাজি হয়। এবারে দেখা যাক নতুন করে কোন অশান্তি নেমে আসছে কমলিনীর জীবনে।

Back to top button