বিয়ে হলেও সর্বনাশ! বিধান দিলেন ঠাকুর মশাই! শাশুড়ি স্বামীর কথা অমান্য করেই সংসার ত্যাগ করল কমলিনী!

স্টার জলসার (Star jalsha) সদ্য শুরু হওয়া ধারাবাহিক (Bengali Serial) গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো চিরসখা (Chirosokha)। দীর্ঘদিন পর এই ধারাবাহিকের হাত ধরে টেলিভিশনের পর্দায় ফিরেছেন অভিনেত্রী অপরাজিতা ঘোষ দাস (Aparajita Ghosh Das)। এছাড়াও ধারাবাহিকে একেবারে অন্যরকম একটি চরিত্রে দেখা যেতে অভিনেতা সুদীপ মুখোপাধ্যায়কে (Sudip Mukherjee)। আরও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন টেলিভিশনের পর্দার অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীরা।

ধারাবাহিকে একটি অসমবয়সী প্রেম ফুটিয়ে তোলা হবে আগামী দিনে সেটা ধারাবাহিকের গল্প সেদিকে এগোচ্ছে তাতেই বোঝা যাচ্ছে। আর বাকি পাঁচটা ধারাবাহিকের চেয়ে যে এই ধারাবাহিক একেবারেই আলাদা হতে চলেছে সেটা প্রথম থেকেই বোঝা গিয়েছিল। আর যেখানে ধারাবাহিকের লেখিকা লীনা গঙ্গোপাধ্যায়, সেখানে তো আলাদা কিছু হতেই হবে।

Chirosokha, Star jalsha, Bengali Serial, Bengali Television, New episode, Chirosokha Today's 13 June Episode, Aparajita Ghosh Das, Sudip Mukherjee, চিরসখা, স্টার জলসা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, নতুন এপিসোড, চিরসখা ১৩ জুন পর্ব, অপরাজিতা ঘোষ দাস, সুদীপ মুখার্জী

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে চন্দ্র ফিরে আসার খবর পেয়ে তো নতুনের বৌদি আর ডল এসে উপস্থিত। তাদের চেয়ে খুশি আর কেউ হয়নি বোধ হয়। এদিকে কমলিনী তো কিছুতেই এসব আর সহ্য করতে পারছে না। বাধ্য হয়েই কমলিনী শাশুড়িকে বলে তিনি যেন তার ছেলেকে বলে এই সংসারের দায়িত্ব নিতে এসবের মধ্যে আর কমলিনী নিজেকে জড়াতে চায় না, সে এবারে মুক্তি চায়।

কিন্তু কমলিনীর হাব ভাব দেখে একেবারেই সুবিধার লাগে না তার শাশুড়ির। তবে তিনি বৌমার কথায় বিশেষ পাত্তা দেন না। ঠাকুর মশাইকে দেখে সমস্ত নিয়ম কানুন জানার কথা বলেন। পরের দিন কথামতো ঠাকুর মশাই আসেন নতুন করে বিয়ের বিধান দেওয়ার জন্য। এদিকে যারা কমলিনীর পেছনে তার ক্ষতিকারের কথা ভেবে এসেছে সব সময় তারা তো এই বিষয়টা বেশ মজা পাচ্ছে, তারা চাইছে ধুমধাম আয়োজনে আবার বিয়ে হোক চন্দ্রের সাথে তার।

আরও পড়ুনঃ ‘২৬ বছর বয়সে আমি আড়াই কোটি টাকার ফ্যাট কিনেছি, ফ্লেক্স আমি করবোই’- হেটার্সদের মুখে ঝামা ঘষে দিল অভিনেত্রী দেবচন্দ্রিমা!

কিন্তু কমলিনীর মনের ভেতরের কষ্টটা তো তার ননদ বুঝতে পারছে। তাই যখন ঠাকুরমশাই এসে বিয়ের আলোচনা শুরু করে তখন সেখানে অনুপস্থিত থাকে কমলিনী। আর কমলিনীর অনুপস্থিতিতে তার জীবনের কোন সিদ্ধান্ত নিতে বারণ করে মিটিল, বাবিল সকলেই। কমলিনীর আচার-আচরণ একেবারেই বদলে গিয়েছে তার স্বামী ফেরার পরে। কুর্চি ডাকতে গিয়ে অনেকবার করে কমলিনীকে বলে নিজের কথাগুলো সকলের সামনে বলতে। না হলে তার উপর জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হবে সবকিছু। তার ননদ ভালো মতোই জানে কমলিনী নতুনকে ভালোবাসে। তাই এতদিন পর তার দাদা ফিরে আশায় তাকে মেনে নিতে অসুবিধা হচ্ছে, ননদের কথা মত কমলিনী নিচে নেমে এসে সকলের সামনেই জানিয়ে দেয় তার পক্ষে এই সংসারে ধর্ম করা সম্ভব নয়।

Back to top button