ধরা পড়েও নিজের কুকর্ম শিকার করতে নারাজ চন্দ্র! পুলিশের চাপে সব সত্যি শিকার করলো সোহিনী! আবারও বড় মনের পরিচয় দিলো কমলীনি!

শুরুর পর থেকে প্রতিদিন একটু একটু করে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছে স্টার জলসার (Star Jalsha) চিরসখা (Chirosokha) ধারাবাহিকটি। বর্তমানে দর্শকদের প্রিয় ধারাবাহিকের (Bengali Television) তালিকায় অন্যতম হল চিরসখা। প্রতিদিন টেলিভিশনের পর্দায় ঠিক রাত নটায় এই ধারাবাহিক সম্প্রচারিত হয়। আর পাঁচটা বাকি সাধারণ ধারাবাহিকের চেয়ে এই ধারাবাহিকের গল্প খানিকটা আলাদা হয়। এইজন্যই দর্শক এই ধারাবাহিক বেশ উপভোগ করে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, পুলিশ এসেছে শুনে ভয় পেয়ে যায় চন্দ্র সোহিনী। তারপর ওই অজ্ঞাত পরিচিত দুই ব্যক্তি জানায় তারা পুলিশের পক্ষ থেকে সমস্ত খোঁজখবর নিয়ে এসেছে। চন্দ্র আর সোহিনী অসামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল। অসংখ্য মেয়ের জীবন নরক করে দিয়েছে তারা। পুলিশের মুখে এই সমস্ত কথা শোনার পরেও চন্দ্রের মায়ের কোন হুশ নেই। তিনি এখনো ভাবছেন তার ছেলেকে ফাঁসানো হচ্ছে। কিন্তু চন্দ্র তো ধরা পড়ে গিয়েছে, পুলিশ সমস্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ সব নিয়ে এসেছে তাদের বাড়িতে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে, কিন্তু এখনো জোর গলায় মিথ্যে বলে যাচ্ছে চন্দ্র। কিছুতেই স্বীকার করবে না যে সে এই সমস্ত অন্যায় কাজের সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু সোহিনী যখন বুঝতে পারে পুলিশ সমস্ত সাক্ষ্য প্রমাণ নিয়েই তবে এসেছে আর তাদেরকে এরেস্ট করেই নিয়ে যাবে তখন সোহিনী আর লুকিয়ে রাখতে পারেনি। পুলিশের সামনে বলেই দেয় যে চন্দ্রর সাথে সে এই কাজে যুক্ত ছিল এবং বাধ্য হয়েই সে চন্দ্র সাথে থাকতে হয়েছে। কারণ তিনি যখন গর্ভবতী ছিলেন তখন তার স্বামী তাকে রেখে চলে যায়। তাই চন্দ্র যখন তার দিকে হাত বাড়িয়েছিল তিনি তার সাথে হাত মিলিয়ে ছিলেন। একটি মন্দিরে গিয়ে সিঁদুরপরিয়ে চন্দ্র তাকে বিয়ে করে, কিন্তু আইনত তাদের বিয়ে হয়নি।

সোহিনী সব স্বীকার করছে দেখে চন্দ্র তো একেবারে রাগে ফুসছিল সেখানে উপস্থিত কেউই তখনও বিশ্বাস করতে পারছি না কি হচ্ছে। চন্দ্রের মা পুলিশের কাছে প্রমাণ চায় তার ছেলে যে অপরাধী। এদিকে বর্ষা তো চন্দ্রের সাথে হাত মিলিয়েছিল তাই বর্ষা এখন চন্দ্রকে সাপোর্ট করার জন্য বুবলাইয়ের ব্রেন ওয়াশ করে চলেছে। কিন্তু পুলিশ তাকে ধমকিয়ে চুপ করিয়ে দেয়। এরপরে বাড়িতে আসে নতুন এবং কমলিনীর মা, বাবা, কাকা সকলে। সকলেই জানতে পারে চন্দ্র আসলে কি করেছে। সোহিনী চন্দ্র দুজনকে অ্যারেস্ট করবে পুলিশ তাই জন্য সোহিনী কমলিনীর কাছে হাতজোড় করে তার মেয়ের জন্য আশ্রয় চায়। কমলিনী যেন নিজের কাছে সোহালিয়াকে রাখে।

আরও পড়ুনঃ স্কলারশিপ পেয়ে লন্ডনে পড়াশোনার সুযোগ পেল রায়ান! খবর পেয়ে আনন্দের চোটে একি করে বসলো পারুল! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

যদিও বাড়ির অনেকের এতে আপত্তি ছিল। কিন্তু তাও কমলিনী ছোট বাচ্চাটিকে ফেলে দিতে পারে না। কারণ তার কোন দোষ নেই এতে। এরপর চন্দ্রের মা বুঝতে পারে পুলিশ যা বলছে সব সত্যি। তিনিও এখন আর ছেলের মুখ দেখতে চান না। অবশেষে কমলিনী জিতে গেল। আজ তার জীবন রক্ষা পেল। বুবলাই নিজের বাবাকে চিনতে পারল। পুলিশ চন্দ্র, সোহিনী দুজনকেই অ্যারেস্ট করে নিয়ে গেল। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি হয়।

Back to top button