স্কলারশিপ পেয়ে লন্ডনে পড়াশোনার সুযোগ পেল রায়ান! খবর পেয়ে আনন্দের চোটে একি করে বসলো পারুল! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

বর্তমান সময়ে দর্শকদের পছন্দের ধারাবাহিকগুলির (Bengali Serial) মধ্যে একটি হল পরিণীতা (Parineeta)। জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় সম্প্রচারিত এই ধারাবাহিক দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে প্রথম দিন থেকেই। তাইতো টিআরপি তালিকাতেও (TRP List) প্রতি সপ্তাহে দারুন ফলাফল করে ধারাবাহিকটি। প্রতিদিন রাত আটটায় জি বাংলার পর্দায় এই ধারাবাহিক সম্প্রচারিত হয়। রায়ান পারুলের জীবনের গল্প নিয়েই এগোচ্ছে ধারাবাহিকের পর্ব।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, শিরিনের বাবা পারুলকে জানায় ওই ডাকাত দলে যেসব মহিলারা যুক্ত ছিল তাদের সবার ছবি জোগাড় করতে পেরেছে। পারুল রায়ানকে এই খবরটা জানায়। এরপর পারুল তার বাবাকে ফোন করে জানায় ন্যাড়াগোয়াল থেকে কলকাতায় আসার জন্য। এদিকে তিনি নিজস্ব একটি কাজে কলকাতাতেই ছিল। পারুল সবকিছুই বাবা ভুবনেশ্বরের ইঙ্গিত ভেবে বেশ খুশি হয়। খুব শীঘ্রই এবার পারুল নিজের মাকে দেখতে পাবে এই আনন্দে তার মন ভরে যায়। রায়ানও পারুলকে ভরসা দেয়।

ওদিকে রুক্মিণী অবশেষে সব মায়া কাটিয়ে লন্ডনের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। সেইসময় সেখানে এসে উপস্থিত হয় গ্রামের বিডিও ম্যাডাম। রুক্মিণী চলে যাচ্ছে বলে সকলেরই মনে খারাপ। তখনই ওই বিডিও ম্যাডাম কথা দেয় রুক্মিণীর ফেলে রাখা কাজগুলো সম্পূর্ণ করবেন আর তার জন্য গোপালকে পাশে চান তিনি। এই বলে তিনি গোপালকে একটা সানগ্লাস উপহার দেন। এদিকে বিডিও ম্যাডামের কথা শুনে গোপালের কাকিমা আন্দাজ করেন তিনি গোপালকে পছন্দ করে। তাই গোপালের জন্য এই বিডিও ম্যাডাম মানানসই।
ওদিকে পরের দিন পারুলের আসল বাবা আর পারুলের পালিত বাবা দুজনেই আসে। এক এক করে সবার ছবি দেখানো হয় পারুলের বাবাকে। পারুলের আসল বাবা তিনটি খামে করে ওই ডাকাত তলে সদস্যদের ছবি নিয়ে এসেছে। একটি খামে রয়েছে যারা মারা গিয়েছে তাদের ছবি, একটি খামে যারা এখন জেলে বন্দি, আরেকটি খামে নিখোঁজ সদস্যদের ছবি রয়েছে। কিন্তু সেই তিনটি খামের মধ্যে একটি খামেও পারুলের মায়ের ছবি খুঁজে পায় না বাসুদেব বাবু। যার কারণে সকলেই বেশ হতাশা। আসলে এর পেছন তো কারসাজি করেছে শিরিন এবং তার মা।
আরও পড়ুনঃ ক্রীড়া মন্ত্রী রূপে শুরু হলো নায়িকার নতুন যাত্রা! ফুলকির জন্য বিরাট চমক! অরণ্যর কাণ্ড কারখানায় অবাক ফুলকি! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব
পারুলের বাবার অনুপস্থিতিতে কুরিয়ারে ওই খাম প্রথমে এসে পড়ে শিরিন এবং তার মায়ের হাতে। তখনই তারা কায়দা করে খাম থেকে পারুলের মায়ের ছবি সরিয়ে নিয়ে আবার খাম একইভাবে বন্ধ করে দেয়। যাতে কেউ বুঝতেই না পারে ওই খামটি আগে খোলা হয়েছিল। তারপরে পারুলের মায়ের ছবিটি নিজের হাতে পুড়িয়ে দেয় শিরিনের মা। তাই জন্য মায়ের ছবি ওই খামে পায় না পারুল। যার জন্য পারুলের ভীষণ মন খারাপ। কিন্তু ওদিকে কলেজে গিয়ে পারে রায়ান স্কলারশিপ পরীক্ষায় দারুণ রেজাল্ট করেছে এবং সে লন্ডনে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছে। তাই জন্য বসু বাড়ি একেবারে সেলিব্রেশনে মেতে উঠেছে। এবার দেখার অপেক্ষায় আগামী পর্বে কি হয়।

