মুখে চুনকালি, তবুও বুক চিতিয়ে মিথ্যে বলে চলেছে চন্দ্র! নিজের স্বাধীনতা ছিনিয়ে নিতে রুদ্রমূর্তি ধারণ করলো কমলিনী!

শুরুর পর থেকে প্রতিদিন একটু একটু করে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছে স্টার জলসার (Star Jalsha) চিরসখা (Chirosokha) ধারাবাহিকটি। বর্তমানে দর্শকদের প্রিয় ধারাবাহিকের (Bengali Television) তালিকায় অন্যতম হল চিরসখা। প্রতিদিন টেলিভিশনের পর্দায় ঠিক রাত নটায় এই ধারাবাহিক সম্প্রচারিত হয়। আর পাঁচটা বাকি সাধারণ ধারাবাহিকের চেয়ে এই ধারাবাহিকের গল্প খানিকটা আলাদা হয়। এইজন্যই দর্শক এই ধারাবাহিক বেশ উপভোগ করে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, কমলিনী বিচারককে জানায় চিঠিটা হাতে পাওয়ার পরেই কমলিনী সেটা বুঝতে পেরেছে। তাই তার সঙ্গে সে থাকতে চায় না কোনমতেই। তারপরই কমলিনীর উকিল জানায় সোহিনী এবং তার মেয়ের কথা। কুড়ি বছর পর যখন চন্দ্র ফিরে আসে তার কয়েকদিন বাদেই সোহিনী এবং তার মেয়ে আসে যার সাথে চন্দ্র দ্বিতীয়বার বিয়ে করেছিল।

Chirosokha Today's 9 August episode

তারপর সেই ঘটনাকে পুরোটাই ধামাচাপা দিয়ে দেয় চন্দ্র। চন্দ্র কাঠগোড়ায় উঠে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে থাকে। জানায় সোহিনীর সাথে তার কোনদিনও বিয়েই হয়নি, আর সোহিনীর স্বামীর সাথে যেহেতু তার মুখের আদলের মিল আছে তাই তার সন্তান চন্দ্রকে বাবা বলে ডাকতো। এর বেশি আর কিছু না। বিচারক যেন তাদের ডিভোর্সটা না দেয়। সব কথা শোনার পর তখনই বিচারক জানিয়ে দেয় আজকেই এই কেসের রায় ঘোষণা করা হবে, ঠিক তখনই শেষ মুহূর্তে এসে উপস্থিত হয় মিটিল। সাথে নিয়ে আসে সোহিনী এবং তার মেয়েকে।

সোহিনী জানায় চন্দ্র তার স্বামী তাদের বিয়ে হয়েছিল। তার প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে তার ডিভোর্স হয়ে গেছে এই বলে তারা মন্দিরে বিয়ে করে। এলাকার সবাই জানে চন্দ্র এবং সোহিনী স্বামী স্ত্রী এবং তাদের একমাত্র মেয়ে সোহালিয়া। কিন্তু চন্দ্র যখন এখানে এসে তাকে মিথ্যে কথা বলতে বলে তখন টাকার লোভেই সোহিনী মিথ্যে বলে। কারণ তার সন্তানকে মানুষ করার জন্য তার টাকার প্রয়োজন ছিল। আর চন্দ্র কথা দিয়েছিল তাকে বাড়ি বিক্রির টাকা দিয়ে দেবে। কিন্তু যখন সোহিনী জানতে পারলো কমলিনী এত বড় একটা বিপদে আছে সব জেনেও চুপ করে থাকতে পারেনি সে। ছুটে এসেছে মিটিলের কথায়। চন্দ্রর উকিল বারবার সোহিনী এবং চন্দ্রের বিয়েটাকে অস্বীকার করতে চায় প্রমাণ করতে চায় তাদের বিয়ের কোন অস্তিত্ব নেই কিন্তু সোহিনী জানায় সে এত সহজে ছেড়ে দেবে না। তাই কমলিনীর সাথে ডিভোর্সটা যেন বিচারক দেন। বিচারক সব দিক বিচার করে অবশেষে কমলিনী সুবিচার পায়। চন্দ্রর সাথে ডিভোর্স হয় কমলিনীর।

আরও পড়ুনঃ রায়ানের কফিতে ড্রা’গ! ঠিক প্রমাণিত হলো পারুলের সন্দেহ! একটুর জন্য বেঁচে গেলো রায়ান!

এরপর সবাই বাড়িতে এসে উপস্থিত হয়। সোহিনী কমলিনীর কাছে সাহায্য চায়। কারণ সোহিনী চাইলেও চন্দ্রকে ছেড়ে দিতে পারবে না, যেহেতু তার মেয়ে এখনো অনেকটাই ছোট তাই চন্দ্রকে চাইলেও সে ডিভোর্স দিতে পারবেনা। কমলিনী বলে তার লড়াই তাকে নিজেকেই লড়তে হবে। সে কোন সাহায্য করতে পারবে না। এদিকে চন্দ্র তো এখনো মিথ্যা কথা বলে যাচ্ছে কি করে একটা মানুষ এত নির্লজ্জ হতে পারে সেটা দেখে সবাই অবাক হয়ে যাচ্ছে। এমনকি তার মা, বড় ছেলের রুদ্র তার বাবাকে বিশ্বাস করছে। এরা একেবারেই অন্ধ হয়ে গেছে চন্দ্রের ভালোবাসায়। তাই মায়ের নামে এখনো নোংরা নোংরা কথা বলতে ছাড়ছে না। কিন্তু কমলিনী এর শেষ দেখে ছাড়বে। দেখা যাক আগামী পর্বে কি হয়।

Back to top button