অ’পমানের ব’দলা নিতে হাত মেলাল নন্দিনী-রকেট! আনন্দী পারবে তো নিজেকে রক্ষা করতে?

এক ঝাঁক নতুন ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো জি বাংলার (Zee Bangla) আনন্দী (Anondi)। ধারাবাহিকটি অল্প কয়েকদিনের জন্য শুরু হয়েছে ঠিকই তবে ইতিমধ্যে ধারাবাহিকের গল্প দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। ধারাবাহিকটি প্রথম সপ্তাহতেই টিআরপি তালিকায় জায়গা দখল করে নিয়েছে এবং এক সপ্তাহের মধ্যেই ভালো ফলাফল করেছে। ধারাবাহিক যত এগোচ্ছে তত নতুন নতুন টুইস্ট দেখা যাচ্ছে গল্পে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে আনন্দী তার বাবাকে মেডিনেসে ভর্তি করার পর থেকে নন্দিনী আনন্দীর উপরে বেজায় ক্ষে’পে রয়েছে। যেকোনো সময় আনন্দীর ক্ষ’তি করে দিতে পারে সে। এমনকি আদিদেব এবং বিজয়ার ইমেজ খা’রাপ করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। অন্যদিকে বিজয়া আনন্দীর বাবার সঙ্গে গিয়ে দেখা করে এসেছে, কথা বলে এসেছে। আনন্দী তার বাবাকে জানিয়েছে এই লাহিড়ী বাড়িতেই সে কাজ করে। আর তার বাবার অপারেশন এই আদিদেব লাহিড়ীই করবেন। তিনি রোগীদের ভগবান। তাই চিন্তা করার কোন দরকার নেই।

আনন্দী আজকের পর্ব ৫ অক্টোবর (Anondi Today Episode 5 October)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে আনন্দী বাবার সঙ্গে কথা বলতে বলতে সমস্ত ঘটনা জানায়। আনন্দীর বাবা আনন্দীকে নিয়ে খুবই চিন্তিত থাকে সবসময়। তিনি জানেন তিনি ছাড়া তার মেয়ের পাশে আর কেউ নেই। তার নিজের দাদাও আনন্দীকে গু’ণ্ডা রকেটের হাতে তুলে দিতে চায়। তাই আনন্দীর বাবাকে বাঁচতেই হবে আনন্দীর জন্য। এই কথাগুলো বলতে বলতে উত্তেজিত হয়ে পড়ে আনন্দীর বাবা। সেই দেখে তো আদিদেব আনন্দীকে আবারো ব’কাবকি শুরু করে।
অন্যদিকে দেখা যায় নন্দিনী আনন্দী, আদিত্য এবং বিজয়ার বিরুদ্ধে চ’ক্রান্ত করছে। আনন্দীর বাবাকে মে’রে ফেলাই হয়তো তার প্ল্যান। আর সেই কাজটা আদিদেব এবং বিজয়া স্কিমের মাধ্যমেই ঘটাতে চাইছে সে। আর আদিদেব বিজয়ার ব’দনাম রটাতে চাইছে। নন্দিনীকে মেডিনেসের এমডি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরেই ক্ষেপে উঠেছে। তাই আনন্দীর ক্ষ’তি করার জন্য হাত মিলিয়েছে রকেটের সঙ্গে।
এদিকে নার্সিংহোমে যখন আনন্দীর বাবাকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তখন সেখানে এসে উপস্থিত হয় আনন্দীর দাদা এবং বৌদি। দুজনে মিলে কুমিরের কান্না কাঁদে কাঁদে তার বাবার কাছে ক্ষমা চায়। আনন্দীও গলে গিয়ে তার বাবাকে বলে, দাদাকে ক্ষমা করে দিতে। এরপর আনন্দীর দাদা বাড়ির সম্পত্তির কাগজ বের করে বাবাকে দিয়ে সই করাতে চায় এবং বলতে থাকে বাবার যদি কিছু হয়ে যায় তাহলে এই বাড়ির দায়িত্ব নেবে। এই সমস্ত দেখে তো আনন্দী বেজায় রে’গে যায়। বাবাকে অপারেশন থিয়েটারে পাঠিয়ে, দাদাকে তার এই সমস্ত নিচু ব্যবহারের জন্য কথা শোনাতে থাকে। আসলে আনন্দীর দাদা একেবারেই ম’তলববাজ। বাবার টাকা সম্পত্তি ছাড়া কিছুই বোঝেনা।
আরও পড়ুনঃ অভিনেত্রীর সঙ্গে জা’লিয়াতি! আপত্তিকর পোস্টার এবং ভ্রান্ত তথ্যের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন আরত্রিকা!
অন্যদিকে নন্দিনীর কথামতো সুপায়ণ অপারেশন থিয়েটারে ঢুকে কোন একটা ওষুধ অদল বদল করতে যায়। অপারেশন থিয়েটারের ভেতরে আদিদেব এবং তার বান্ধবী যখন কথা বলায় ব্যস্ত সেই সময় এসে সুপায়ন ওই ওষুধ অদল বদল করার চেষ্টা করে। কিন্তু হঠাৎ করে আদিদেবের চোখে পড়ে যায়। এবারে দেখার অপেক্ষা আদিদেবের চিকিৎসায় আনন্দীর বাবা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরতে পারবে নাকি নন্দিনীর চ’ক্রান্তে সবার জীবন ছা’রখার হয়ে যাবে।

