মা দুর্গাকে সাক্ষী রেখেই আনন্দীকে জীবন সঙ্গী বানাল আদি! জমে গেল আজকের পর্ব

বাংলার মেগা ধারাবাহিক জগতে নতুন কিছু ধারাবাহিকের মধ্যে অন্যতম একটি হলো জি বাংলার (Zee Bangla) নতুন ধারাবাহিক আনন্দী (Anondi)। ধারাবাহিকের শুরুতেই দেখানো হয় আনন্দী হল একজনের সাধারণ নার্স এবং অন্যদিকে লাহিড়ী পরিবারের মত বড় পরিবারের সৎ ভালো ডাক্তার হলো আদিদেব। বাড়ির প্রত্যেকের থেকে সে আলাদা। তার বাবা, দাদা, ভাই সবাই ডাক্তার কিন্তু প্রত্যেকেই নিজেদের পারিবারিক নার্সিংহোমের অংশীদার। কিন্তু সেই নার্সিংহোমে কাজ না করে না আদি। সে গরিব দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। তবে পরিস্থিতির শিকার হয়ে তাকেও পারিবারিক নার্সিংহোমে যোগ দিতে হয়। কিন্তু সেখানেও আদি গরীব দুস্থদের জন্য ভেবেছেন। আর তার এই পথ চলার সঙ্গী আনন্দী।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে আনন্দীর সঙ্গে একজন গু’ন্ডার জোর করে বিয়ে দিচ্ছিল আনন্দীর দাদা বৌদি। সেখান থেকেই আনন্দীকে উদ্ধার করে আনে আদি। গু’ন্ডাদের সঙ্গে রীতিমত মা’রপিট করে আনন্দীকে বিয়ের মন্ডপ থেকে তুলে আনে। বিয়ের মন্ডপ থেকে সোজা আনন্দীকে লাহিড়ী বাড়িতেই নিয়ে আসে আদি। আনন্দী কে লাহিড়ী বাড়িতে নিয়ে আসার পরেই মহা বিপদে পড়ে আদি। বাড়ির প্রত্যেকের নানান রকম প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় তাদের দুজনকেই। এমনকি আনন্দীকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার কথা বলে। কিন্তু আদি আনন্দীর পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়ায়।

আনন্দী আজকের পর্ব ২০ অক্টোবর (Anondi Today Episode 20 October)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে যখন প্রত্যেকেই আনন্দীর লাহিড়ী বাড়িতে থাকা নিয়ে নানান রকম প্রশ্ন করছে। তখন আদি বারবার সবাইকে বোঝাতে থাকে যে আনন্দীর বাইরে থাকাটা সুরক্ষিত নয়। আনন্দী কে যেকোনো সময় প্রাণে মেরে ফেলতে পারে। সেই কারণে আদি আনন্দীকে লাহিড়ী বাড়িতে নিয়ে এসেছে একটা সুরক্ষিত আশ্রয় দেওয়ার জন্য। কিন্তু আদির বাবা দাদা কাকা বার বার বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু আদি তাদের কথায় গুরুত্ব দেয় না। এদিকে আনন্দী এসেছে দেখে আদির মা এবং ঠাম্মি ভীষণ খুশি হয়েছে।
আনন্দীকে নিজের স্ত্রীয়ের পরিচয় দিলো আদি
সবাই যখন আনন্দী কি পরিচয় লাহিড়ী বাড়িতে থাকবে কোন অধিকার এই বাড়িতে থাকবে সেই নিয়ে প্রশ্ন তুলছে তখনই আদি আনন্দীকে জিজ্ঞাসা করে আনন্দী তাকে বিশ্বাস করে কিনা। আনন্দী সবার সামনেই জানায় আনন্দী আদিকে বিশ্বাস করে। তারপরই আদি আনন্দী কে হাত ধরে নিয়ে যায় দুর্গা মায়ের সামনে। সে সময় লাহিড়ী বাড়িতে মায়ের বরণ চলছিল। আর সেখান থেকে মায়ের পায়ের সিঁদুর নিয়ে আনন্দীর সিঁথি রাঙিয়ে দেয় আদি। আদির কান্ড দেখে তো বাড়ির প্রত্যেকে অবাক হয়ে যায়। সবাই চমকে গেলেও তাদের মা এবং ঠাম্মি কিন্তু ভীষণ খুশি হয় আদির সিদ্ধান্তে।
আরও পড়ুনঃ খুব তাড়াতাড়ি টেলিভিশনের পর্দায় নতুন মেগা! আসছে গৃহপ্রবেশ!
আদির সিদ্ধান্তের জন্য সকলে তাকে কথা শোনাতে থাকে। এমনকি আনন্দী বুঝতে পারে না তার সঙ্গে কি হয়ে গেল। আদি হঠকারিতার বশে এরকম একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিয়ের মতো একটা সিদ্ধান্ত এত তাড়াতাড়ি নেওয়া যায় না। তার বাবা কাকার অমতে গিয়ে সে কেন আনন্দীকে নিজের জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে নিল। কোন পরিস্থিতির মধ্যে আদি সিদ্ধান্ত এই নিয়েছে সেটা সবাই জানে তাই নতুন করে আদির কিছু বলার নেই। এদিকে আদির ঠাম্মি এবং মা তো ভীষণ খুশি আনন্দীকে লাহিড়ী বাড়ির বউ হিসেবে পেয়ে। এবারে দেখার অপেক্ষা পরবর্তী পর্বে কি হয়।

