আদির মনে প্রতি’শোধের আগুন! পাশে রয়েছে আনন্দী! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) সদ্য শুরু হওয়া জনপ্রিয় ধারাবাহিকগুলির মধ্যে একটি হল আনন্দী (Anondi)। মাত্র কয়েকদিন আগে শুরু হওয়া এই ধারাবাহিকটি একের পর এক টুইস্টের মাধ্যমে দর্শকদের মন জয় করে চলেছে। ধারাবাহিকে আনন্দী আদিদেবের জুটিও দর্শকদের বেশ পছন্দ হয়েছে। আনন্দীর চরিত্রে অভিনয় করছে না অভিনেত্রী অন্বেষা হাজরা এবং আদিদেবের চরিত্রে অভিনয় করছে অভিনেতা ঋত্বিক মুখার্জি।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে আদি যাতে নিজের উপর ভরসা রাখে সেই জন্য আনন্দী সাহস জোগাচ্ছে। আদি যাতে নিজেকে শক্ত রেখে এই স্কিম চালিয়ে যায় সেই জন্য তাকে বারবার অনুরোধ করছে। অন্যদিকে আনন্দীকে বাঁচানোর জন্য আদির ঠাকুমা ৫ লাখ টাকা জোগাড় করেছে। তার ব্যাংকে জমানো টাকা আনন্দীর হাতে তুলে দিয়ে তাকে বিপদের হাত থেকে রক্ষা করতে চান তিনি। এই দেখে তো আনন্দীর চোখে জল চলে এসেছে। অন্যদিকে আনন্দীর কথায় মনে সাহস নিয়ে এবং অনেকটা বিশ্বাস নিয়ে আবারও নার্সিংহোমে গিয়েছে আদি।

আনন্দী আজকের পর্ব ১৪ অক্টোবর (Anondi Today Episode 14 October)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে আদি মনে অনেকটা বিশ্বাস নিয়ে নার্সিংহোমে পৌঁছায়। কিন্তু সেখানে পৌঁছে দেখে বিজয়া স্কিমের আওতায় যারা নাম লিখিয়েছিল তারা প্রত্যেকেই নাম কাটিয়ে নিয়েছে, কেউই স্কিমের উপর ভরসা রাখতে পারছে না। ঠিক তখনই সেখানে আসে তিতির। তিতির এসে আদিকে ক্যান্টিনে নিয়ে যায়। তিতির গিয়ে তাকে আনন্দীর বাবার মৃত্যু সম্পর্কে নানান কথা বলতে থাকে। আর জানায় তিতির আনন্দীর বাবার ডে’ড ব’ডির স্যাম্পল গবেষণার জন্য পাঠিয়েছে। সেই স্যাম্পেলের রিপোর্ট আসলে সবটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। দুজনে যখন ক্যান্টিনে বসে কথা বলছিল তখন হঠাৎই রিসেপশনের মেয়েটি এসে জানায় বিজয়া স্কিমে দুজন পেশেন্ট পার্টি নাম লিখিয়েছে এ কথা শুনে তো আদি ভীষণই খুশি হয়ে যায়। আর সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয় পরের দিনই তাদের সঙ্গে কথা বলার সিদ্ধান্ত নেই। আর মনে মনে আনন্দীর কথাগুলো মনে করতে থাকে।
অন্যদিকে আনন্দী রকেটের ঠেকে গিয়ে তাকে ৫ লাখ টাকা শোধ করে দেয়। রকেট তো বুঝতেই পারেনা আনন্দী এতগুলো টাকা কোথা থেকে পেল, পরে আনন্দী রকেটকে ভালোমতো বুঝিয়ে দেয় যাতে এই টাকা পেয়ে যাবার পর রকেট আর তাদের পরিবারের দিকে চোখ তুলে না দেখে, তাদের বিরক্ত না করে। তারপর আনন্দী বাড়ি ফিরে আসে এবং তার দাদা বৌদিকেও একই জবাব দেয়। কিন্তু টাকা শোধ করার ব্যাপারটা স্পষ্টভাবে জানায় না। তাই আনন্দীর দাদা বৌদি পরের দিন রকেটের সাথে আনন্দীর বিয়ের তোড়জোড় করতে থাকে। এদিকে পরের দিন সকালে আনন্দী কাজে যাওয়ার জন্য রওনা দেয়। কিন্তু তার বৌদি তাকে দধি মঙ্গল খাওয়ানোর জন্য অপেক্ষা করে থাকে। কিন্তু রকেটের কোন পাত্তা নেই। এদিকে আনন্দীও কাজে বেরিয়ে গিয়েছে। তাই দাদা বৌদি কিছুই বুঝতে পারে না কি হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ রুদ্রর মুখে ঝা’মা ঘষে বোধনের প্রথম প্রদীপ জ্বা’লল ফুলকি! জমে গেল আজকের পর্ব
অন্যদিকে লাহিড়ী বাড়িতে পুজোর কাজ করতে এগিয়ে আসে আদি। আদিকে দেখে আনন্দী খুবই খুশি হয়। এরই মাঝে আদির ফোনে ফোন আসে এবং নার্সিংহোম থেকে জানানো হয় বিজয়া স্কিমে যেই দুজন পেশেন্ট নাম লিখেছিল তারা নিজেদের নাম কাটিয়ে নিয়েছে। একথা শুনে তো আদি ভীষণভাবে ভেঙে পড়ে, কিন্তু বিজয়া আদিকে সমানভাবে সাহস জোগাতে থাকে। আনন্দীও মনে মনে খুব কষ্ট পায় এই পরিস্থিতি দেখে। আর বাড়ির কয়েকজন তো মজা লুটতে থাকে। তবে কি সত্যি মায়ের জন্য করা এই সামান্য প্রচেষ্টায় ব্যর্থ হবে আদি?

