আদিকে নতুন দিশা দেখল আনন্দী! এবার নন্দিনীকে মাত দেবে সে! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব!

বর্তমানে জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিকগুলির মধ্যে অন্যতম একটি হল আনন্দী (Anondi)। মাত্র কয়েকদিন আগে শুরু হয়ে বর্তমানে দর্শকদের কাছে অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ধারাবাহিকে আনন্দী আদিদেবের জুটির মধ্যে দিয়ে দর্শকরা তাদের অতি পরিচিত পুরনো জুটিকে ফিরে পেয়েছে। শুরু হতে না হতেই বেশ অনেকটা এগিয়ে গিয়েছে গল্প।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখান হয়েছে বাবার মৃ’ত্যুর পরে আনন্দী শত কষ্টের মাঝেও নিজের দায়িত্ব কর্তব্য থেকে পিছিয়ে আসেনি। সে ঠাম্মির সেবা যত্ন করার জন্য সময়মতো পৌঁছে গিয়েছে। এরপর আনন্দী নিজের সমস্ত মনের কথা খুলে বলেছে ঠাম্মিকে। অন্যদিকে নন্দিনী এক বিরাট চাল চলেছে। যেখান থেকে বেরোনো একপ্রকার অসম্ভব। আদিদেব কি করবে কিছুই বুঝে উঠতে পারছে না।

Anondi, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali Telivision, আনন্দী, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, Anondi Today Episode 12 October, আনন্দী আজকের পর্ব ১২ অক্টোবর, আনন্দী আজকের পর্ব

আনন্দী আজকের পর্ব ১৩ অক্টোবর (Anondi Today Episode 13 October)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায় নন্দিনী অদিদেবকে বলছে, “আমার কাছে মেডিনেস্ট সবকিছু, ওর থেকে বড় আমার কাছে আর কিছুই নেই। তাই তুমি যদি জয়েন না করো তাহলে আমি তোমার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেব।” এটা বলে সেখান থেকে চলে যায় নন্দিনী। ওখানে উপস্থিত প্রত্যেকে যে যার কাজে বেরিয়ে পড়ে। সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সবটা দেখতে থাকে আনন্দী। বেশ খারাপ লাগে তার আদিদেবের জন্য।

আদিদেব আস্তে আস্তে মা দুর্গা প্রতিমার কাছে এগিয়ে আসে। সে বলে, “তুমিও তো সবার মা। আমি তো তোমার থেকে বেশি কিছু চাইনি। আমি শুধু আমার মায়ের প্রাপ্য সম্মানটুকু চেয়েছিলাম। খুব কি বেশি কিছু চেয়ে ফেলেছিলাম আমি, যেটা দেওয়া যায় না। তাহলে এরকমটা কেন হল।” এরপর সেখানে এগিয়ে আসে আনন্দী। সে বলে, “আমাদের সব খারাপের মধ্যে ভালোটাকে খুঁজে নিতে হয়।”

আরও পড়ুনঃ ফুলকি ফিরে আসায় বি’পাকে রুদ্র! প্রতিশোধ নিতে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে ফুলকি

এই একটা মৃ’ত্যু দিয়ে সবটা যাচাই করা যায় না। আনন্দী বলে, আদিদেবের উচিত আবার কাজ শুরু করা। নিজের কাজের মধ্যে দিয়ে এই একটা ঘটনাকে ভুলিয়ে দেওয়া। প্রমাণ করে দেওয়া যে এটা একটা কারসাজি। তাহলে আবার সবাই নিজের হারানো জায়গা ফিরে পাবে। আদিদেব কথাটা শুনে বুঝতে পারে এবং নিজের বাবাকে জানিয়ে দেয় সে আবার কাজ করবে। সে বুঝতে পারে আনন্দী ভুল কিছু বলেনি। এভাবে সত্যিই তার মায়ের বদনাম ঘোচানো সম্ভব।

Back to top button