শত ক’ষ্টেও নিজের কর্তব্য ভোলেনি আনন্দী, ঠাম্মির জন্য লাহিড়ী বাড়িতে হাজির সে!

এই মুহূর্তে জি বাংলায় (Zee Bangla) শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক আনন্দী (Anondi)। মাত্র একসপ্তাহ আগে শুরু হওয়া এই ধারাবাহিকটি একেবারে শুরুতেই দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। এই জুটি টেলিভিশনের পর্দায় প্রথম নয়। এর আগেও দর্শক জি বাংলার পর্দায় অন্বেষা-ঋত্বিক এর জুটিকে বেশ পছন্দ করেছেন। পছন্দের পুরনো জুটিকে ফিরে পেয়ে দর্শকরাও ভীষণ খুশি। প্রথম সপ্তাহেই অনেকটা এগিয়ে গিয়েছে গল্প।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখা যায়, ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু হয়েছে ধারাবাহিকের নায়িকা আনন্দীর বাবার। যার জন্য সবাই দোষারোপ করছে আদিদেবকে। আনন্দীর দাদা এই সুযোগে অনেকগুলো টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। বাবার এবং বোনের প্রতি তার কোনদিনই কোন দায়িত্ব-কর্তব্য ছিল না। সে আর তার স্ত্রী শুধুমাত্র টাকা চিনতো। এখনও সেটাই পাওয়ার চেষ্টা করে চলেছে তারা। কিন্তু আনন্দী সব সময় সত্যের পথে চলতে চায়। তাই এই ক্ষতিপূরণ অস্বীকার করে সে।

anondi today episode 10 october

আনন্দী আজকের পর্ব ১১ অক্টোবর (Anondi Today Episode 11 October)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যাবে, আনন্দী তার বাবার ওকাল প্রয়াণে মর্মাহত। বাবার ছবির সামনে বসে বাবার সঙ্গে নিজের মনের কথা বলতে থাকে আর কান্নাকাটি করতে থাকে সে। অন্যদিকে আনন্দীকে দাদা ৩০ লক্ষ টাকা পাওয়ার জন্য পাগলামি শুরু করে। রকেট আনন্দীকে তুলে নিয়ে যাবে এই ভয় দেখাতে থাকে। কিন্তু আনন্দী তাতে বিশেষ পাত্তা দেয় না। যাই হয়ে যাক না কেন তাকে তার দায়িত্ব পালন করতেই হবে। তাই সে বেরিয়ে পড়ে লাহিড়ী বাড়ির উদ্দেশ্যে।

আদিদেব ভেবেছিল আনন্দী হয়তো আর সেই বাড়িতে আসবে না। যদিও সেটাই স্বাভাবিক। কারণ, সদ্য তার সঙ্গে এক বিরাট ঘটনা ঘটে গিয়েছে। আদিদেব নিজের মায়ের কাছে সবকিছুর জন্য ক্ষমা চায়। সে তার মাকে বলে, আজ শুধুমাত্র তার জন্য তার মায়ের আর এই পরিবারের এত অপমান হল। কিন্তু তার মা বিজয়া তাকে বোঝায়, জীবনে চলতে গেলে এমন অনেক কিছুর সম্মুখীন হতে হবে। সবকিছু গায়ে মাখলে চলবে না। এর মাঝেই শোনা যায় আনন্দের গলা।

আরও পড়ুনঃ প্রথম স্থানে জোড়া মেগা! দেখে নিন আজকের টিআরপি তালিকা

লাহিড়ী বাড়িতে এসেই মায়ের গান করতে থাকে আনন্দী। তাকে দেখে বাড়ির বেশিরভাগ মানুষ খুশি হয়ে যায়। আদিদেব বেশ চমকে যায়। মেয়েটা এই অবস্থা তো নিজের দায়িত্ব-কর্তব্য এতটুকুও ভোলেনি এই বিষয়টা সবাইকে অবাক করে। ঠাম্মি আনন্দীকে বুঝে জড়িয়ে ধরে। আনন্দী বলে, ছোটবেলা থেকে যাদের মা থাকেনা তাদেরকে প্রথম থেকেই এমন শক্ত হতে হয়, কারণ তাদের সামলানোর মতন কেউ থাকে না। আনন্দীর অবস্থা দেখে খুব খারাপ লাগে আদিদেবের।

Back to top button