নতুন বিপদে পড়েও পাশে আদিদেবকে পেল না আনন্দী, বাবার মৃত্যুর পরে ভেসে গেল আনন্দীর জীবন

এই মুহূর্তে জি বাংলায় (Zee Bangla) শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক আনন্দী (Anondi)। মাত্র একসপ্তাহ আগে শুরু হওয়া এই ধারাবাহিকটি একের পর এক টুইস্টের মাধ্যমে দর্শকদের মন জয় করে চলেছে। ধারাবাহিকে আনন্দী আদিদেবের জুটিও দর্শকদের বেশ পছন্দ হয়েছে। এর আগেও দর্শক জি বাংলার পর্দায় অন্বেষা-ঋত্বিক এর জুটিকে বেশ পছন্দ করেছেন। তাই এই জুটিকে পর্দায় আরো একবার দেখে দর্শক বেজায় খুশি।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে আনন্দীর দাদা এবং রকেট মিলে লাহিড়ী বাড়ির সামনে ঝা’মেলা করতে থাকে। আনন্দীর দাদা সুযোগ বুঝে ক্ষ’তিপূরণ হিসেবে ৩০ লক্ষ টাকার দাবি করে। কিন্তু আনন্দী সকলের সামনে হাতজোড় করে তার দাদার হয়ে ক্ষ’মা চায়। আর সবাইকে জানাই যে আদি কোনভাবেই তার বাবার মৃ’ত্যুর জন্য দায়ী নয়, সে একজন র’ক্তমাং’সে গড়া মানুষ তাই দো’ষ ভু’ল তারও হতে পারে। আর তাই আনন্দীর জন্য আদি ওই দিন সকলের কাছে অ’পমানিত হওয়ার থেকে র’ক্ষা পায়।

আনন্দী আজকের পর্ব ৯ অক্টোবর (Anondi Today Episode 10 October)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে আনন্দী তার বাবা চলে যাওয়ায় ভীষণ ভে’ঙে পড়ে। পরেরদিন তার বাবার ছবির সামনে বসে বাবার সঙ্গে নিজের মনের কথা বলতে থাকে। ঠিক সেই সময় সেখানে এসে উপস্থিত হয় আনন্দীর দাদা। আনন্দীকে আগের দিনের জন্য দাদা দো’ষারোপ করতে থাকে, ৩০ লক্ষ টাকা পাওয়ার জন্য তার দাদা আসলে মরিয়া হয়ে উঠেছিল। এদিকে আনন্দীর দাদা আনন্দীকে ভয় দেখাতে থাকে যে রকেটকে ৫ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে না পারলে রকেট আনন্দীকে তুলে নিয়ে যাবে। আনন্দীকে তখন তার দাদা বাঁ’চাতে পারবে না। আনন্দী তখন দাদাকে বলে তার দাদা যদি দাদা হওয়ার কোন কর্তব্য পালন না করতে পারে তাহলে কেন আছে সে! এদিকে বাবার মৃ’ত্যুর পরেও নিজের দায়িত্ব পালন করতে লাহিড়ী বাড়িতে যাওয়ার জন্য রওনা দেয় আনন্দী।
আনন্দী লাহিড়ী বাড়িতে যাবার জন্য রওনা দিয়েছে কিন্তু সেখানে যাওয়ার মাঝ পথেই কতগুলো গুন্ডা তার উপর হামলা করে। আসলে সেগুলো রকেটেরই দলের লোক। রকেট এবং রকেটের দলের লোক আনন্দীকে অনেকদিন ধরে বি’রক্ত করে, কিন্তু আনন্দীর বাবার জন্য আনন্দীর কোন ক্ষ’তি করতে পারত না। যেহেতু আনন্দীর বাবা মা’রা গিয়েছে তাই এখন তারা আরো বেশি করে চ’ড়াও হয়েছে আনন্দীর উপরে। এদিকে আনন্দী নিজেকে র’ক্ষা করতে মাঝে রাস্তায় পড়ে থাকা বাঁশ তুলে নিয়ে তাদেরকে মা’রতে থাকে। কিন্তু তারা সংখ্যায় অনেক হওয়ায় আনন্দীর উপর সবাই মিলে হা’মলা করে। কিন্তু ঠিক সেই সময় সেখানে পাড়ার লোকজন সে হাজির হয় এবং আনন্দীকে গু’ন্ডাদের হাত থেকে রক্ষা করে।
আরও পড়ুন: নিজের হাতে আগুন তুলে নিল রহিত! বেঁচে উঠল ফুলকি! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব!
অন্যদিকে লাহিড়ী বাড়িতে তো দুর্গাপুজোর আয়োজন শুরু হয়ে গিয়েছে। সবাই মিলে মায়ের পুজো আয়োজন করছে। বাড়ির সকলে যেখানে উপস্থিত থাকলেও দেখা যায় না আদি এবং তার মাকে। সবাই মিলে সেই নিয়ে আলোচনা করতে থাকে, হাসাহাসি করতে থাকে। ওদিকে বিজয়া আদিকে পুজো মণ্ডপে যেতে বললে সেখানে কিছুতেই যেতে রাজি হয় না আদি। তার বারবার আনন্দীর বাবার মৃ’ত্যুর কথা মনে পড়তে থাকে। এই মৃ’ত্যু তাকে চিরকাল তাড়িয়ে বেড়াবে। কিন্তু আদৌ কি কোনদিনও আদি আনন্দীর সামনে আসল সত্যিটা আসবে? নন্দিনীর এই ষ’ড়যন্ত্র কি ধরা পড়বে?

