আনন্দীকে বাঁচাতে তার সিঁথিতে সিঁদুর তুলে দিল আদিদেব! প্রকাশ্যে ধারাবাহিকের নতুন প্রোমো

কিছুদিন আগেই জি বাংলায় (Zee Bangla) শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক আনন্দী (Anondi)। ধারাবাহিকটি শুরু হবার পর থেকেই গল্পে আছে একের পর এক নতুন টুইস্ট। যতদিন যাচ্ছে ততই দর্শকদের অনেক বেশি পছন্দের একটি ধারাবাহিকে পরিণত হচ্ছে এটি। এই ধারাবাহিকের মধ্যে দিয়েই দর্শকরা তাদের পুরনো প্রিয় জুটিকে আবার ফিরে পেয়েছে। তাই এই ধারাবাহিকটি প্রথম থেকেই দর্শকদের সুনজরে রয়েছে।
বেশ কিছুদিন ধরে টিআরপি তালিকায় জি বাংলার যে অবস্থা রয়েছে সেখান থেকে উন্নতির জন্য এই ধারাবাহিকটি একটি অন্যতম হা’তিয়ার হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন ধারাবাহিকপ্রেমী দর্শক মহল। এই ধারাবাহিকের প্রধান নায়িকা অন্বেষা হাজরার কথাবার্তা চালচলন অভিনয় সবই দর্শকদের অত্যন্ত পছন্দের। তাই দর্শকদের মন জয় করতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি নায়িকাকে। বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প যেদিকে এগোচ্ছে তাতে বেশ সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে নায়িকা আনন্দী।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, নায়িকা নায়কের ঠাম্মির দেখাশোনার জন্য নার্স হয়ে তার বাড়িতে কাজ নিয়েছে। তবে এর মাঝেই নায়িকা আনন্দীর জীবনে নেমে আসে এক বিরাট সংকট। হঠাৎ করেই তার বাবা অসুস্থ হয়ে পড়েন। যার ফল স্বরূপ বেশ ঘাবড়ে যায় সে। এমন অবস্থায় দাদা বৌদি সবাই তাদের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। তাহলে শুধু একটাই দাবি আর সেটা হল সম্পত্তি। সম্পত্তি না পেলে তারা এক পাও এগোবে না। তাই বাধ্য হয়ে নায়িকাকেই সমস্ত দায়িত্ব পালন করতে হয়।
আরও পড়ুন: নতুন বিপদে পড়েও পাশে আদিদেবকে পেল না আনন্দী, বাবার মৃত্যুর পরে ভেসে গেল আনন্দীর জীবন
কিন্তু নন্দিনীর ষড়’যন্ত্রের শিকার হয় আনন্দীর বাবা। ভুল ওষুধ প্রয়োগের জন্য মারা যান তিনি। পৃথিবীতে একেবারে একা হয়ে যায় আনন্দী। বর্তমান সমাজে সবাই থাকা সত্বেও একটা মেয়ে নিরাপদ নয়। সেখানে আনন্দীর কেউ নেই। এই অবস্থায় একটা মেয়ের ভালো ভাবে বেঁচে থাকা কতটা কষ্টকর সেটা বুঝতে পারে আদিদেব। শত কষ্ট বুকে চেপেও নিজের কাজ চালিয়ে যায় আনন্দী। কারণ সে একজন নার্স।
আনন্দীর সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পরল আদি দেব
সম্প্রতি এই ধারাবাহিকের একটি নতুন প্রচার ভিডিও সম্প্রচারিত হয়েছে। এখানে দেখা যাচ্ছে, জোর করে বিয়ে করার চেষ্টা করা হচ্ছে আনন্দীকে। এই কথাটা জানতে পারে আদিদেব। সে তাড়াতাড়ি নায়িকার কাছে ছুটে যায় এবং তার হাত ধরে তাকে সেখান থেকে বের করে আনে। আদিদেব আনন্দীকে নিয়ে সোজা নিজের বাড়িতে চলে আসে। এরপর প্রশ্ন ওঠে কোন অধিকারে এই বাড়িতে থাকবে আনন্দী? তখন ঠাকুরের সামনেই আনন্দের সিঁথিতে সিঁদুর তুলে দেয় আদি। এই কাণ্ড দেখে বাড়ি প্রত্যেকে অবাক হয়ে যায়। তবে কি এখান থেকেই শুরু হবে আদি-আনন্দীর যাত্রা!

