আবারও নিচু মানসিকতার প্রমাণ দিল অনির্বাণ! কুপ্রস্তাব দিয়ে রাইকে ছোট করল সে!

আঘাত শারীরিক হোক বা মানসিক, সেটা সারতে কিছুটা সময় লাগে। আর সেই সময়টা যদি কোন মানুষ না দিতে পারে তাহলে সে কতটা সারানো সম্ভব হয় না। কারণ সময়ের থেকে বড় ওষুধ আর কিছুই হতে পারে না। আর যে মানুষটা আঘাতপ্রাপ্ত, সে খুব বেশিদিন সেই আঘাতটা নিয়ে আঘাতদাতা মানুষটার সাথে সুখে থাকতে পারে না। এই সহজ বিষয়টা বুঝতে পারেনা জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোরা (MithiJhora) ধারাবাহিকের নায়ক অনির্বাণ। সে অনেক কষ্ট দিয়েছে নায়িকা রাইকে। আর বর্তমানে তার দাবি রাইকে এক মিনিটের মধ্যে সবকিছু ভুলে গিয়ে আবার তার সঙ্গে সুখে শান্তিতে সংসার করতে হবে।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, রাই অনেক লড়াই করে একটি ক’ঠিন অসুস্থতা থেকে নিজেকে মুক্ত করতে সক্ষম হয়েছে। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে সে নিজের স্বামীকে পাশে পায়নি। কেবলমাত্র তার বোন এবং বৌদি তার পাশে ছিল। অনির্বাণ ভুল বুঝে রাইকে বারবার দূরে ঠেলে দিয়েছে। তারপর আবার নিজের ভুল বুঝতে পেরে ফিরে এসেছে। রাইও এর আগে অনেকবার অনির্বাণকে ক্ষমা করে দিয়েছে। তবে এইবার সে যেভাবে নিজের স্ত্রীকে অবিশ্বাস করেছে এবং নোং’রা কথা দিয়ে আ’ক্রমণ করেছে তাতে আর এমন একটা মানুষের কাছে ফিরে যাওয়ার কোন ইচ্ছা নেই ধারাবাহিকের নায়িকার।

Mithijhora, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali Telivision, মিঠিঝোরা, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, Mithijhora Today Episode 13, মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ১৩ সেপ্টেম্বর, মিঠিঝোরা আজকের পর্ব

অনির্বাণ এবং তার মা দুজনেই মনে করে, টাকা দিয়ে সমস্ত কিছু কিনে নেওয়া সম্ভব। কারণ মন ভালো করতে টাকা লাগে, কাউকে ফিরিয়ে আনতেও টাকা লাগে। ভালোবাসা থাক বা না থাক বিশ্বাস থাক বা না থাক টাকা থাকলেই সব হয়। অনির্বাণ এতদিনেও রাইয়ের মন মানসিকতা বুঝে উঠতে পারেনি। তাই এইবার অনির্বাণ রাইকে যে কথাগুলো বলল তাতে সে রাইকে চরম অপমান করল এবং রাইয়ের মানসিকতাকে ছোট করল।

রাইকে ছোট করল অনির্বাণ

ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, অনির্বাণ নিজেকে সামলাতে না পেরে চলে আসে নিজের শ্বশুর বাড়িতে অর্থাৎ রাইয়ের বাড়িতে। তার মাথায় এখন একটা জেদ চেপে গিয়েছে। যাই হয়ে যাক না কেন, যেভাবেই হোক রাইকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যেতেই হবে। রাইয়ের সম্মতি থাকুক বা না থাকুক তাতে তার কিছু যায় আসে না। সেই হাসপাতালে বাইরে থেকে শুরু করে এখন বিষয়টা রাইয়ের বিশ্রাম নেওয়ার ঘর অবধি পৌঁছে গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ বিয়ে ভাঙতে গিয়ে অনেক বড় ঝুঁকি নিল মধুবণী! মাকে বাঁচাতে হাজির মুশকিলাসান ছোট্ট মিহি

অনির্বাণ একটুও ভাবছে না যে এই মুহূর্তে রাইয়ের একটু শান্তি আর বিশ্রামের প্রয়োজন। যতক্ষণ না তার ইচ্ছে চরিতার্থ হচ্ছে ততক্ষণ অবধি সে হাল ছাড়বে না বলেই ঠিক করে নিয়েছে। রাই তাকে স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, সে কোথাও যাবে না। সে এমন কোন বাড়িতে ফিরতে পারবে না যে বাড়িতে তার কোন অধিকার নেই। অনির্বাণ বলে, সে আজই সমস্ত পেপার রেডি করছে আর সমস্ত প্রপারটি রাইয়ের নামে লিখে দিচ্ছে। অনির্বাণের কথাগুলো শুনে রাইয়ের আরও বেশি করে দম বন্ধ হয়ে আসে।

Back to top button