বিয়ে আটকানোর অন্য উপায় পেয়ে গেলো হৈমন্তী!এবার কী করবে ফুলকি?

জি বাংলার (Zee Bangla ) জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলো ফুলকি(phulki)। এই ধারাবাহিকে দেখা যায় যে, অংশুমান এবং পারমিতার বিয়ের দিন পারমিতাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তখন ফুলকি বুঝতে পারে যে এই কাজটা হৈমন্তী করেছে এবং হৈমন্তী পারমিতাকে দাদাভাইয়ের প্রিয় জায়গা মানে রথ রাখার ঘরে লুকিয়ে রাখতে পারে,সেই ভেবে তারা খুঁজতে যায় এবং সেখানে তারা পারমিতাকে পেয়ে যায়।

ফুলকি ৩০ আগস্ট আজকের পর্ব (Phulki 30 August full episode)

ফুলকি ধারাবাহিকের শুরুতেই দেখা যায় যে, পারমিতাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে অংশুমান, ফুলকি ও রোহিত। লাবু,ফুলকি সবাই চিন্তায় পড়ে যায় যে পারমিতার কেন জ্ঞান ফিরছে না? তখন অংশুমান বলে, ডাক্তার ডাকলে বাড়িরই সম্মান নষ্ট হবে। এক্ষুণি হয়ত জ্ঞান ফিরে আসবে কারণ জেঠিমণি কড়া ডোজের ঘুমের ওষুধ দিয়েছে। এরপর দেখা যায় পারমিতার জ্ঞান ফিরে আসে তখন সবার মুখে হাসি ফোটে। কিন্তু পারমিতা আবার ঘুমে ঢুলে পড়ে।

Phulki Today Episode 11 July

ফুলকি তখন বলে, তুমি রথ রাখার ঘরে কেন দিদিকে রেখে এসেছিলে? দিদির যদি দমবন্ধ হয়ে যেত তখন কী হত? জেঠিমণি তুমি এটা একদম ঠিক করোনি। মাস্টারমশাই বলে, হৈমন্তী আজ তোমার ফয়সালা হবে। এদিকে হৈমন্তী বলে,লাবু তুই অন্তত আমার দিকটা বোঝ,ও তো আমার তথার বৌ। এরপর মাস্টার মশায়‌ বলেন, অংশু তুমি ত পুলিশে আছো, আমি একটা কমপ্লেন লঞ্চ করতে চায়, হৈমন্তী রায় চৌধুরীর নামে। হৈমন্তী আমার সাবালিকা মেয়েকে কিডন্যাপ করে রেখেছিল।

জেঠিমণি তখন বলে, রোহিত যখন আমার জলজ্যান্ত ছেলেটাকে শেষ করে দিল তার বিচার কে করবে? জেঠুমণি তখন বলে,তথার মৃত্যুটা একটা দুর্ঘটনা, তুমি সেটাকে খুনের তকমা দিয়েছো। অন্যদিকে হৈমন্তী বলে, আমি এই বিয়েটা মানবো না, আমি বিয়ের মন্ডপে দাঁড়িয়ে বলব,এই বিয়ে টিকবে না, এই বিয়ে ভেঙে যাবে। তুমি আমাকে কি শাস্তি দেবে? তুমি কোনদিন আমার দিকটাই বুঝলে না। আমার বুকটা হাহাকার করছে আর তুমি? আমি সব ভেঙে দেবো। এই বলে হৈমন্তী চলে যায় আর জেঠুমণির পায়ে পড়ে তাকে আটকে নেয় ফুলকি।

আরও পড়ুন:জলসাকে টাইট দিতে গিয়ে টিআরপিতে ডুবে গেল জি বাংলা! পুরনো মেগার কাছে হেরে ভূত জি বাংলা!

অন্যদিকে পারমিতার জ্ঞান ফিরে আসে, সে বুঝতে পারে না,সে কতক্ষন ধরে ঘুমোচ্ছে?কেন তার মাথাটা এত ভার ভার লাগছে? ঠিকমত উঠে দাঁড়াতেও পারে না পারমিতা। অন্যদিকে কীভাবে পারমিতাকে জলের মধ্যে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে বাড়ির পেছনের দরজা দিয়ে এনে পারমিতাকে রথের ঘরে আটকে রেখেছিল হৈমন্তী সেই সবটা সে বলে দেয় তার বর মানে মাস্টারমশাইকে। এক‌ইসাথে হৈমন্তী আর‌ও বলে, সে যা কিছু করেছে তার জন্য সে এতোটুকু অনুতপ্ত নয়, সে সবটা তথার জন্য করেছে। কিন্তু তার দুর্ভাগ্য তাই ঈশ্বর তার সহায় হলো না কিন্তু এই বিয়ে টিকবে না সুখের হবে না বলতে বলতে সে ঘরে চলে যায়।

Back to top button