সৃজনের হাতে হাতকড়া পরালো ইশা, পুলিশের সাথে হাত মিলিয়ে ইশাকে টেক্কা দেওয়ার ফন্দি এঁটে ফেললো পর্ণা! বর্ষাকে ফের সর্বনাশের মুখে ঠেলে দিলো কৃষ্ণা!

স্মৃতিশক্তি হারিয়ে গিয়েও বাজিমাত করছে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Phuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণা। তবে এইবার ভীষণ বাজেভাবে সৃজনকে ফাঁসিয়ে দিলো ইশা। তবে এই বিপদ থেকেও সৃজনকে ঠিক উদ্ধার করবে পর্ণা। কিন্তু কীভাবে? জমে উঠেছে ধারাবাহিকের বর্তমান পর্বগুলি। আগের থেকে আরও বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে ধারাবাহিকের প্রত্যেকটি প্লট। তাই টিআরপিতে বেঙ্গল টপারের জায়গাটা দখল করে নিয়েছে এই মেগা।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা ইশার করা অপরাধের চরম প্রতিবাদ করে। সে বুঝিয়ে দেয়, এই দেশে আইন সবার জন্য সমানভাবে কার্যকরী। সে মন্ত্রীর স্ত্রী বলে কখনোই পার পেয়ে যেতে পারে না। নিজের এই চরম হার একেবারেই স্বীকার করতে পারেনি ইশা। তাই পর্ণার ক্ষতি করতে এবার সৃজন এর গায়ে কলঙ্ক ছিটিয়ে দেয় সে। এখন সৃজনকে এই চরম বিপদের হাত থেকে পর্ণা ঠিক কিভাবে বাঁচায় সেটাই দেখার বিষয়।
নিম ফুলের মধু আজকের পর্ব ৩ জুন (Neem Phuler Modhu Today Episode 3 June)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, পর্ণা আর সৃজন ইশার গুন্ডাদের জব্দ করে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। কিন্তু ইশা ঠিক করে এত সহজে সে সৃজনকে ছেড়ে দেবে না। তাই নিজের ছেলেপুলেদের কাজে লাগিয়ে সে চলে যায় পুলিশ স্টেশনে এবং সৃজনের নামে মিথ্যে দোষারোপ করে। এদিকে সৃজন বাড়িতে এসে সমস্ত ঘটনা খুলে বলতেই তার মা আবারও সমস্ত দোষ পর্ণার ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়। সে বলে, যা যা হচ্ছে সবকিছুর জন্য দায়ী পর্ণা। ও আজ বাড়াবাড়ি না করলে এত খারাপ কিছু তাদের সাথে হতো না।
সৃজনকে গ্রেফতার করলো পুলিশ
কিছুক্ষণ বাদেই দত্ত বাড়িতে চলে আসে পুলিশ। পুলিশ দেখে ভীষণ ভয় পেয়ে যায় প্রত্যেকে। এরপর সৃজনকে হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিয়ে চলে যায় তারা। পর্ণা চুপ করে বসে থাকতে পারেনি। সে তাড়াতাড়ি চলে যায় পুলিশ স্টেশনে। সেখানে ইশা পুলিশ অফিসারের সাথে কথা বলে তার মাথায় ঢুকিয়ে দেয়, যেটাই হয়ে যাক সৃজন যেন ছাড়া না পায়। এরপর পর্ণা পুলিশ অফিসারকে বলে, তার কি মনে হচ্ছে ইশা সত্যি কথা বলছে? পুলিশ অফিসার জানায়, ওই মহিলা একজন অত্যন্ত ধূর্ত এবং ঠকবাজ। কিন্তু আইনের হাত বাঁধা। আইন শুধু প্রমাণ চায়। সৃজনকে বাঁচানোর একটাই উপায় আছে আর সেটা হল যদি ইশা এই কেসটা কোর্টে ওঠার আগে তুলে নেয়। কিন্তু এটা পর্ণার জন্য একেবারেই অসম্ভব হয়ে ওঠে।
আরও পড়ুন: ১৪ই জুন বিয়ে করছেন সোহিনী সরকার, খোলসা করলেন বন্ধু অনির্বাণ!
পিকলুকে সব খুলে বললো অসহায় বর্ষা
অন্যদিকে নিজের ঘরে দাঁড়িয়ে অর্ণবের সাথে ফোনে চিৎকার করে ঝামেলা করতে থাকে বর্ষা। অর্ণব বারবার বর্ষাকে বাড়ি ফিরে আসার কথা বলে আর পাশাপাশি না আসলে সে বর্ষার খারাপ অবস্থা করবে সেই হুমকিও দেয়। সবটাই বাইরে থেকে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে শুনে ফেলে পিকলু। এরপর সে বর্ষাকে সমস্তটা জিজ্ঞাসা করতেই বর্ষা পিকলুর কাছে কান্নায় ভেঙে পড়ে। পিকলু বর্ষার হাত ধরে বারবার সমস্ত ঘটনাটা তাকে বলতে বলে আর এমন সময় চলে আসে কৃষ্ণা। সে এই গোটা বিষয়টা দেখে অত্যন্ত রেগে যায়।

