‘সেলিব্রেটি শব্দটা আমার কাছে একটা গা’লাগাল, এর থেকে নোংরা…’ সেলিব্রিটি হতে চাননি স্বস্তিকা মুখার্জি? মনে জমে থাকা ক্ষো’ভ উগরে দিলেন অভিনেত্রী!

বাংলা চলচ্চিত্রের জগতে (Tollywood) স্বস্তিকা মুখার্জি (Swastika Mukherjee) এমন এক নাম, যা একইসঙ্গে প্রতিভা এবং সাহসিকতার প্রতীক। প্রায় দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি বড় পর্দা, টেলিভিশন এবং বর্তমানে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে নিজের দাপট বজায় রেখেছেন। স্বস্তিকা মুখার্জি সবসময়ই তাঁর ‘ঠোঁটকাটা’ স্বভাবের জন্য পরিচিত।

টলিউডের গণ্ডি পেরিয়ে স্বস্তিকা বলিউডেও নিজের নাম উজ্জ্বল করেছেন। সুশান্ত সিং রাজপুতের সঙ্গে ‘ডিটেকটিভ ব্যোমকেশ বক্সী’ এবং ‘দিল বেচারা’ সিনেমায় তাঁর অভিনয় দর্শক ভোলেননি। এছাড়া ওটিটি-তে ‘পাতাল লোক’ এবং ‘কালা’-এর মাধ্যমে তিনি সর্বভারতীয় স্তরে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। ২০২৬-এর শুরুতে তাঁর অভিনীত থ্রিলার সিরিজ ‘কালিপটকা’ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বেশ সাড়া ফেলেছে। এছাড়া ব্যক্তিগত জীবনে একলা মা হিসেবে মেয়ে অন্বেষাকে বড় করে তোলা এবং নিজের শর্তে জীবন কাটানো তাঁকে অনেক নারীর কাছে অনুপ্রেরণা করে তুলেছে।

স্বস্তিকা মুখার্জি বরাবরই প্রথাগত ইমেজের বাইরে হাঁটতে পছন্দ করেন। ভিডিওতে বা বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তিনি যখন বলেন যে তাঁর ‘সেলিব্রিটি’ শব্দটিতে আপত্তি আছে। তিনি রাস্তায় বেরিয়ে সাধারণ মানুষের মতো জীবন কাটাতে পছন্দ করেন। বাজারে যাওয়া, কেনাকাটা করা বা সাধারণ আড্ডায় তিনি কোনো ‘স্টারডম’ বয়ে নিয়ে যেতে চান না। স্বস্তিকার মতে, আজকের দিনে তথাকথিত ‘সেলিব্রিটি’ হওয়া খুব সহজ হয়ে গেছে। কিন্তু তিনি বিশ্বাস করেন, একজন শিল্পী হিসেবে মানুষের মনের ভেতরে থাকাটা বেশি জরুরি।

‘সেলিব্রিটি’ তকমাটা অনেক সময় ব্যক্তিস্বাধীনতা কেড়ে নেয়। তিনি কী পরবেন, কোথায় যাবেন বা কী বলবেন তা যদি সবসময় ওই তকমার কথা মাথায় রেখে করতে হয়, তবে জীবনটা কৃত্রিম হয়ে যায়। স্বস্তিকা এই কৃত্রিমতাকে ঘৃণা করেন। তিনি সোজাসাপ্টা কথা বলতে এবং নিজের মতো করে বাঁচতে পছন্দ করেন।

আরও পড়ুনঃ আনন্দের মাঝেই বিষাদের সুর! নিজেকে সামলে রাখার কঠিন পরীক্ষার অসফল মিঠি! এই লুকোচুরির খেলা শেষ করতে কঠিন পদক্ষেপ নিল সে! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

অভিনেত্রী মনে করি সেলিব্রিটিদের জীবন নিয়ে সহজেই মানুষ মন্তব্য করতে পারেন। যদি তাদের জীবনে সফল ভালোবাসা আসে তাহলে সেটা নিয়ে আলোচনা হয় না মানুষের ভালোটা নিয়ে কেউই কখনো মাথা ব্যথা দেখান না। কিন্তু যদি একটা সম্পর্ক ভেঙে যায় তাহলে সেটা নিয়ে সব থেকে বেশি আলোচনা হয়। খারাপটা নিয়ে অনেক বেশি আলোচিত হয়, ভালো টা নিয়ে অতটা আলোচনা হয় না বলে মনে করেন অভিনেত্রী। তাই সেলিব্রেটি হওয়ায় বেশ আপত্তি স্বস্তিকার।

Back to top button