‘পৃথিবীর ধ্বংস এবং সৃষ্টির মাঝে সাক্ষী ছিলাম আমি…সামনে ছিলেন নারায়ণ’- নিজের বাস্তব অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিতে গিয়ে শিহরিত সৌমিতৃষা! কি হয়েছিল অভিনেত্রীর সঙ্গে?

বর্তমান প্রজন্মের জনপ্রিয় সুন্দরী অভিনেত্রীদের মধ্যে প্রথম সারিতেই রয়েছেন সৌমিতৃষা কুন্ডু (Soumitrisha Kundu) অর্থাৎ সকলের প্রিয় মিঠাই। ছোট পর্দা থেকে বড় পর্দা বর্তমানে ওয়েব সিরিজ (Web Series) জগতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন অভিনেত্রী। তার প্রথম ছবি ছিল অভিনেতা দেবের বিপরীতে প্রধান। ছবিটি ব্যাপক ভালোবাসা পেয়েছে দর্শকমহলে। সম্প্রতি অভিনেত্রীর দ্বিতীয় ছবি মুক্তি পেয়েছে। তার নতুন ছবি ১০ই জুন। ছবিতে সৌরভ দাসের (Sourav Das) সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করতে দেখা যাচ্ছে সৌমিতৃষাকে। এছাড়াও ওয়েব সিরিজ জগতে সৌমিতৃষার প্রথম ওয়েব সিরিজ কালরাত্রি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।
এর আগেও বেশ কিছু ধারাবাহিকে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করলেও মিঠাই যেন সৌমিতৃষার ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দিয়েছে। মিঠাইয়ের হাত ধরে একের পর এক বড় পর্দায় কাজের সুযোগ পেয়েছেন অভিনেত্রী। ইতিমধ্যে সুপারস্টার দেবের বিপরীতে অভিনেত্রীকে প্রধান ছবিতে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে। এ ছাড়া আগামী দিনে বেশ কিছু ছবির কাজ রয়েছে অভিনেত্রীর হাতে। এমন কি কিছুদিন আগে হইচই এর একটি ওয়েব সিরিজেও দেখা মিলেছে সৌমিতৃষার।

সম্প্রতি দোল উৎসব উপলক্ষে সৌমিতৃষার বাড়িতে হয়েছে নায়ায়ণ পুজো। এই পুজো নিয়ে একটা বিশেষ গল্প রয়েছে। যেটা বহুবার বলতে চেয়েও বলতে পারেনি অভিনেত্রী। তবে এবারে এক ভিডিওর মাধ্যমে জানালেন নিজের সেই স্বপ্নের কথা। কিভাবে নারায়ণ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল অভিনেত্রীর বাড়িতে। স্বপ্নে নারায়ণ দর্শনের সেই গায়ে কাঁটা দেওয়ার মতো অভিজ্ঞতার কথা সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করলেন অভিনেত্রী ৷ ভগবানের প্রতি এই ভালোবাসার কথা বলতে গিয়েই ছোটবেলায় স্বপ্নে নারায়ণ দর্শনের অভিজ্ঞতা সত্যি অবাক হবেন সবাই শুনে।
আরও পড়ুনঃ স্টেজ শো করতে গিয়ে মোটা অংকের পারিশ্রমিক দাবি!’ এত বেশি টাকা চাইছে যে আরাত্রিকার কথা ভাবাই যাচ্ছে না’- কটাক্ষের মুখে সারেগামাপার আরাত্রিকা!
তিনি বলেন, “আমি তখন ক্লাস সেভেন বা এইটে পড়ি ৷ অর্জুন যখন শ্রীকৃষ্ণের কাছে জানতে চায়,-মাধব আপনি আসলে কে ? তখন তিনি দেখান আমিই পরম ব্রহ্ম ৷ নিজের অবতারে ধরা দেন শ্রীকৃষ্ণ ৷ সেই রকম বিশাল বড় নারায়ণকে দেখতা পাই আমি স্বপ্নে ৷ তাঁর একটা পা দেখি পৃথিবীর ওপরে ৷ আর একটা গঙ্গার ওপরে ৷”
সৌমিতৃষা আরও বলেন, “নারায়ণ ঠাকুরের মাথার ওপর ছাতার মতো রয়েছে শেষ নাগ ৷ সেই নাগও তত বড়৷ এমন কথা বলতে গেলে এখনও গায়ে কাঁটা দেয় ৷ এত বছর হয়ে গিয়েছে এখনও সেই স্বপ্ন আমার কাছে স্পষ্ট ৷ আমার মনে হচ্ছিল পৃথিবী ধ্বংস ও সৃষ্টির মাঝামাঝি সময়ে আমি দাঁড়িয়ে প্রত্যক্ষ করেছি ৷ আমি কোনও মূর্তি দেখিনি ৷ ঠিক যেন রক্ত মাংসের ছিল সেই নারায়ণ ঠাকুর ৷ মিঠাই ধারাবাহিকের শুটিং শেষে বাড়ি ফিরেছি ৷ মা বললেন, নারায়ণ ঠাকুর কিনেছি ৷ দেখ ৷ আমি সেটা দেখে অবাক হয়ে যাই ৷ কারণ স্বপ্নে দেখা নারায়ণ ঠাকুর আর কিনে আনা নারায়ণ ঠাকুরের রূপ পুরো এক ছিল ৷ তার সঙ্গে পাঁচ মাথা শেষ নাগ ৷ সেটা নাও থাকতে পারত ৷ কিন্তু অবিকল আমি স্বপ্নে যেমন দেখেছিলাম সেই নারায়ণ ঠাকুরই আমার বাড়িতে আসে ৷”

