‘হি’জড়ে কোথাকার…’ – হরি নাম শেষ হতেই গায়িকাকে হি’জড়ে সম্বোধন! মুখের মধ্যে ছুঁড়ে মারা হলো আধ খাওয়া ভুট্টা! এটাই কি গায়িকাদের প্রাপ্য? বিস্ফোরক পৌষালী ব্যানার্জি

বর্তমান সময় ট্রোল (Troll), সমালোচনা কটাক্ষ এই বিষয়গুলো যেন একেবারে সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেলিব্রেটিদেরকে নিয়ে ট্রোল, সমালোচনা তো প্রায়শই হয়ে থাকে। মাঝেমধ্যে আমরা সেই ধরনের পোস্ট মন্তব্য দেখে থাকি। বিশেষ করে সেলিব্রিটিদের (Celebrity) নিয়ে তো প্রতিদিনই ট্রোল হচ্ছে। সেলিব্রেটিদের কোন একটা কাজকর্ম ঘিরে রাতারাতি হইচই পড়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়াতে (Social Media)।
বর্তমান সময়ে অসংখ্য গায়ক গায়িকাদের প্রায়শই আমরা বিভিন্ন জায়গায় অনুষ্ঠান করতে যেতে দেখতে পাই। সেই সমস্ত অনুষ্ঠানে গিয়ে গায়ক গায়িকারা দর্শকদের সাথে আলাপ করে, তাদের সঙ্গে পরিচয় পর্ব সারেন এবং তাদের সুন্দর গানের মাধ্যমে প্রত্যেকের মনোরঞ্জন করে। কিন্তু সেই সমস্ত অনুষ্ঠান গুলিতে অনেক সময়ই সেলিব্রিটিদের অপমানিত হতে হয়।
সেরকম অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হল গায়িকা পৌষালীকে। বিভিন্ন জায়গায় গানের অনুষ্ঠানেই গায়িকা উপস্থিত থাকেন। সেখানে হাজার হাজার মানুষের ভিড়ে গান গেয়ে শোনান তিনি। অনেক সময় দর্শকের আসনে থাকা মানুষরাও আবদার করে নানান ধরনের গান গাওয়ার জন্য তাদের আবদারও রাখেন গায়িকা।
সেরকমই এক জায়গায় গানের অনুষ্ঠানে গিয়ে অপ্রত্যাশিত ঘটনার মুখোমুখি হতে হলে পৌষালীকে।সম্প্রতি সাক্ষাৎকারে গায়িকা জানান, ‘এক জায়গায় গান গাইতে গিয়েছি, গান শেষ করার পর সবাই হাততালি দিচ্ছে। সামনের আসনে বসে থাকা এক বয়স্ক ভদ্রলোক বলে উঠলেন একেবারে হিজড়ের মতন। অন্য একদিন এরকমই গান গাইতে গাইতে হঠাৎ করে স্টেজের মধ্যে উড়ে এলো একটা আধ খাওয়া ভুট্টা। ভালোবেসে নাকি আমার দিকে ছুঁড়ে দিয়েছে। এই সমস্ত গুলো ক্যামেরায় রেকর্ড হয় না। এইগুলোর বিরুদ্ধে আমি যদি কোন রিয়েক্ট করি, কথা বলি সেগুলোই ভাইরাল হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়াতে। তখন মানুষ ভাবে আমরা খারাপ।’
আরও পড়ুনঃ হাতে হাতে রেখে তিন মাস পার! একে অপরকে ভালোবাসায় বেঁধে রেখেছেন রুবেল শ্বেতা! আছে নাকি নতুন কোনো সুখবর?
আরো বলেন গায়িকা, ‘আমি যে কোন অনুষ্ঠানে আটপৌরে করে শাড়ি পড়ে যাই। হঠাৎ গান গাইতে গাইতে যদি শাড়ির আঁচল এদিক থেকে ওদিক হয়ে যায় তাহলে মানুষ মন্তব্য করে ওই তো শাড়ির আঁচল সরিয়ে গান শোনাচ্ছে। এই ধরনের অনেক পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয় আমাদের। তাই জন্য এখন আমি শাড়িতে ছটা সেফটিনের জায়গায় বারোটা সেপটিপিন লাগিয়ে যাই।’

