‘মহিলাদের দেখলেই মনে হতো এর সাথে কি প্রেম করা যায়?’ মিঠু চক্রবর্তীর আগে কতজনকে মন দিয়েছেন অভিনেতা? অকপটে সব্যসাচী চক্রবর্তী!

চলচ্চিত্র জগতের (Film Industry) একজন স্বনামধন্য কিংবদন্তি অভিনেতা হলেন সব্যসাচী চক্রবর্তী (Sabyasachi Chakraborty)। কয়েক দশক ধরেই টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে (Tollywood) অভিনেতার অভিনয় মুগ্ধ করে চলেছে দর্শকদের। তার অভিনয় দক্ষতা নিয়ে তো নতুন করে আর কিছুই বলার নেই। ফেলুদা চরিত্রে অভিনেতার অভিনয় সারা জীবন বাঙালির কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। বর্তমানে বয়সের কারণে ছবির পর্দায় খুব একটা দেখা যায় না অভিনেতাকে। কিন্তু পর্দার আড়ালে রেডিওতে এখনো কাজ করে চলেছেন অভিনেতা।

স্ত্রী মিঠুন চক্রবর্তীও জনপ্রিয় অভিনেত্রী, দুই ছেলে অর্জুন এবং গৌরবও অভিনয় জগতে প্রতিষ্ঠিত। এছাড়াও বড় ছেলের বউ ঋদ্ধিমাও একজন স্বনামধন্য অভিনেত্রী। বলতে গেলে গোটা পরিবারটাই ফিল্মি দুনিয়ার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। বর্তমানে বয়সের কারণে এবং নানান শারীরিক অসুস্থতার কারণে টানা কাজ করা হয়ে ওঠে না। কিন্তু আজ থেকে কয়েক বছর আগে যখন ইয়ং সব্যসাচী ছিল তখন চুটিয়ে কাজ করেছেন অভিনেতা।

অভিনয় জগতে কাজ করার সূত্রে বহু মহিলা অভিনেত্রীর সাথেও আলাপ পরিচয় হয়েছে। কিন্তু সেই সমস্ত মহিলা সহ অভিনেত্রীদের প্রেমে পড়েছেন সব্যসাচী? সেই নিয়েই এক সাক্ষাৎকারে ধরা দিয়েছেন অভিনেতা। সম্প্রতি কিছুদিন আগেই জনপ্রিয় অভিনেতা রাহুল বন্দোপাধ্যায়ের পডকাস্ট শো সহজ কথাতে হাজির হয়েছিলেন সব্যসাচী। সেখানেই তাকে নানান রকম প্রশ্ন করা হয়। তার সাথে তার জীবনের নানান ঘটনা নিয়ে আলোচনা করে রাহুল। ওই পড কাস্ট শোতে রাহুল এই প্রশ্ন করে বসেন অভিনেতা সব্যসাচীকে।

প্রশ্ন উত্তরের পর্বে রাহুল সব্যসাচীর কাছে জানতে চায় অভিনয়ের সূত্রে বহু মহিলা অভিনেত্রীর সাথে কাজ করেছেন তিনি। কখনো কাউকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছেন? যদিও এই প্রশ্নটা রাহুল নিজে করেননি এই প্রশ্নটা সব্যসাচীর পুত্রবধূ ঋদ্ধিমা করেছে রাহুলের মাধ্যমে। এই প্রশ্নের উত্তর সরাসরি ভাবেই দিয়েছেন সব্যসাচী। কোনরকম হেঁয়ালি না করেই সহজ ভাবে বুঝিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ পারুলের দুর্বল জায়গাতেই আঘাত করলো শিরিন! রায়ানকে গুটি করেই পারুলকে কম্পিটিশন থেকে ল্যাং মারল শিরিঙ্গে!

সব্যসাচীর কথায়, ‘আমি কখনো কারো প্রেমে পড়িনি। কারণ আমার কাছে ওটা সম্পূর্ণ কাজের জায়গা, তাই সেখানে আমি কারো প্রেমে পড়িনি। যার যার সাথে কাজ করছি সকলেই আমার ভালো বন্ধু। সবচেয়ে ভালো বন্ধু দেবশ্রী। ঋতুপর্ণা আমাকে দাদার মতোই দেখে। আমার কাছে কর্ম জীবনে কোন ইমোশন কাজ করে না। কারণ সেও কাজ করতে এসেছে আমিও কাজ করতে এসেছি। প্রেম নিবেদন করতে তো আসেনি। প্রেম নিবেদন তখনই করা যায় যখন তুমি কাজের মধ্যে নেই। বিয়ের পর সমস্ত প্রেম উবে যায়। তার আগে পর্যন্ত যেই মহিলাকেই দেখতাম মনে হতো এই মহিলার সাথে কি প্রেম করা যায়! আমিও ওইসব দিকে একদমই যাইনি। প্রেম-টেম থেকে আমি একেবারেই দূরে।’

Back to top button