পারুলের দুর্বল জায়গাতেই আঘাত করলো শিরিন! রায়ানকে গুটি করেই পারুলকে কম্পিটিশন থেকে ল্যাং মারল শিরিঙ্গে!

কে হবে চ্যাম্পিয়ন অফ ব্রাইট মাইন্ডস? এই নিয়েই বর্তমানে দর্শকদের মনে এখন টানটান উত্তেজনা চলছে। শিরিন এর একের পর এক ষড়যন্ত্র থেকে বেরিয়ে সবকটা রাউন্ডেই ভালো ফলাফল করছে পারুল। জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা (Porineeta) ধারাবাহিকে একটা পর্বও মিস করছেন না দর্শক। ধারাবাহিকের পুরনো মেজাজ ফিরিয়ে আনতে একের পর এক টুইস্ট আনা করছে। তাইতো টিআরপি তালিকায় প্রতি সপ্তাহে প্রতিপক্ষকে দমিয়ে রাখছে পরিণীতা।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, ব্যাডমিন্টন ম্যাচে শিরিনের পদ্ধতিতেই তাকে কাবু করে পারুল। ফাইনালে পৌঁছে যায় পারুল। শিরিনের বাবাও তো পারুলের খেলা দেখে মুগ্ধ হয়ে যায়। কিন্তু শিরিন কিছুতেই এসব মেনে নিতে পারে না। শিরিনের বাবাও পারুলকে শুভেচ্ছা জানায়। তারপর পরের প্রতিযোগিতায় মুখোমুখি রায়ান পারুল। রায়ানকে এক ইঞ্চিও জমিও ছাড়বে না পারুল, জানিয়ে দেয়।

বাড়িতে পৌঁছে সকলেই তো পারুলের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। খেতে বসে সকলে পারুলকে উৎসাহ দিতে থাকে। মৈনাক, মল্লার সকলেই বিশ্বাস করে পারুল জিতবে ফাইনালে। তাই রায়ানকে সাবধান করে দেয়। এদিকে রায়ানও জানিয়ে দেয় সেও পারুলকে ছেড়ে দেবে এত সহজে। মল্লার এখন সুযোগ বুঝে দল পাল্টে ফেলেছে। কিন্তু দাদু জানিয়ে দেয় সে দুজনকেই আশীর্বাদ করছে। যেই চ্যাম্পিয়ন হোক ট্রফি বসু পরিবারেই আসবে সেটা নিয়েই তিনি নিশ্চিন্ত। কিন্তু রায়ান দাদুর কথা কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারে না। দাদু হয়তো মুখেই তাকে সাপোর্ট করার কথা বলছে মনে মনে পারুলকেই সাপোর্ট করছে। কিন্তু তখন দাদু জানিয়ে দেয় তিনি এবং রায়ানের ঠাম্মি দুজনেই বাবা ভুবনেশ্বরের কাছে পুজো দিয়ে এসেছে তাদের নামে। তাই রায়ানের সন্দেহ থাকলেও তার কিছু করার নেই।
এদিকে খাওয়া শেষে হাতমুখ ধুতে গিয়ে রায়ান পারুলকে সাবধান করে দেয়। পারুলও চুপ থাকে না। রায়ানকে যোগ্য জবাব দিয়ে দেয়। আর জানিয়ে দেয় সে ন্যাড়াগোয়াল থেকে কলকাতায় হারতে আসেনি। তাই রায়ান যেন ফাইনাল রাউন্ডের লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত থাকে। তারপর পরের দিন একেবারে প্রস্তুত হয়ে রায়ান পারুল দুজনই পৌঁছে যায় কম্পিটিশনের শেষ পর্বে। এই রাউন্ডেই বেছে নেওয়া হবে চ্যাম্পিয়ন্স অফ ব্রাইট মাইন্স কে।
বড় বড় সংগীতশিল্পীরা বসে আছেন বিচারকের আসনে। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে গান নিয়ে কম্পিটিশন হতে চলেছে। কিন্তু প্রথম থেকে এই রাউন্ড সম্পর্কে কাউকে কিছু জানানো হয়নি পুরোটাই ছিল সারপ্রাইজ। এরপর ধীরে ধীরে কম্পিটিশন শুরু হয়। জানিয়ে দেওয়া হয় প্রতিযোগীরা একে অপরের সম্পর্কে চার লাইনের গান লিখবে, নিজেরাই সেটাতে সুর দেবে আর নিজেরাই সেই গান গেয়ে শোনাবে বিচারককে। এরকম করে তিনটে রাউন্ড হবে আর প্রতিটা রাউন্ডে যে সব থেকে বেশি ভালো পারফরম্যান্স করবে তাকে বেছে নেওয়া হবে বিজয়ী হিসেবে।
আরও পড়ুনঃ অতি চালাকের গলায় দড়ি! ছোট রানীর গলায় ফাঁসির দড়ি! মাটি খুঁড়ে লুকোনো রহস্য প্রকাশ্যে আনলো ফুলকি!
এরপর রায়ান এবং পারুলের মধ্যে জোরদার টক্কর শুরু হয়ে যায়। রায়ান গানের মাধ্যমে স্টেজেই পারুলকে ছোট করে। পারুল উল্টে তার গানের মাধ্যমে জবাব দেয়। কিন্তু পারুল সব সময় ছোট করে না রায়ানকে বরং রায়ানের নামে অনেক ভালো কথাও গানের মাধ্যমে জানায়। লড়াই যখন সমানে সমানে হচ্ছে তখন পারুল ভাবতে থাকে সে রায়ানকে কিভাবে হারাবে, কারণ সে রায়ানকে ভালোবাসে। কিন্তু এদিকে নিজের জন্যেও তাকেই লড়তে হবে। আর পারুলের কথা আড়াল থেকে শুনে নেয় শিরিন। পারুলের দুর্বল জায়গা ধরতে পেরে সেখানে আঘাত করেই তাকে কম্পিটিশন থেকে বের করার প্ল্যান করে সে। এবারে দেখা যাক আগামী পর্বে কি হতে চলেছে।

