‘আমি টাকার জন্য গান গাই না’, সাক্ষাৎকারে নিজের মনের কথা খুলে বললেন রূপঙ্কর!

সংগীত মানুষের অবসর সময় যাপনের অনেক বড় একটি অঙ্গ। বিভিন্ন শিল্পীদের গান শোনা, কনসার্ট দেখতে যাওয়া ইত্যাদি এখন আজকের প্রজন্মের মানুষের কাছে খুব সাধারণ একটি বিষয় হয়ে উঠেছে। বর্তমানে বাংলার সংগীত শিল্পীদের মধ্যে যারা নবীন এবং প্রবীণ উভয় প্রজন্মকেই সমানভাবে উচ্ছ্বসিত করতে সক্ষম এমন একজন গায়ক হলেন রূপঙ্কর বাগচী (Rupankar Bagchi)। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের মনের অনেক কথাই অকপটে দর্শকদের সাথে ভাগ করে নিলেন রূপঙ্কর।
বাকি শিল্পীদের থেকে অনেকটাই আলাদা গায়ক রূপঙ্কর
রূপঙ্কর এই সাক্ষাৎকারে বলেন, “কোভিডের সময় আমি লাইফ ইজ বিউটিফুল নামে একটা শো করতাম অনলাইনে মানে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এখানে কোন টাকা পয়সার বিষয় ছিল না। আসলে গান গাইতে আমি ভালো ভালোবাসি। আমি চাই মানুষ আমার গান শুনুক। গান গাইতে গাইতে কথা বলা মানুষের সমস্যার সমাধান করা এসব আমার বেশ ভালই লাগতো। আসলে এখন আমি আর গানটা টাকার জন্য গাই না। এখন আমি গান গাই সাধনার জন্য। এমন অনেক জায়গায় আমি টাকা না নিয়েই গান গেয়েছি।”
![]()
অন্যায় একেবারেই মেনে নিতে পারেন না রূপঙ্কর
অভিনেতা বলেন, “আমি একজন বয়স্ক শিশু। আমার মধ্যে শৈশব একটু বেশিই রয়েছে। এজন্য এক এক সময় আবেগ তাড়িত হয়ে এমন কিছু বলে ফেলি, যেটা পরে গিয়ে মনে হয় কি হলো বলে! উল্টে আমার কিছু ক্ষতি হলো, আমার স্ত্রী এবং কন্যার কিছু ক্ষতি হলো। তাদের একটা মানসিক সমস্যার মধ্যে দিয়ে যেতে হলো। তাই এখন চেষ্টা করি নিজেকে সামলানোর। কিন্তু এত সময় পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়ে যায় যে পেরে উঠি না। কারন আমি একেবারেই অন্যায় মেনে নিতে পারি না।”
কেকে-এর ঘটনাটার পর কী কী সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন তিনি?
গায়ক বলেন, “ট্রোলিং একটা মারাত্মক খারাপ জিনিস। এটাকে যতই এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি না কেন এটা যেন সবসময় আমাদের কাছেই আমাদের মানসিক অশান্তির কারণ হয়ে থেকে যায়। ওই ঘটনাটির পর আমার অনেক কিছুতেই অনেক বাধার সৃষ্টি হয়েছে। যেমন আগে আমি অনেক বিজ্ঞাপন পেতাম। এখন আর এতটা বিজ্ঞাপন পাই না। যে যে জায়গাগুলোতে আমার কাজ করার কথা ছিল সেই জায়গাগুলো আমাকে কাজে নিতে চায়নি। আমেরিকাতে একটা অনুষ্ঠান ছিল সেটাও বাতিল হয়েছে।”
আরও পড়ুনঃ বিয়ের দিন শালী জামাইবাবুর ঝামেলা! সেটের বাইরেও স্রোতের সাথে শৌর্য্যর ঝামেলা অনির্বাণ রাইকে নিয়ে!
তিনি আরও বলেন, “এখনো অনেক জায়গাতেই আমাকে নিতে সংকোচ বোধ করেন। কারণ আমার ছবিটা দিয়ে প্রচার চালানোর ক্ষেত্রে তাদের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। কিন্তু এমন অনেক ব্যক্তি রয়েছেন যাদের কাছে এই ট্রোলিং বিষয়টা কোন বিষয়ই নয়। তারা দিব্যি আমাকে দিয়ে গান গাইয়াছেন এবং সেই গান চলেওছে। কোন সমস্যাই হয়নি। মাঝেমধ্যে এইসব নিয়ে খুব রাগ হতো। কিন্তু নিজেকে শান্ত করেছি। বাড়ির প্রত্যেকের আমার পাশে থেকেছে।”

