‘একদিন জিম না গেলে ওর শরীর ট’স্কে যাবে…তখন পুরো ম’ন্দোবাজি করে চালাত!’ টলি অভিনেতাকে নিয়ে বে’ফাঁস রজতাভ দত্ত! আর কি কি কাণ্ড ফাঁ’স করলে অভিনেতা?

রজতাভ দত্ত (Rajatava Dutta) বাংলা চলচ্চিত্র জগতের এমন একজন অভিনেতা, যিনি নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে যেকোনো চরিত্রকে জীবন্ত করে তুলতে পারেন। টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে তিনি ‘রনি’ নামেই বেশি পরিচিত। তাঁর বিশেষত্ব হলো, তিনি যেমন পর্দায় ভয়ঙ্কর খলনায়ক হয়ে দর্শকদের মনে ভয় ধরাতে পারেন, তেমনই অসাধারণ কমেডি দিয়ে দর্শকদের হাসিতেও ভরিয়ে দিতে পারেন।
নব্বইয়ের দশকে নাটকের মঞ্চ থেকে তাঁর যাত্রা শুরু হয়েছিল, যা পরবর্তীতে তাঁকে বড় পর্দার অন্যতম নির্ভরযোগ্য অভিনেতায় পরিণত করে। শুধু সিনেমা নয়, ছোট পর্দায় বিশেষ করে ‘মীরাক্কেল’ অনুষ্ঠানের বিচারক হিসেবে তাঁর হাস্যরসাত্মক ভঙ্গি এবং বিচারবুদ্ধি তাঁকে বাংলার প্রতিটি ঘরে জনপ্রিয় করে তুলেছে।
অন্যদিকে টলিউডের আরেক জনপ্রিয় হ্যান্ডসাম অভিনেতা হলেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। দুজনই টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে বেশ কয়েক বছর ধরে রাজত্ব করছেন। কিন্তু সম্প্রতি একটি ইউটিউব চ্যানেলের সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে রজতাভ দত্তের মুখে পরমব্রত সম্পর্কে এমন কিছু কথা শোনা গেল যা নেটিজেনরা একেবারেই আশা করেননি। অভিনেতা সম্পর্কে এই কথাগুলো শুনতে অনেকেই প্রস্তুত ছিলেন না। রজতাভর মুখে পরমব্রতর নামে এমন কথা শুনে সকলেই তো অবাক।
সাক্ষাৎকারে অভিনেতা বলেন, ‘পরমব্রত তখন একেবারে মন্দোবাজি করে চালাত। ওকে নিয়ে শুটিং করা মানে ডিরেক্টরদের অবস্থা খারাপ। ডিরেক্টরের দুঃস্বপ্ন যে সমস্ত এক্টর এক্ট্রেসটা তাদের মধ্যে পরম ছিল একজন। ব্যাংককে শুটিং করতে গেছে, তখন ফেলুদাতে তোপসের অভিনয় করত পরম। অল্প কিছু ডেট পাওয়া গেছে হাতে। ওই সময়ের মধ্যেই শুটিং করতে হবে। পরম সকালে ঘুম থেকে দেরি করে উঠে জিম করতে চলে গিয়েছে। একদিন জিম না করলে ওর শরীর টোসকে যাবে। এদিকে শুটিংয়ের জায়গায় সবাই পরম আসবে কখন সেই অপেক্ষায় বসে আছে। টোটা, বেনুদা সবাই ছিল সেই ইউনিটে উপস্থিত। আর পরম অনায়াসে তখন এগুলো করতে পারতো।’
আরও পড়ুনঃ ফুলসজ্জার রাতে হঠাৎ অসুস্থতা! বর্ষার তীক্ষ্ণ নজরে কি এবার ফাঁ’স হবে মিঠির গোপন রহস্য? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব!
এই স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে রজতাভ বোঝাতে চেয়েছেন, পরমব্রত তখন ছিলেন একেবারেই ‘অগোছালো’ এবং কিছুটা ‘বেপরোয়া’। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই পরমব্রতই নিজেকে আমূল বদলে ফেলেছেন। আজকের দিনে তিনি যখন নিজে পরিচালক হিসেবে কাজ করেন, তখন সময়ের মূল্য এবং ইউনিটের শৃঙ্খলা নিয়ে তিনি আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন।

