‘বাবা কতবার কাছে ডেকেছিল, ব্যস্ততার বাহানায় এড়িয়ে গিয়েছি, এখন আফসোস হয়…’ বাবার কথা মনে করে আবেগপ্রবণ রচনা ব্যানার্জি!

৯০ দশকের শুরুর দিকে বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির (Film Industry) জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের প্রথম সারির তালিকায় ছিল রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Rachana Banerjee) নাম। শুধুমাত্র বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতেই নয় পাশাপাশি ওড়িশা, তামিল ছবিতে অভিনয় করেছেন রচনা। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরেই অভিনয় জগতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

এরপর একটা সময় নিজেকে অভিনয় জগত থেকে সরিয়ে আনেন। তারপরেই দিদি নাম্বার ওয়ান এর মতো রিয়ালিটি শো এ যোগদান করেন। বর্তমানে অভিনেত্রীকে আমরা সেখানেই সঞ্চালিকা হিসেবে দেখতে পাচ্ছি বিগত ১০-১২ বছর ধরে। অভিনয় জগতের থেকেও দিদি নাম্বার ওয়ান এর মঞ্চে সঞ্চালিকা হওয়ার পর থেকে অভিনেত্রীর জনপ্রিয়তা যেন দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছে। বাংলার মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছেন রচনা ব্যানার্জি।

গতকাল দিদি নাম্বার ওয়ানের মঞ্চেই বাবার কথা মনে করে চোখে জল চলে এলো অভিনেত্রীর। ফাদার্স ডে উপলক্ষে ওই দিন দিদি নাম্বার ওয়ানের মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রীরা। প্রত্যেকেই নিজেদের বাবার সাথে উপস্থিত ছিলেন ঐদিন। আর সকলের মতনই রচনা ব্যানার্জিরও নিজের বাবার কথা বলতে গিয়ে চোখে জল চলে আসে।

একটা সময় আমরা প্রত্যেকেই কাজে পড়াশোনায় এতটাই ব্যস্ত হয়ে পড়ি যে বাড়িতে বাবা-মাদের সময় দেওয়ার সময়টুকু আমাদের থাকে না। আমরা অনেকেই সে সময়টা বাবা-মায়েদের এড়িয়ে যাই কাজের বাহানায়। তাদের সাথে দু’দণ্ড বসে কথা বলার সুযোগ টুকু পাইনি। কিন্তু পরে হয়তো সেই বিষয়টা নিয়ে আফসোস হয় আমাদের। রচনা ব্যানার্জিও সেরকম আফসোসে ভোগেন বর্তমানে।

আরও পড়ুনঃ টিআরপি রেটিং বাড়াতে চপ শিল্পই ভরসা! পরিণীতার নতুন প্রোমোয় উঠলো সমালোচনার ঝড়!

অভিনেত্রী জানান, ‘একটা সময় বাবা কতবার বলতো পাশে একটু বস দুটো কথা বল। কিন্তু তখন আমি কাজের বাহানায় বেরিয়ে চলে যেতাম। বলতাম এখন আমার অনেক কাজ আছে। পরে এসে কথা বলব। কিন্তু এখন বুঝতে পারি। তখন তো বাবা আমাকে কতবার ডেকেছিল আমি একটু বসে কথা পর্যন্ত বলিনি। সে সময়টা খুব মিস করি।’ বলতে বলতেই অভিনেত্রীর চোখে চলে আসে জল।

Back to top button