‘আমাকে কি ফ্লোর ছাড়তে হবে আজীবনের জন্য?’- তীব্র অসুস্থতায় ব্ল্যাকআউট জিতু কামাল! শ্যুটিংয়ে ফিরতেই নতুন বিপদ!

‘দ্য শো মাস্ট গো অন’—এই বিশ্বাসেই নিজেকে বারবার দাঁড় করান অভিনেতা জিতু কমল। সে যতই শরীর সাড়া না দিক, ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর শক্তি যেন অন্য জায়গা থেকে খুঁজে পান তিনি। ৫ই নভেম্বর এরাও মানুষ ছবির শ্যুটিং সেটে হঠাৎই বুকে ব্যথা, জ্বর এবং শ্বাসকষ্টে ভেঙে পড়েন জিতু। মুহূর্তে জ্ঞান হারিয়ে হাসপাতালে ভর্তি। কয়েক দিন পর্যবেক্ষণে থাকার পর রবিবার ছাড়া পান অভিনতা। কিন্তু অসুস্থতার আঁচ যে এখনও রয়ে গেছে, তা স্পষ্ট হয়ে গেল তাঁর সাম্প্রতিক পডকাস্টেই।

নিজের ইউটিউব চ্যানেলে খোলামেলা ভাবে জিতু জানান, তাঁর শ্বাসনালীতে ভয়ঙ্কর সংক্রমণ ধরা পড়েছে। ফুসফুসেও সমস্যা রয়েছে। ডাক্তারি পরামর্শ—ধুলো, ধোঁয়া, অতিরিক্ত পরিশ্রম থেকে দূরে থাকা। কিন্তু এ সবই তো তাঁর পেশার নিত্যসঙ্গী! তাই জিতুর সোজাসাপটা প্রশ্ন—“আমাকে কি তাহলে আজীবনের মতো ফ্লোর ছেড়ে দিতে হবে?” ডাক্তার অবশ্য তাঁকে আশ্বস্ত করেন—ফ্লোর তাঁর মন্দির, সেখানে ফিরতেই হবে, তবে চাই বাড়তি সতর্কতা ও নিজের প্রতি যত্ন।

অসুস্থতার সঙ্গে লড়াইয়ের মধ্যেও জিতুর বিরক্তি জমেছে অন্য জায়গায়। তিনি জানান, প্রকৃত শুভাকাঙ্ক্ষী আর ‘ফেক কনসার্ন’—দুটোর ফারাক এবার তিনি ভালোই বুঝেছেন। যাঁরা ভালো-মন্দ সময়ে পাশে ছিলেন না, তাঁরা হঠাৎ দেখভালের নামে নিজেদের গুরুত্ব ফলাতে চাইছেন—এসবই তাঁকে বিব্রত করেছে। নাম না করেই জিতুর সরস মন্তব্য, “অনেকে কিছুই করেন না, তবে অন্যের জীবনে গ্রহণযোগ্যতা হারিয়ে ফেলেন।”

আরও পড়ুনঃ রুদ্রর সঙ্গে হাত মিলিয়েছে অরণ্য! ফুলঝুরিকে নিয়ে পালানোর ফন্দি আঁটছে সে! ফুলকিকে সব জানিয়ে দিল ফুলঝুরি! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

সবশেষে অভিনেতা জানান, তাঁকে ফ্লোর থেকে সরাবার চেষ্টা অনেকেই করেছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছেন সবাই—কারণ দর্শকের ভালোবাসাই তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি। শরীর খারাপ আসবে, যাবে, কিন্তু কাজের জায়গায় জিতু আরও মনোযোগী হতে চান। ভক্তদের স্নেহকে সঙ্গী করে সামনে আরও শক্ত হয়ে এগোতেই এখন তাঁর লক্ষ্য।

Back to top button