২৩ বছরের বন্ধুত্বে আরও গভীরতা! জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ে একে অপরের পাশে জিৎ-প্রিয়াঙ্কা! বাঙালির নস্টালজিয়াকে উস্কে দিয়ে বড় পর্দায় ফিরছে এই জুটি?

২৩ বছরের বন্ধুত্ব— বললেই মনে হয় কত লম্বা সময়! কিন্তু প্রিয়াঙ্কা সরকারের কাছে এই সময়টা যেন চোখের পলকে পেরিয়ে গিয়েছে। তিনি বলছেন, যখন প্রথমবার জিতের সঙ্গে কাজ করেছিলেন, তখন বন্ধুত্ব গড়ে ওঠেনি। দু’জনেই কাজ নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। কিন্তু শুটিং শেষ হওয়ার পরে, প্রচারের সময় ধীরে ধীরে দু’জনের মধ্যে তৈরি হয় এক সুন্দর সম্পর্ক। সেখান থেকেই শুরু দৃঢ় বন্ধুত্বের যাত্রা, যা আজও একই রকম উষ্ণ।
প্রিয়াঙ্কা এখন বেঙ্গালুরুতে থাকেন। দূরত্ব থেকেও বন্ধুত্বে কোনও ফাঁক পড়েনি। জিৎ বহুবার তার নতুন শহরে গিয়ে দেখা করেছেন, এমনকি প্রিয়াঙ্কার স্বামীর সঙ্গেও তৈরি হয়েছে গভীর বন্ধুত্ব। ২০০২ থেকে এখন— দুই তারকার জীবনে বদলে গিয়েছে বহু কিছু। দু’জনেই আজ বাবা-মা। কিন্তু পরিবার, কাজ কিংবা সময়— কোনও কিছুই নষ্ট করতে পারেনি তাঁদের সম্পর্কের জোড়। বরং সময়ের সঙ্গে আরও শক্ত হয়েছে সেই বন্ধন।
দুর্গাপুজোর সময় প্রিয়াঙ্কা তাঁর পরিবারকে নিয়ে এসেছিলেন কলকাতায়। প্রায় ২০ জনকে নিয়ে গিয়েছিলেন জিৎ-এর নিমন্ত্রণে। অভিনেতা নিজের যৌথ পরিবারে সবাইকে যেভাবে আপ্যায়ন করেছিলেন, তা আজও প্রিয়াঙ্কার মনে গেঁথে আছে। তিনি বলছেন, জিৎ যেমন অভিনয়ে স্থির, তেমনই ব্যক্তিগত জীবনে একেবারে আদর্শ পরিবারমুখী মানুষ। আর সবচেয়ে বড় কথা, তিনি জানেন কীভাবে বন্ধুত্বকে ধরে রাখতে হয়।
আরও পড়ুনঃ ‘ বাচ্চা হয়ে যাচ্ছে এদিকে বাবা নেই!’- অভিনেত্রীর স্বামীকে ঘিরে কুরুচিকর মন্তব্য! ‘ও আমার সঙ্গী, আমার চাকর…’- মুখ খুললেন মানসী সেনগুপ্ত!
দু’জনের দেখা না হলেও যোগাযোগ কিন্তু অটুট। ফোনে নিয়মিত কথা হয়, গল্প হয়। মাঝেমধ্যেই প্রিয়াঙ্কা জিৎ-কে বেঙ্গালুরুতে আসার অনুরোধ করেন। এমনকি তিরুপতির মন্দিরেও একসঙ্গে পুজো দিয়েছেন তাঁরা। ভবিষ্যতে দুই পরিবারকে নিয়ে কোথাও ঘুরতে যাওয়ারও পরিকল্পনা রয়েছে। তাঁদের সন্তানরাও জিৎ-কে খুব পছন্দ করে।
জন্মদিনে প্রিয়াঙ্কার একটাই কামনা— তাঁর এই প্রিয় বন্ধুর যেন জীবন আরও সুন্দর হয়ে ওঠে। ঈশ্বর যেন জিৎ-এর সব ইচ্ছা পূরণ করেন। আর তাঁদের এই দীর্ঘ বন্ধুত্ব যেন আগামীতেও একই রকম উজ্জ্বল থেকে যায়।

