মুদির দোকানে বসে একদিকে বেচাকেনা অন্যদিকে পড়াশোনা? কতটা কষ্টে ছোটবেলা কেটেছে পরিণীতার ঈশানীর?

বাংলা ধারাবাহিক (Bengali Serial) জগতে অসংখ্য জনপ্রিয় ধারাবাহিক রয়েছে। জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা (Parineeta) ধারাবাহিকটি তার মধ্যে অন্যতম। দর্শকদের পছন্দের ধারাবাহিকগুলির মধ্যে অন্যতম হলো এই পরিণীতা ধারাবাহিকটি। অল্প সময়ের মধ্যেই দর্শকদের ভালোবাসা পেয়েছে ধারাবাহিকটি। যা টিআরপি তালিকায় স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে।

ধারাবাহিকের কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন নবাগতা অভিনেত্রী ঈশানী চ্যাটার্জী এবং অভিনেতা উদয় প্রতাপ সিং। এর আগেও উদয়কে বিভিন্ন ধারাবাহিকে পার্শ্ব চরিত্রে দেখতে পেয়েছি আমরা। তবে ঈশানীর এটা প্রথম ধারাবাহিক। ছোট থেকে অনেক কষ্ট করে স্ট্রাগলের মাধ্যমে বড় হয়েছি ঈশানী।

মডেলিং জগতে থেকেই ঈশানীর কর্মজীবন শুরু। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের হয়ে মডেলিং করেছে ঈশানী। বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে প্রথম দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে। সেখান থেকেই অভিনয় জগতে অভিনয় করার সুযোগ আসে ঈশানীর কাছে। আসলে অনে অভাব অনটনের মধ্যে দিয়ে বড় হয়েছে হয়েছে অভিনেত্রী। তার মায়ের ইচ্ছে ছিল সে বড় হয়ে ডাক্তার হবে, কিন্তু আর্থিক অভাবের কারণে মায়ের সেই স্বপ্ন পূরণ করতে পারেনি ঈশানী।

Zee Bangla, Bengali serial, Serial, Bengali television, Parineeta, Ishani Chatterjee, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, পরিণীতা, ঈশানি চ্যাটার্জী

ঈশানী এর আগেও বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে বলেছে তার বাবা-মা কত কষ্ট করে তাকে মানুষ করেছে। তারা এক কামরার ঘরে কিভাবে দিন কাটিয়েছে দিনের পর দিন। বাবা কন্টাকটারের কাজ করতো, মা সেলাইয়ের কাজ করতো। সেখান থেকেই যা রোজগার হতো ঈশানীর পড়াশোনার পেছনেই তারা খরচা করতো। কোনদিনও ঈশানীর পড়াশুনা নিয়ে তারা অবহেলা করেনি।

আরও পড়ুনঃ আসছে ‘জি বাংলা সোনার সংসার অ্যাওয়ার্ড ২০২৫!’ থাকছে বিরাট চমক! চোখ রাখুন শুধুমাত্র জি বাংলার পর্দায়!

সম্প্রতি দিদি নাম্বার ওয়ান এর মঞ্চে এসে নিজের জীবনের স্ট্রাগলের আরেকটা দিক তুলে ধরেছে ঈশানী। সেখানে এসে রচনা ব্যানার্জীর সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন তার ছোটবেলার কথা। ঈশানী বলে “ছোটবেলায় যখন পড়াশোনা করতাম তখন একটি স্টলে বসে পড়াশোনা করতাম। পরে সেই স্টলটা মুদির দোকানে পরিবর্তন করা হয়। সেই মুদির দোকানে আমি বসতাম, সেখানে জিনিসপত্র বিক্রি করতাম, পড়াশোনাও করতাম সমস্ত আমি দেখতাম। তারপর বাবা অনেক অসুস্থ হয়ে পড়ে বাবাকে নিয়ে ব্যাঙ্গালোরে যাওয়া হয়। কিন্তু যাওয়ার পথে বাবা মারা যান। আজ পাঁচ মাস হলো বাবা আমাদের মধ্যে নেই।”

Back to top button