সুদীপা ‘সৎ মা’কে মেনে নিতে পারেননি অগ্নিদেবের প্রথম পক্ষের সন্তান! কী ভাবে এগিয়ে চলেছে সম্পর্কের সমীকরণ?

স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের ইতি ঘটিয়ে প্রায় ১৩ বছর পর নতুন সম্পর্কে আসেন পরিচালক অগ্নিদেব চট্টোপাধ্যায় (Agnideb Chottopadhyay)। তাঁর জীবনে আসেন জি বাংলার (Zee Bangla) রান্নাঘর (Rannaghar) খ্যাত সুদীপা চট্টোপাধ্যায় (Sudipa Chottopadhyay)। অগ্নিদেবের ছেলে আকাশ চট্টোপাধ্যায় তখন পুচকে। বোর্ডিং স্কুলেই পড়াশোনা করত আকাশ। বাবার জীবনে ফের নতুন মানুষ মেনে নেওয়া কতটা সহজ ছিল আকাশের জন্য?

স্বামীর আগের পক্ষের সন্তানের সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে শুরুর দিনগুলোয় ফিরে দেখলেন অভিনেত্রী সুদীপা। প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, আকাশকে বড় ছেলের মতোই ভালোবাসেন তিনি। অকপটে স্বীকার করেন, “আকাশ যে আমার মনে কতটা জুড়ে তা বোঝাতে পারব না। সুন্দর সমতা বজায় রেখেছে নিজের মা আর আমার সঙ্গে। আকাশের মায়ের সঙ্গেও আমার এখন ভাল সম্পর্ক। কোভিডে ওর মা যখন গত হন তখন আমি গিয়েছিলাম। ওর সঙ্গে ছিলাম।”

Sudipa Agnideb

নিজের ছেলের মতোই জন্মদিনে আকাশকে পঞ্চব্যাঞ্জনরেঁধে খাওয়ান। বড় পার্টির আয়োজন করেন। আকাশের বন্ধুবান্ধবরাও আসেন। তাঁদেরও নিজের ছেলের মতো যত্নআত্তি করেন সুদীপা। ছেলেকে পর্যাপ্ত প্রাভেসিও দেন তিনি। বর্তমানে তাঁরা দুজনই ভাল বন্ধু।

অনেক কঠিন মুহূর্তে একে অপরের পাশে ছিলেন এবং আছেন সুদীপা ও আকাশ। তাঁদের মধ্যেকার সমীকরণটাই একেবারে আলাদা। খুনসুটি, বন্ধুত্বের পাশাপাশি ঝগড়াও করেন দু’জন। কিন্তু শুরু থেকেই সম্পর্কটা এমন ছিল না।

অভিনেত্রীর কথায়, “প্রথমে ও যখন হস্টেল থেকে আসত, বাবার জীবনে অন্য মহিলা বা বাবার বান্ধবী হিসাবে আমায় একেবারেই মেনে নিতে পারেনি। এক দিন আমিই আকাশকে বলি, তোমার মায়ের জায়গা আমি কখনও নেব না। কিন্তু আমরা ভাল বন্ধু তো হতে পারি। সে দিনই ও চমকে যায়। তবে আমার আর অগ্নিদেবের আইনি বিয়ের দিন আকাশ আসেনি। আমায় বলেছিল এ দিন মায়ের সঙ্গে থাকতে চায় সে। যাতে ওর মা ভুল না বোঝে। সত্যি বলছি আকাশের মতো ছেলে হয় না।”

আরও পড়ুনঃ নীলের সাথেই বিয়ে হচ্ছে মেঘের জেনে গেল ময়ূরী! রূপের চক্রান্ত থেকে বাঁচার উপায় বের করলো ঠাম্মি!

অপরদিকে, সুদীপার ছেলে আদিদেব এবং আকাশের সম্পর্ক বেশ ভাল। ছোট্ট আদি দাদার কথা ছাড়া কারোর কথা শুনতে চায় না। বাবার থেকেও বেশি কাছের দাদা। দুই সন্তান আদি ও আকাশকে নিয়ে দুই বেশ আনন্দেই রয়েছেন অগ্নিদেব এবং সুদীপা।

Back to top button