‘ছেলেকে স্তন্যপানে অভ্যস্ত করতে চাই না…’ সদ্যোজাত শিশুকে স্তন্যপান করাতে নারাজ মানসী! কিন্তু কেন? নিজের মুখেই কারণটা জানালেন অভিনেত্রী!

বর্তমানে সময়ের সাথে সাথে অনেককিছু পাল্টেছে, পাল্টেছে সময়, সমাজ, মানুষের চিন্তাধারা। ঠিক সেরকমই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতেও (Film industry) এখন বেশকিছু জিনিস পরিবর্তন হয়েছে। আগেকার দিনে ধারণা ছিল নায়িকারা মা হওয়ার পরেই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে তাদের গুরুত্ব কমে যেতো। নায়িকা চরিত্র গুলি থেকে বাদ পড়তে হত। তবে বর্তমানে সেই ধারণা একেবারেই বদলে গেছে। করিনা কাপুর (Kareena Kapoor), আলিয়া ভাট (Alia Bhatt), বাংলার শুভশ্রী (Subhashree Ganguly), কোয়েল মল্লিক (koel Mallick) সহ অনেক অভিনেত্রী সন্তান জন্ম দেওয়ার কয়েকমাস পরেই আবার কাজে ফিরেছেন।

কিন্তু এবারে তাদের সবাইকে ছাপিয়ে গেলেন টেলিভিশনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মানসী সেনগুপ্ত। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থার ৯ মাস পর্যন্ত ‘নিম ফুলের মধু’ সিরিয়ালে কাজ করেছেন। তারপর ধারাবাহিক শেষ হতে না হতেই সি-সেকশনের মাধ্যমে ২য় সন্তানের জন্ম দিয়েছেন মানসী। এদিকে মাতৃত্বের মাত্র ২০ দিনের মাথাতেই ফের কাজে ফিরেছেন তিনি।

মানসীর কথায়, তিনি নিজেকে কাজ থেকে ছুটি দিতে নারাজ। কারণ কাজই তাঁকে শান্তি দেয়। আর তাই সদ্যোজাত পুত্রকে নিয়ে দৌড়াচ্ছেন সেটে। কাজের ফাঁকেই খাওয়ানো, ঘুম পাড়ানো সবই চলছে। কিছুদিন আগেই ছেলের সাথে ফটোশুটে ধরা দিয়েছিলেন তিনি। মানসীর এত তাড়াতাড়ি কাজে ফেরার পর অনেকেই যেমন অভিনেত্রীকে সাহস দিয়েছেন, তার কাজের প্রতি সম্মান জানিয়েছে। আবার অনেকে কটাক্ষ করেছেন।

এক সাক্ষাৎকারে মানসী সেনগুপ্ত জানান, তাঁর সি সেকশন হওয়ার চার দিন পর তিনি ছেলেকে নিয়ে নিজেই হাসপাতাল থেকে গাড়ি চালিয়ে বাড়ি ফিরেছেন। কারণ গাড়ি চালানোটা তাঁর কাছে চাপমুক্তির মতো। আর এত তাড়াতাড়ি কাজে ফিরেছেন কারণ কাজই মানসীকে শান্তি খুঁজে দেয়। তবে অভিনেত্রী সাফ জানান, এটা কারও সঙ্গে কোনও পাল্লা বা প্রতিযোগিতা নয়, তিনি কাজ করছেন, কারণ, তাঁর কোনও শারীরিক অসুবিধা হচ্ছে না। ইতিমধ্যেই ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করে ১৫ কেজি ওজন কমিয়েও ফেলেছেন অভিনেত্রী। তবে অভিনেত্রী এও জানিয়েছেন যে তিনি সবটা করছেন চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে।

আরও পড়ুনঃ শিরিনের জন্য পারুলের গায়ে হাত তুলল রায়ান! বসু বাড়িতেই লুকিয়ে তুর্যর দাদুর খু’নি! ফাঁ’স আজকের পর্ব

এসবের পাশাপাশি ছেলেকে স্তন্যপানে অভ্যস্ত করাতে নারাজ মানসী। তাঁর কথায়, ‘আমি ছেলেকে স্তন্যপানে অভ্যস্ত করাচ্ছি না। কারণ এটা অভ্যেস করালে ও সেটা ছাড়া থাকতে পারবে না। এদিকে মায়ের দুধও দরকার সন্তানের। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে দুগ্ধ নিষ্কাশন করে রাখি। তারপর আমি অথবা আমার পরিবারের অন্য কেউ সেটা ছেলেকে খাইয়ে দেয়। কারণ মাস কয়েক পরে এই অভ্যেস থাকলে আমি কাজে বেরোতে চাইলে আমাকে ছাড়তে চাইবে না। আমাকে সব দিক দেখতে হবে।’

Back to top button