‘ওদের সবটা ভুল প্রমাণিত হল, এবার যান ওদের গিয়ে জিজ্ঞেস করুন!’ ‘প্রমাণ তো দিলাম, এর থেকে…’ ২০ সাংসদের স্বাক্ষর ঘিরে জোর চর্চা! নাম রয়েছে দেবের! লিখিত প্রমাণ সহ ম্যাজিক ফিগার নিয়ে প্রকাশ্যে শতাব্দী রায়!

বিধানসভা নির্বাচনে বড় ধাক্কার পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে অস্থিরতার খবর সামনে আসছে। দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করে একাংশ সাংসদ ও নেতার পৃথক অবস্থান নেওয়ার জল্পনা ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে বিদ্রোহী শিবিরকে ঘিরে নতুন একটি চিঠি প্রকাশ্যে আসায় ফের চর্চা তুঙ্গে উঠেছে।
প্রকাশ্যে আসা ওই নথিতে একাধিক সাংসদের স্বাক্ষর দেখা গিয়েছে। তালিকায় রয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, বাপি হালদার, ডা. শর্মিলা সরকার, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, জগদীশ বর্মা বসুনিয়া, অসিত কুমার মাল, অরূপ চক্রবর্তী, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়নী ঘোষ, খলিলুর রহমান, আবু তাহের খান, ইউসুফ পাঠান, মিতালি বাগ, মালা রায়, কালিপদ সোরেন, দীপক অধিকারী (দেব), জুন মালিয়া এবং পার্থ ভৌমিক। স্বাক্ষরিত এই তালিকা ঘিরেই শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক জল্পনা।
এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বিদ্রোহী শিবিরের অন্যতম মুখ এবং ডেপুটি লিডার শতাব্দী রায় জানান, তাঁরা আগে থেকেই নিজেদের শক্তির কথা বলছিলেন। তাঁর দাবি, এতদিন যাঁরা এই বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছিলেন, তাঁদের জন্যই এই স্বাক্ষরই যথেষ্ট প্রমাণ। একইসঙ্গে তিনি বলেন, কিছু নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্তের জন্য তাঁরা এখনও অপেক্ষা করছেন।
শতাব্দী আরও জানান, লোকসভার স্পিকার দিল্লিতে না থাকায় কিছু প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা যায়নি। স্পিকার ফিরে এলে পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, সময় এলেই সমস্ত বিষয় প্রকাশ্যে আসবে এবং তখন অনেক প্রশ্নের উত্তর মিলবে।

আরও পড়ুনঃ দেবলীনা আমাকে চড় মেরেছে!’ ‘ওকে নাকি আমার অন্তর্বাস…সব মিথ্যে, আমার কাছে প্রমাণ আছে!’ ‘আপনারা জানেন? ওর মা…’ ছয় মাস পর নীরবতা ভঙ্গ! প্রমাণসহ দেবলিনার বিরুদ্ধে মুখ খুললেন প্রবাহ!
অন্যদিকে বিদ্রোহী সাংসদদের ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, মোট ১৯ জন সাংসদ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে আলাদা ব্লক গঠনের আবেদন জানিয়ে চিঠি জমা দিয়েছেন। যদিও প্রকাশ্যে আসা স্বাক্ষরযুক্ত পাতাগুলি সেই চিঠির অংশ কিনা, তা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল এবং জল্পনা দুটোই বাড়ছে।

