থমকে গেলো রাই অনির্বাণের বিয়ে! সৌর্যের সামনেই ঘুমের ওষুধ খেয়ে নিজেকে শেষ করে দিলো নিলু!

কিছু কিছু মানুষ আছে যারা নিজের করা ভুলের দায় অন্য কারুর ওপর চাপিয়ে দিয়ে নিজে দায় মুক্ত থাকতে এবং কারণে-অকারণে অপরকে দোষারোপ করতে বেশি ভালবাসে। আর ঠিক সেই রকমই একজন মানুষ হলো জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (MithiJhora) ধারাবাহিকের নায়িকা রাইয়ের মেজো বোন নীলাঞ্জনা। নিজের জীবনটাকে নিজের হাতে শেষ করে দিয়েছে সে আর তার সমস্ত দায় সে চাপিয়ে দিয়েছে ধারাবাহিকের নায়িকা রাইয়ের কাঁধে। বর্তমানে একেবারে জমে উঠেছে এই ধারাবাহিকের প্রত্যেকটি পর্ব।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, অনেক কষ্ট করে অবশেষে রাই এবং অনির্বাণ একে অপরকে নিজেদের মনের কথাটা জানাতে পেরেছে। তাদের বিয়ে ঠিক হয়ে গিয়েছে শুধু তাই নয়, তাদের বিয়ে শুরুও হয়ে গিয়েছে। প্রথম থেকেই এই বিয়েতে সম্মতি জানিয়েছে সৌর্য। যদিও তার সম্মতিতে কিছু আসে যায় না তবুও সৌর্য মেনে নেওয়ায় রাই অনেকটা ভারমুক্ত হয়েছে। তবে এই বিয়েটাকে এত সহজে সম্পন্ন হতে দেবে না নিলু। এমন একটা শুভ দিনে এক বিরাট বড় অঘটন ঘটিয়ে বসলো সে।

মিঠিঝোড়া আজকের পর্ব ২ জুলাই (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 2 July)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সকাল থেকে অনির্বাণ ভীষণ ব্যস্ত। খুব তাড়াতাড়ি গায়ে হলুদের পর্ব শেষ করে সে। তারপর নিজের বিয়ের সমস্ত দায়িত্ব নিজেকেই সামলাতে হচ্ছে তাকে। তার মা সোহিনী এই বিয়েতে মোটেই রাজি নন। তিনি বারবার তার কথা বার্তার মধ্যে দিয়ে এটা স্পষ্ট করে দিচ্ছে অনির্বাণের কাছে। যদিও অনির্বাণ তাতে বিশেষ কর্ণপাত করছে না কারণ সে যেটা ঠিক করেছে সে সেটাই করবে। অনির্বাণ তার মাকে জানিয়ে দেয়, রাই তার হবু স্ত্রী। তাই তার স্ত্রীয়ের অসম্মান মানে তারও অসম্মান। আর সেই জন্য তার মা যেন আর এইরকম কথা না বলে।

আরো পড়ুন: ডিভোর্স জল্পনা উড়িয়ে স্ত্রী মধুরিমাকে নিয়ে দেশ ছাড়লেন অনির্বাণ! কোথায় চললেন দম্পতি?

এরপর বিয়ের বাড়িতে চলে আসে সৌর্য। সে অনির্বাণকে বলে, গায়ে হলুদের তত্ত্ব নিয়ে সেও যাবে রাইয়ের বাড়িতে। সুচিস্মিতা তার ছেলেকে এত বাড়াবাড়ি করতে বারণ করে। কিন্তু সৌর্য কোনো কথা শুনতে নারাজ। গায়ে হলুদের তত্ত্ব নিয়ে তারা যখন রাইয়ের বাড়িতে পৌঁছয়, সৌর্যকে দেখে ভীষণ খুশি হয়নি নিলু। কিন্তু সৌর্য নিলুকে কোনভাবেই পাত্তা দেয় না। নিলু তার সাথে কথা বলার চেষ্টা করলে সৌর্য জানিয়ে দেয়, সে ভুলে যায়নি যে নিলু ঠিক কিভাবে তাকে ঠকিয়েছে। তাই সে আর কোন সম্পর্ক ঠিক করে নেবে না। সবার সামনেই এটা স্পষ্টভাবে সবাইকে জানায় সৌর্য।

নিলুকে মেনে নেবে না সৌর্য

অর্থাৎ রাই বলুক বা অন্য কেউ সৌর্য আর কোনদিনও নীলাঞ্জনাকে নিজের জীবনে ফিরিয়ে নেবে না। নিলু আবারো সবার সামনে রাইকেই এই জন্য দোষারোপ করে, এমন একটা শুভ দিনে তাকে যা নয় তাই কথা শোনায়। আর তারপর কোনো অনুষ্ঠানে না থেকে সে সোজা ঘরে চলে যায়। এদিকে শুরু হয়ে গিয়েছে রাইয়ের গায়ে হলুদ। নিলুকে দেখতে না পেয়ে খুব খারাপ লাগে রাইয়ের। নিলু ঘুমের ওষুধ হাতে নিয়ে ভাবতে থাকে, আর কোনভাবেই এই অপমান সে সহ্য করে বেঁচে থাকতে পারবে না। সে এবার নিজেকে শেষ করে দেবে।

Back to top button