যেমন কর্ম তেমন ফল! ইন্দুকে বেল্ট দিয়ে মারতে গিয়ে ফেঁসে গেল রক্তিম! মধুর জীবন বাঁচাতে রক্তিমের মুখোমুখি অদ্বিতীয়া! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) তারে ধরি ধরি মনে করি (Tare Dhori Dhori Mone Kori) ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, বোনকে রক্ষা করার জন্য গোরা যখন দিতি কৃতজ্ঞতা জানায়, তখন দিতি স্পষ্ট করে দেয় যে সে গোরার কাছে কৃতজ্ঞতা নয়, বরং ভালোবাসা প্রত্যাশা করে। অন্যদিকে, পুলস্ত্য এক সাধুর কাছ থেকে জানতে পারে যে গোরা দিতিকে ভালোবাসার আগেই যদি সে দিতিকে সরিয়ে আনতে না পারে, তবে এই জন্মেও তার পরাজয় নিশ্চিত। এই ভবিষ্যৎবাণী পুলস্ত্যের মনে গভীর শঙ্কার সৃষ্টি করে।

রক্তিম তার স্ত্রী ইন্দু এবং নিজের বাবার সাথে ক্রমাগত খারাপ ব্যবহার করতে থাকে। গোরার কথায় অনুপ্রাণিত হয়ে রক্তিমের বাবা নিজের ভুল বুঝতে পারেন এবং পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে তার সমস্ত সম্পত্তি গরিবদের মাঝে বিলিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এই খবর শুনে রক্তিম উন্মত্ত হয়ে সেখানে পৌঁছায় এবং যখন তার বাবা এক গরিব মহিলার মেয়ের বিয়ের জন্য তিন লক্ষ টাকা দিতে রাজি হন, তখন রক্তিম হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে তার বাবার ওপর চড়াও হয়।

তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে রাগের মাথায় রক্তিম তার বৃদ্ধ বাবাকে ধাক্কা মেরে সরিয়ে দেয়। বাবার ওপর এই অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে অদ্বিতীয়া এগিয়ে এসে রক্তিমকে সজোরে থাপ্পড় মারে। চরম অপমানে রক্তিম অদ্বিতীয়ার দিকে পিস্তল তাক করে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দিলেও অদ্বিতীয়া ভয় না পেয়ে উল্টো তাকে গুলি চালানোর চ্যালেঞ্জ জানায়। অদ্বিতীয়ার এই অসীম সাহসিকতা দেখে রক্তিম স্তম্ভিত ও থতমত খেয়ে যায়।

ঘটনার মোড় ঘোরে যখন মহাপ্রভুর অলৌকিক কৃপায় দিতি রক্ষা পায়। তবে রক্তিমের হিংস্রতা থামে না; পরের দিন ইন্দু তার গায়ে হাত তোলায় সে প্রচণ্ড ক্ষিপ্ত হয়ে বেল্ট দিয়ে তাকে মারতে উদ্যত হয়। ঠিক সেই সংকটময় মুহূর্তে অদ্বিতীয়া রক্তিমকে ভিডিও কল দিয়ে পরিস্থিতি নিজের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করে।

আরও পড়ুনঃ ‘পারুলের দিকে তাকালে চোখ উ’পড়ে নেব!’ ঋককে মাটিতে ফেলে মা’রধর! রণমূর্তি ধারণ করল রায়ান! নায়কের হুঁশিয়ারি শুনে অবাক বসু পরিবার!

ভিডিও কলে অদ্বিতীয়া রক্তিমকে একটি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়। সে দেখায় যে অচিন্ত্য রক্তিমের অত্যন্ত প্রিয় মানুষ মধুর গলায় ছুরি ধরে রেখেছে। অদ্বিতীয়া পরিষ্কার জানিয়ে দেয়, রক্তিম যদি ইন্দুকে আঘাত করে, তবে মধুর অবস্থাও শোচনীয় হবে। প্রিয়জনের জীবনের ঝুঁকি দেখে রক্তিম অগ্নীশর্মা হয়ে উঠলেও অদ্বিতীয়ার এই পাল্টা চালে সে শেষ পর্যন্ত কোণঠাসা হয়ে পড়ে।

Back to top button