কাব্যের রহস্য হয়ে উঠল জলজ্যান্ত বাস্তব! মুরারির আসল পরিচয় কি পাল্টে দেবে দিতির জীবন? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) তারে ধরি ধরি মনে করি (Tare Dhori Dhori Mone Kori) ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, অনুষ্ঠানের দিন সুযোগ বুঝে পুলস্ত্য গোপনে দিতির চায়ের কাপে একটি ক্ষতিকারক ওষুধ মিশিয়ে দেয়। দিতি সেটা বুঝতে না পেরে চা পান করে এবং অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে গান গাইতে স্টেজে ওঠে। কিন্তু গান শুরু করতেই সে বিপদে পড়ে; ওষুধের প্রভাবে তার গলা অবশ হয়ে আসে এবং প্রচণ্ড ব্যথায় কণ্ঠস্বর রুদ্ধ হয়ে যায়। মঞ্চের আড়ালে দাঁড়িয়ে পুলস্ত্য নিজের পরিকল্পনার এই সাফল্য দেখে অত্যন্ত তৃপ্তি অনুভব করতে থাকে।
অসহায় দিতি যখন যন্ত্রণায় গান গাইতে পারছিল না, তখন সে গোরাকে নিজের সমস্যার কথা জানায়। ঠিক সেই মুহূর্তে সে দেয়ালে ‘ফুল মুরারি’ কাব্যের একটি লাইন দেখতে পায়। চোখের সামনে তার ভেসে ওঠে ফুল নামের সেই চরিত্রের জীবনসংগ্রামের দৃশ্য, যা হুবহু তার বর্তমান পরিস্থিতির সাথে মিলে যাচ্ছিল। দিতি দেখতে পায়, ফুলও একসময় গান গাইতে না পেরে অলৌকিক উপায়ে মুক্তি পেয়েছিল।
স্মৃতিতে দেখা সেই দৃশ্য অনুসরণ করে দিতি সিদ্ধান্ত নেয় সেও ফুলের মতো চেষ্টা করবে। সে ভক্তিভরে ঠাকুরের পায়ের ফুল, তুলসী পাতা এবং গঙ্গার জল পান করে। এরপর এক অলৌকিক কাণ্ড ঘটে; মুহূর্তের মধ্যেই তার গলার ব্যথা গায়েব হয়ে যায় এবং কণ্ঠস্বর আগের চেয়েও সতেজ হয়ে ওঠে। দিতির এই আকস্মিক পরিবর্তনে সবাই অবাক হয়ে যায়।
দিতি যখন পুনরায় গান শুরু করে, তার অপূর্ব সুরের মূর্ছনা সবার মন জয় করে নেয়। পুলস্ত্য তো নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিল না; তার দেওয়া কড়া ওষুধের প্রভাব কীভাবে এত দ্রুত কেটে গেল, তা ভেবে সে হতবাক হয়ে যায়। অনুষ্ঠান শেষে দিতি পুরো ষড়যন্ত্রের কথা গোরাকে জানায়, যা শুনে গোরাও স্তম্ভিত হয়ে পড়ে।
আরও পড়ুনঃ ‘ আমায় মে’রে লাঠি বেঁকিয়ে দিয়েছে, নাতি মাথায় ঘু’ষি মে’রে…আমি আর পারছি না!’ ছেলে-বৌমার অ’ত্যাচারে অতিষ্ট ৭৫ বছরের বৃদ্ধ অভিনেতা! মুখ খুললেন শঙ্কর ঘোষাল!
এই ঘটনার পর দিতি নিশ্চিত হয় যে, ‘ফুল মুরারি’ কাব্যটি আসলে তার আর গোরার জীবনেরই প্রতিচ্ছবি। সত্যের সন্ধানে সে গোরাকে নিয়ে একটি নদীর ধারের গ্রামে পৌঁছায়। সেখানে গিয়ে তারা এক নতুন রহস্যের সম্মুখীন হয় এবং জানতে পারে যে, যে মুরারিকে তারা খুঁজছে সে আসলে ওই অঞ্চলের এক কুখ্যাত ডাকাত ছিল।

