মহাপ্রভুর ভোগ প্রসাদ খেয়েই নীল হয়ে গেল গলা! ঘোর সংকটে হাজার হাজার ভক্তের জীবন! দিতি কি পারবেন এই মহাবিপদ রুখতে? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) তারে ধরি ধরি মনে করি (Tare Dhori Dhori Mone Kori) ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, সকালে দিতি আর গোরার ঘুম ভাঙতে অনেক দেরি হয়ে যায়। ঘুম থেকে উঠে দিতি খুব অবাক হয়, কারণ তার এত বেলা পর্যন্ত ঘুমানোর কথা নয়। নিজের ঘরে গিয়ে সে দেখে আলমারি খোলা এবং সেখান থেকে সেই বিশেষ কাব্যগ্রন্থটি গায়েব হয়ে গেছে। দিতির সন্দেহ হয় যে এটা নিশ্চিত পুলস্ত্যের কাজ। সে সরাসরি গিয়ে পুলস্ত্যকে ধরলে সে চুরির কথা স্বীকার করে নেয় এবং জানায় যে সে বইটা পুরোটা পড়ে ফেলেছে।
পুলস্ত্য দম্ভ করে বলে যে, দিতি আর গোরা যদি আগের জন্মের ‘ফুল’ আর ‘মুরারি’ হয়, তবে সে নিজে ছিল সেই জন্মের ‘অক্ষয়’। আগের জন্মেও সে তাদের জীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছিল এবং এই জন্মেও সে তাদের পিছু ছাড়বে না। পুরনো হারের প্রতিশোধ নিতে সে মরিয়া হয়ে ওঠে। দিতি এই সব কথা গোরাকে জানালে, গোরা খুব রেগে যায় এবং পুলস্ত্যকে কড়া ভাষায় সাবধান করে দেয়। শুরু হয় এক নতুন লড়াইয়ের প্রস্তুতি।
এদিকে দিতি গোরার মন পাওয়ার জন্য তার পছন্দের রান্নাবান্না শুরু করে। গোরা দিতির হাত থেকে বাঁচার জন্য মনে মনে মহাপ্রভুকে ডাকতে থাকে। ঠিক তখনই খোকনের লোকজন এসে জানায় যে, গোরার ছোঁয়ায় খোকন ভালো হয়ে গিয়েছে। তাই খুশিতে তারা কাঙাল ভোজন করাতে চায় এবং সেখানে গোরাকে ডাকছে। গোরা আর দিতি এই সুযোগে সেখানে যাওয়ার প্রস্তুতি নেয়, কিন্তু যাওয়ার আগে তারা পুলস্ত্যকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে যায় যাতে সে দিতির কোনো ক্ষতি না করে।
অন্যদিকে, এক গুরুদেবের কথামতো পুলস্ত্য তাদের বাড়িতেই ‘ফুল-মুরারি’ কাব্যের দ্বিতীয় খণ্ডটি খুঁজতে শুরু করে। গুরুদেবের কথা সত্যি প্রমাণ করে নিজের ঘরের কোণেই সে বইটির দ্বিতীয় অংশ খুঁজে পায়। সেই বাকি গল্প পড়ে পুলস্ত্য জানতে পারে আসলে আগের জন্মে তাদের সাথে ঠিক কী কী ঘটেছিল। সব সত্যি এখন পুলস্ত্যের কাছে পরিষ্কার হয়ে যায়।
আরও পড়ুনঃ প্রিয়াঙ্কা-সহজকে আগলে রেখে চিরবিদায় রাহুলের! ৩৫ বছর বয়সেই বৈধব্যের য’ন্ত্রণা! ছোট্ট ছেলেকে নিয়ে ভালো থাকার লড়াইয়ে শামিল প্রিয়াঙ্কা!
শেষে এক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি তৈরি হয়। মহাপ্রভুর জন্য বানানো ভোগ খেয়ে একজনের অবস্থা খুব খারাপ হয়ে যায়, তার গলা নীল হয়ে আসে। অথচ সেই প্রসাদ তো সব ভক্তরা খাবে। দিতি এই দেখে খুব ভয় পেয়ে যায়। এখন কীভাবে সে সবাইকে এই বিপদ থেকে বাঁচাবে, সেই চিন্তায় দিতি অস্থির হয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামলানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।

