শাশুড়ির কাছে টাকার খোটা খেয়ে বিরাট পদক্ষেপ দিতির! চাকরির সিদ্ধান্তই হলো কাল! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জমে উঠেছে জি বাংলার (Zee Bangla) তারে ধরি ধরি মনে করি (Tare Dhori Dhori Mone kori) গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, পরিবারের থমথমে পরিবেশ হালকা করতে নিজে হাতে চিড়ের পোলাও রাঁধতে গিয়েছিল দিতি। কিন্তু এই সহজ সাধারণ ইচ্ছাটাই যে তার জীবনের শেষ দিন হতে পারত, তা সে ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি। কুন্তলা তার পথের কাঁটা সরিয়ে দিতে রান্নাঘরের গ্যাসের নল খুলে মৃ’ত্যুফাঁদ পেতে রাখে। গোটা ঘরে গ্যাস ছড়িয়ে পড়লে কুন্তলা বাইরে অপেক্ষা করছিল একটি দেশলাই কাঠি জ্বলার যা নিমেষেই দিতিকে শেষ করে দিত।
দাদুর মন বলছিল কোনো অঘটন ঘটতে চলেছে। তাঁরই নির্দেশে গোরা যখন রান্নাঘরের দিকে ছুটে যায়, তখন হিতে বিপরীত হওয়ার ভয়ে কুন্তলা নাটকীয়ভাবে ভোল পাল্টে ফেলে। গোরার যাতে কোনো ক্ষতি না হয়, সেই স্বার্থপর প্রেম থেকেই সে নিজেকে ত্রাতা হিসেবে তুলে ধরে। গোরার কাছে সে এমনভাবে পরিস্থিতি সাজায় যেন সেই প্রথম গ্যাসের গন্ধ পেয়ে তাদের জীবন বাঁচালো। দিতি আসল সত্যিটা বুঝলেও গোরা কুন্তলাকে বিশ্বাস করে।
চিড়ের পোলাও রান্না না হওয়ায় বাড়িতে দিতি ও গোরার মায়ের মধ্যে এক চরম তিক্ততার সৃষ্টি হয়। গোরার মা যখন বারবার অপছন্দের খাবার খেতে চাপ দিচ্ছিলেন, তখন দিতি সোজাসুজি জানিয়ে দেয় সে বাইরে থেকে খেয়ে নেবে। কিন্তু বাদ সাধে টাকা, স্বামীর কাছে হাত পাতার জন্য দিতি যে ভাষায় আর্থিক খোঁটা ও কটু কথা শুনল, তা তার আত্মসম্মানে বড় আঘাত লাগে।
সবাই ভাবত বাড়ির শান্ত লক্ষ্মী বউ হয়ে থাকলেই বুঝি আদর্শ হওয়া যায়, কিন্তু দিতির এই প্রতিবাদী রূপ বাড়ির বড়দের সহ্য হয়নি। বিশেষ করে গোরার মা যখন তাকে টাকার খোটা দেন, দিতি সিদ্ধান্ত নেয় সে আর পরনির্ভরশীল হয়ে থাকবে না। বাড়ির অমত সত্ত্বেও দিতি স্থির করে সে চাকরি করবে। সে স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, নিজের যোগ্যতায় টাকা উপার্জন করবে, আর কারো কাছে হাত পাতবে না। যদিও বাড়ির বউ চাকরি করবে এই ধারণা গোরার দাদু বা অন্যরা মেনে নিতে পারেননি। গোরার কাকিমা অবশ্য বুঝতে পারছেন, দিতি আসলে তার প্রাপ্য সম্মানের জন্য লড়ছে।
আরও পড়ুনঃ ‘হ্যাঁ নাকের মধ্যেই ঢুকিয়ে দে…ক্যামেরার পিছনে না হোক, সামনে অনেক চ’ড় থা’প্পড় ঘু’ষি মেরেছি!’ কোয়েল-যীশুর সেই টক ঝাল মিষ্টি খুনসুঁটি! আর কি কখনও বড় পর্দায় ফিরবে এই মিষ্টি জুটি?
দিতি যখন ল্যাপটপে চাকরির আবেদন করতে ব্যস্ত, তখন গোরা তার নিরাপত্তার খাতিরে দরজায় এক লক্ষণ রেখা টেনে দেয়। তার ভয়, বাড়ির বাইরে পা রাখলেই দিতির প্রাণ সংশয় হতে পারে। ওদিকে সব খবর পুলস্ত্যকে জানায় কুন্তলা। কুন্তলার কথায় দিতির বোন চাকরির এক ভুয়া ইন্টারভিউয়ের টোপ দেয় দিতিকে। আর দিতিও একবারে কুন্তলাকে বিশ্বাস করে তার থেকে সাহায্য চায়। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি হয়।

