বোনের জন্য প্রাণের ঝুঁকি! বন্দুকের সামনে দাঁড়িয়ে গোরা! দিতি কি পারবে স্বামীর প্রাণ রক্ষা করতে? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) তারে ধরি ধরি মনে করি (Tare Dhori Dhori Mone Kori) ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, রক্তিম জেলে যাওয়ার প্রতিশোধ নিতে তার বাবা এক ভয়ঙ্কর চাল চালেন। তারা গোরার মানসিকভাবে অসুস্থ বোন ইন্দুকে জোর করে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়। এরপর জেল থেকে গোরাকে ফোন করে হুমকি দেওয়া হয় যে, যদি সে তার বোনকে ফিরে পেতে চায়, তবে বিশাখাকে আদালতে গিয়ে মিথ্যে বলতে হবে। বিশাখাকে বলতে হবে যে রক্তিম তার সাথে কোনো খারাপ ব্যবহার করেনি। মূলত নিজের ছেলেকে বাঁচাতে রক্তিমের বাবা এক অসহায় মেয়েকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করেন।
মেয়ের এই বিপদের কথা শুনে ইন্দুর মা কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং একসময় অজ্ঞান হয়ে যান। বাড়িতে এক চরম অশান্তির সৃষ্টি হয়। রাগের মাথায় গোরার মা দিতিকে দোষারোপ করেন এবং সাফ জানিয়ে দেন যে, ইন্দুকে ফিরিয়ে আনতে না পারলে দিতিকে এই বাড়িতে থাকতে দেওয়া হবে না। মায়ের এই কান্না আর দিদির ওপর ওঠা অপবাদ দেখে গোরা স্থির থাকতে পারে না। সে দায়িত্ব নেয় এবং শপথ করে যে, যেভাবেই হোক সে তার বোন ইন্দুকে উদ্ধার করে ঘরে ফিরিয়ে আনবে।
রক্তিম এবং তার বাবা অত্যন্ত খারাপ মানুষ হলেও, তাদের পরিবারের বাকি সদস্যরা অর্থাৎ রক্তিমের মা, দিদি ও বোন মোটেও তাদের মতো নন। তারা মনে মনে রক্তিমদের এই অন্যায় সমর্থন করতে পারছিলেন না, কিন্তু ভয়ে চুপ করে থাকতেন। তবে এবার রক্তিমের বোন সাহস করে আড়ালে গিয়ে অচিন্ত্যকে খবর দেয় যে, ইন্দুকে তাদের বাড়িতেই লুকিয়ে রাখা হয়েছে। এই খবর পেয়ে গোরা এবং দিতি স্থির করে যে তারা গ্রামের সবাইকে সাথে নিয়ে সেখানে যাবে।
গোরা এবং দিতি গ্রামের মানুষদের বুঝিয়ে একজোট করে। অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গ্রামের সাধারণ মানুষও তাদের সাথে যোগ দেয়। সবাই মিলে দল বেঁধে রক্তিমদের বাড়িতে চড়াও হয়। গ্রামের মানুষের এই বিশাল শক্তি দেখে রক্তিমের বাবা কিছুটা পিছু হটতে বাধ্য হন এবং গ্রামবাসীরা মিলে ঘর থেকে ইন্দুকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। সবাই যখন ইন্দুকে নিয়ে খুশি মনে বাড়ির দিকে রওনা হতে যাবে, তখনই পরিস্থিতি আবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
আরও পড়ুনঃ জা’লিয়াতির কাগজ পু’ড়িয়ে ছাই! গ্রামের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে শিরিনকে উচিত শিক্ষা দিল রায়ানের “ফিনিক্স পাখি”! পারুলের নতুন লক্ষ্য এখন ভিলেজ লাইফ! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব
রক্তিমের বাবা এত সহজে পরাজয় মেনে নেওয়ার মানুষ ছিলেন না। সে তার ছেলেকে জেল থেকে ছাড়াতে মরিয়া হয়ে ওঠে। ঠিক যখন গোরা ইন্দুকে নিয়ে ফিরছিল, তখন রক্তিমের বাবা গোরার দিকে বন্দুক তাক করে পথ আটকায়। সে চিৎকার করে বলে যে, সে কিছুতেই ইন্দুকে নিয়ে যেতে দেবে না এবং নিজের ছেলেকে জেল খাটতে দেবে না। একপাশে অসুস্থ বোন আর অন্যদিকে তাক করা বন্দুক গোরার সামনে তখন এক চরম বিপদের মুহূর্ত তৈরি হয়।

