মহাপ্রভুর ভোগ রান্না করে চমকে দিল দিতি! তাকে জব্দ করতে এবার নতুন ফন্দি আঁটল গোরার মা! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জমে উঠেছে জি বাংলার (Zee Bangla) তারে ধরি ধরি মনে করি (Tare Dhori Dhori Mone kori) ধারাবাহিকটি। দিতি যখন ভালোবেসে গোরাকে ফুল দিয়ে নিজের মনের কথা জানায়, তখন গোরা তাকে এড়িয়ে চলে। আসলে গোরা তার মৃত স্ত্রী রূপকে এতটাই ভালোবাসে যে অন্য কাউকে সে ভাবতেই পারে না। কিন্তু দিতিকে বিপদমুক্ত রাখতে সে মিথ্যে নাটক করে বলে, “আমি আগের রূপকে ভালোবাসতাম, তোমার এই বদলে যাওয়া রূপ আমার পছন্দ নয়।” গোরার এই কথা শুনে দিতি জেদ ধরে যে সে নিজেকে রূপের মতোই আধ্যাত্মিক করে তুলবে। তাই সে সারারাত জেগে পদ বা ভক্তিগীতি লেখার চেষ্টা করে, কারণ রূপ এসব করতে খুব ভালোবাসত।
অন্যদিকে, রাতে ঘুমানোর সময় পুলস্ত্য এক ভয়ংকর স্বপ্ন দেখে। সে দেখে যে তার টেবিলে রাখা ‘ফুলমুরারি কাব্য’ নামের পুরোনো বইটি। সেটা নিতে গেলে রাজকীয় পোশাক পরা গোরা এসে তার গলা চিপে ধরছে। পুলস্ত্য আয়নায় নিজেকেও সেই একই রাজকীয় পোশাকে দেখতে পায়। ভয়ে ঘুম ভেঙে গেলে সে বুঝতে পারে না এমন স্বপ্ন কেন দেখল। সে তখনই কুন্তলিকে ফোন করে বলে যে কোনোভাবেই হোক তার ওই বইটা চাই। কুন্তলি রাজি না হওয়ায় পুলস্ত্য তাকে বলে শুধু বাড়িতে ঢোকার ব্যবস্থা করে দিতে, বাকিটা সে নিজে দেখে নেবে।
পরদিন সকাল হতেই দিতি পুজোর কাজে কোমর বেঁধে নেমে পড়ে। বাড়ির ছোটরা তাকে সাহায্য করলেও বড়রা কেউ এগিয়ে আসে না। বিশেষ করে গোরার মা স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, দিতি যখন সব দায়িত্ব একা নিয়েছে, তখন তাকেই সব করতে হবে। তিনি আসলে জানতেন না যে দিতি রূপ সেজে এই বাড়িতে আছে। দিতি দমে না গিয়ে একাই সব কাজ সামলাতে শুরু করে।
সবচেয়ে বড় সমস্যা দেখা দেয় মহাপ্রভুর ৫৬ রকমের ভোগ রান্না নিয়ে। বাড়ির বড়দের অভিজ্ঞতা ছাড়া এই রান্নার আসল স্বাদ আনা প্রায় অসম্ভব ছিল। গোরার মা সাহায্য না করায় দিতি বড় বিপদে পড়ে। কিন্তু দিতি হার মানার পাত্রী নয়। সে নিজের চেষ্টায় এবং বাড়ির ছোটদের সাথে নিয়ে সমস্ত বাধা কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত চমৎকারভাবে মহাপ্রভুর ভোগ রান্না করে ফেলে। তার এই সাফল্য দেখে বাড়ির সবাই অবাক হয়ে যায়।
আরও পড়ুনঃ মুখোমুখি রায়ান-পারুল! আদালতে একে অপরের বিরুদ্ধে তুললো বি’স্ফোরক অভিযোগ! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব
দিতি যখন রান্নার কাজ শেষ করে কিছুটা স্বস্তিতে, তখনই তার শাশুড়ি তাকে জব্দ করার জন্য এক নতুন চাল চালেন। তিনি দিতিকে এক গাদা বাসন মাজতে দিয়ে দেন যাতে সে ক্লান্ত হয়ে হাল ছেড়ে দেয়। একদিকে পুজোর ধকল, আর অন্যদিকে শাশুড়ির দেওয়া এই কঠিন কাজ দিতি এখন বড় এক পরীক্ষার মুখে দাঁড়িয়ে। সে কি পারবে সব সামলে নিজেকে প্রমাণ করতে?

