ভয়ংকর বিপদে দিতি! উৎসবের আনন্দেই ঘনিয়ে এল অন্ধকার! রক্তিমের নতুন ষড়যন্ত্রে মৃ’ত্যুর মুখে দিতি! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) তারে ধরি ধরি মনে করি (Tare Dhori Dhori Mone Kori) ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, দিতি আর গোরা অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে ইন্দুকে রক্তিমের হাত থেকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। শুধু উদ্ধার করাই নয়, তারা রক্তিমের শয়তানি আর ভণ্ডামির মুখোশ সবার সামনে টেনে খুলে দেয়। ইন্দুর ওপর এতদিন ধরে চলা অন্যায়ের প্রমাণ পাওয়ার পর রক্তিমের পালানোর আর কোনো পথ থাকে না। তবে দিতি বুঝতে পারে যে, এই ঘটনার পেছনে আরও গভীর কোনো ষড়যন্ত্র লুকিয়ে আছে। রক্তিম একা এত সাহস পেত না যদি না ঘরের ভেতর থেকে কেউ তাকে সাহায্য করত।

দিতি লক্ষ্য করেছে যে, যখনই সে বা গোরা বাড়িতে থাকে না, ঠিক তখনই ইন্দুর ওপর আক্রমণ হয়। এই নিখুঁত টাইমিং দেখে দিতির সন্দেহ গিয়ে পড়ে পুলস্ত্যর ওপর। সে নিশ্চিত হয় যে পুলস্ত্যই রক্তিমকে সব খবর পৌঁছে দিচ্ছে। দিতি সরাসরি পুলস্ত্যকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে এবং তার বিশ্বাসঘাতকতার কথা তুলে ধরে। কিন্তু পুলস্ত্য অত্যন্ত চতুর; সে কোনোভাবেই নিজের দোষ স্বীকার করে না। বরং উল্টো দিতির যুক্তিগুলোকে মিথ্যে প্রমাণ করার চেষ্টা করে নিজেকে নির্দোষ সাজানোর নাটক চালিয়ে যায়।

দিতিকে কোনোভাবেই দমাতে না পেরে পুলস্ত্য শেষ পর্যন্ত কুন্তল আর রক্তিমের সাথে হাত মেলায়। তারা বুঝতে পারে যে দিতি বেঁচে থাকলে তাদের সব পরিকল্পনা ভেস্তে যাবে। এই বিপদ থেকে বাঁচতে তারা এক ভণ্ড সাধু বাবার শরণাপন্ন হয়। সাধু বাবা তাদের দিতিকে সরিয়ে দেওয়ার এক ভয়ংকর বুদ্ধি দেয়। সেই অশুভ পরামর্শ মেনে নিয়ে রক্তিম তার এক পরিচিত লোকের মাধ্যমে দিতির ওপর বড় ধরনের প্রাণঘাতী আক্রমণের নীল নকশা তৈরি করে।

পরের দিন গোস্বামী বাড়িতে মহাপ্রভুর এক বিরাট উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। দিতি সিদ্ধান্ত নেয় যে সে এই উৎসবে কীর্তন গাইবে। অন্যদিকে, রক্তিম আর তার সহযোগীরা এই পবিত্র দিনটিকেই তাদের পাপ কাজ হাসিল করার জন্য বেছে নেয়। তারা স্থির করে যে কীর্তন চলাকালীন একটি বুনো হাতির সাহায্যে দিতিকে চিরতরে শেষ করে দেবে। তাদের এই ‘মোক্ষম প্ল্যান’ সফল করতে তারা অত্যন্ত গোপনে সব প্রস্তুতি সেরে ফেলে।

আরও পড়ুনঃকেরালার পথে পারুল! রুক্মিণী-ঋত্বিককে উদ্ধারে বসু পরিবারের মর’ণপণ অভিযান! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

ষড়যন্ত্রকারীরা জানত যে গোরা পাশে থাকলে দিতির গায়ে আঁচড় কাটা সম্ভব নয়। তাই তারা পরিকল্পনা করে যে উৎসবের দিন কোনো অছিলায় গোরাকে বাড়ি থেকে অনেক দূরে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। গোরা দূরে থাকলেই দিতি একা হয়ে পড়বে এবং সেই সুযোগে তাকে আক্রমণ করা সহজ হবে। একদিকে উৎসবের আনন্দ আর কীর্তনের সুর, অন্যদিকে দিতি আর গোরার অগোচরে ঘনিয়ে আসা মৃত্যুর ছায়া সব মিলিয়ে গোস্বামী বাড়ির পরিস্থিতি এখন চরম উত্তেজনার তুঙ্গে। শেষ পর্যন্ত দিতি নিজেকে বাঁচাতে পারে কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

Back to top button