মাঝপথেই ভেস্তে গেল কুন্তলীর চক্রান্ত! সবাইকে সাক্ষী রেখে গোস্বামী বাড়িতে নতুন বউ হয়ে ফিরল দিতি? নাকি রূপমঞ্জুরি? দুর্ধর্ষ আজকে পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) তারে ধরি ধরি মনে করি (Tare Dhori Dhori Mone Kori) ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, গোরার মায়ের প্রবল চাপে পড়ে শেষ পর্যন্ত বিয়ের পিঁড়িতে বসতে বাধ্য হয় গোরা। মা তাকে পরিষ্কার জানিয়ে দেন যে, সে যদি কুন্তলীকে বিয়ে না করে, তবে তিনি সবার সামনে দিতির আসল পরিচয় ফাঁস করে দেবেন। এই ভয়ে নিজের অনিচ্ছা সত্ত্বেও গোরা প্রথমে বিয়েতে রাজি হয়, কিন্তু সিঁদুরদানের মাহেন্দ্রক্ষণে তার বিবেক বাধা হয়ে দাঁড়ায়। সে কিছুতেই কুন্তলীর সিঁথিতে সিঁদুর দিতে পারে না।
গোরার ইতস্ততবোধ দেখে কুন্তলী নিজেই অধৈর্য হয়ে ওঠে এবং গোরার হাত থেকে সিঁদুর কেড়ে নিয়ে নিজের সিঁথিতে পরতে উদ্যত হয়। ঠিক সেই নাটকীয় মুহূর্তে সেখানে ঝড়ের বেগে হাজির হয় অদ্বিতীয়া। সে কুন্তলীর হাত চেপে ধরে তাকে সজোরে একটি থাপ্পড় মারে। এরপর সে সরাসরি গোরার মায়ের মুখোমুখি হয়ে প্রশ্ন তোলে যে, ঘরে স্ত্রী বর্তমান থাকতে তিনি কীভাবে ছেলের দ্বিতীয়বার বিয়ে দেওয়ার কথা ভাবতে পারেন।
গোরার মা অত্যন্ত অহংকারের সাথে অদ্বিতীয়ার দাবি উড়িয়ে দিতে চান। তিনি সাফ জানিয়ে দেন যে, অদ্বিতীয়া তো আর রূপমঞ্জরী নয়, তাই এই বিয়েতে আইনত বা সামাজিকভাবে কোনো বাধা নেই। অন্যদিকে, পুলস্ত্য মনে মনে ভিন্ন পরিকল্পনা আঁটে। সে ঠিক করে নেয় যে পরদিন সকালেই দিতিকে নিয়ে কলকাতায় ফিরে যাবে এবং তার ভবিষ্যৎ কী হবে, তা সে-ই নির্ধারণ করবে।
দিতি ততদিনে গোরার প্রতি মনে মনে গভীর ভালোবাসা অনুভব করতে শুরু করেছে। তাই গোরার মায়ের অপমানজনক কথা শুনে সে সাহসের সাথে গর্জে ওঠে। সে দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করে যে, তার নাম অদ্বিতীয়া হোক বা রূপমঞ্জরী গোরচাঁদ গোস্বামীর আসল স্ত্রী কেবল সেই। নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সে আর বিন্দুমাত্র দ্বিধা করে না এবং সকলের উপস্থিতিতে গোরার হাতের সিঁদুর নিজের সিঁথিতে পরে স্ত্রীর মর্যাদা ছিনিয়ে নেয়।
আরও পড়ুনঃ দশ মিনিটে দুর্দান্ত প্ল্যান পারুলের! সংযুক্তা সেনকে খাঁচায় বন্দি করতে দারুন উপায় বের করলো সে! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব
অবশেষে সমস্ত বাধা ও ষড়যন্ত্র কাটিয়ে নতুন বউ হিসেবে গোস্বামী বাড়িতে প্রবেশ করে দিতি। মনে মনে সে সঙ্কল্প করে যে, আজ থেকে এই বাড়ির প্রতিটি সদস্যই তার নিজের এবং এই পরিবারই তার আসল পরিচয়। এভাবেই এক নাটকীয় মোড় পার করে দিতি ও গোরার সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায় শুরু হয়।

