দিতির বাথটাবে কুন্তলার ম’রণফাঁদ! দিতিকে মা’রতে গিয়ে নিজের জালে কুন্তলা! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলা (Zee Bangla) ধারাবাহিক ‘তারে ধরি মনে করি’-তে (Tare Dhori Dhori Mone kori) বর্তমানে এক টানটান উত্তেজনাপূর্ণ মোড় এসেছে। একদিকে দিতির পরিচয় নিয়ে ধোঁয়াশা, অন্যদিকে মধ্যবিত্ত একান্নবর্তী পরিবারের নিয়ম-রীতির সাথে দিতির মানিয়ে নেওয়ার লড়াই। সবমিলিয়ে জমজমাট হয়ে উঠেছে এই ধারাবাহিক।
গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, বাড়িতে দ্বিতীয় বাথরুম তৈরি নিয়ে দুই পক্ষের ভিন্ন মত থাকলেও, শেষ পর্যন্ত দিতির অনুরোধে দাদু রাজি হওয়ায় বাথরুম তৈরির কাজ শুরু হয়। এই নতুন বাথরুম নিয়ে দিতির উৎসাহের অন্ত নেই, এমনকি সে নিজেই এর নকশা তৈরি করেছে। দিতির এই অভাবনীয় আনন্দ দেখে গোরা নিজেও বেশ অবাক। তবে এই খুশির মাঝেই দানা বাঁধছে নতুন বিপদ। দিতিকে বাড়ি থেকে তাড়াতে কুন্তলা হাত মিলিয়েছে ষড়যন্ত্রকারী পুলস্ত্যের সাথে। পুলস্ত্য কুন্তলাকে দায়িত্ব দিয়েছে দিতির প্রতিটি পদক্ষেপের ওপর নজর রাখতে, যাতে সুযোগ বুঝে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া যায়। যদিও কুন্তলা তার আসল স্বার্থের কথা এখনো আড়ালেই রেখেছে।
কুন্তলাকে পুলস্ত্যর সাথে কথা বলতে দেখে গোরার ভাই। কিন্তু অন্ধকারে ঠিক ঠাওর করতে পারে না সে। এ যাত্রায় বেঁচে যায় কুন্তলা। কিন্তু সে আড়াল থেকে দিতির ঘরের বাইরে নজর রাখছিল পুলস্ত্যর কথায়। দিতি ঘরে ঘুমাচ্ছিল কিন্তু হঠাৎ আওয়াজে তার ঘুম ভেঙে যায়। আর সে কুন্তলাকে উচিত জবাব দেয়। কুন্তলা এসব আর সহ্য করতে পারছে না।
অন্যদিকে, বাথরুমে বাথটাব বসানো নিয়ে দিতির জেদ প্রথমে গোরা মেনে নিতে না চাইলেও, বাড়ির মহিলাদের আরামের কথা ভেবে দিতি অটল থাকে। শেষমেশ দাদুর অনুমতি মেলায় বাথটাব বসানোর কাজও সম্পন্ন হয়। কিন্তু দিতির এই দাপট আর তার সমস্ত আবদার পূরণ হওয়াটা কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না তার শাশুড়ি। রূপের শান্ত স্বভাবের সাথে দিতির এই চঞ্চল প্রকৃতির আকাশ-পাতাল পার্থক্য দেখে তাঁর মনে সন্দেহের দানা বাঁধতে শুরু করেছে। তিনি গোরার কাছেও প্রকাশ করেন যে, রূপ ফিরে আসায় তিনি খুশি হলেও মানুষ দুটোর অমিল তাঁকে ভাবিয়ে তুলছে।
আরও পড়ুনঃ ডিএনএ রিপোর্টে ফাঁস সংযুক্তার কীর্তি! সুবিনয়ের মৃ’ত্যুর সময় হুবহু মিলে যেতেই খু’নিকে ধরে ফেলল পারুল! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব!
গল্পের মোড় ঘোরে বাথরুম উদ্বোধনের দিন। দিতির জোরাজুরিতে অনিচ্ছাসত্ত্বেও পরিবারের সকলে অনুষ্ঠানে যোগ দেয়। শাশুড়ি রাজি না হওয়ায় দাদুই বাথরুম উদ্বোধন করতে এগিয়ে আসেন। ঠিক এই সময়েই দিতি’কে বিপদে ফেলার জন্য কুন্তলা এক ভয়ঙ্কর চাল চালে সে বাথটাবের জলের মধ্যে বৈদ্যুতিক তার সংযোগ করে দেয়। কিন্তু দিতি’কে শাস্তি দিতে গিয়ে কুন্তলার এই ষড়যন্ত্রে জড়িয়ে পড়েন বাড়ির অন্য এক সদস্য। নিজের জালে নিজেই জড়িয়ে পড়া কুন্তলা এখন বিপাকে। এখন দেখার বিষয়, এই ঘটনার পর দিতি কীভাবে তার নতুন রূপে কুন্তলাকে উচিত শিক্ষা দেয় এবং বাড়ির রহস্যময় পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়।

