শত্রুর সঙ্গে হাত মেলালো কুন্তলিনী! পুলস্ত্যর ষ’ড়যন্ত্রে কি ফাঁ’স হয়ে যাবে দিতি-গোরার গোপন রহস্য? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলা (Zee Bangla) ধারাবাহিক ‘তারে ধরি মনে করি’-তে (Tare Dhori Dhori Mone kori) বর্তমানে এক টানটান উত্তেজনাপূর্ণ মোড় এসেছে। একদিকে দিতির পরিচয় নিয়ে ধোঁয়াশা, অন্যদিকে মধ্যবিত্ত একান্নবর্তী পরিবারের নিয়ম-রীতির সাথে দিতির মানিয়ে নেওয়ার লড়াই। সবমিলিয়ে জমজমাট হয়ে উঠেছে এই ধারাবাহিক।
গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, বাড়ির অন্দরে শুরু হয়েছে এক নতুন সমস্যা। রূপ এবং দিতির স্বভাব ও চিন্তাধারা একদম বিপরীত মেরুর। এই মতাদর্শের পার্থক্যের কারণে বাড়িতে অনবরত অশান্তি লেগেই আছে। বাড়ির এই ঝামেলার মাঝে পড়ে গোরার অবস্থা শোচনীয়। একদিকে বাড়ির অশান্তি সামলানো, আর অন্যদিকে পুলস্ত্যর মতো শত্রুর হাত থেকে দিতিকে রক্ষা করা এই দ্বিমুখী সংকটে গোরা এখন দিশেহারা।
গোরার বাড়িতে আসার পর থেকেই দিতির জীবন এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। পরিবারের সবাই তাকে রূপ বলে জানলেও, দিতির স্বভাব ও আচার-আচরণ রূপের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। এই অমিল বাড়ির বড়দের চোখে ধরা পড়লেও দিতি নিজের স্বাচ্ছন্দ্যের বিষয়ে আপোষ করতে নারাজ। বাড়ির একমাত্র বাথরুম। এত বড় পরিবারে একটিমাত্র বাথরুম থাকায় দিতিকে চরম অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। যেহেতু দিতি এই পরিবেশে অভ্যস্ত নয়, তাই সে সরাসরি গোরাকে জানিয়ে দেয় যে বাড়িতে আরও একটি বাথরুম তৈরি করতে হবে।
গোরার মা এবং পরিবারের অন্যান্যরা এই প্রস্তাবে চরম বিরক্ত হন। তাদের কাছে বংশ পরম্পরায় চলে আসা নিয়মই শেষ কথা। বাড়ির প্রথা ভেঙে কারোর জন্য আলাদা সুযোগ-সুবিধা তৈরি করাকে তারা মানতে পারছেন না। গোরা প্রথমে দোটানায় থাকলেও দিতির জেদ ও যুক্তির কাছে সে হার মানে। শেষ পর্যন্ত সে দাদুর কাছে গিয়ে নতুন বাথরুম তৈরির জন্য অনুমতি চায়। গোরা ও দিতির আন্তরিক অনুরোধে দাদু আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন। গোরার মা এবং কুন্তলা তীব্র প্রতিবাদ জানানো সত্ত্বেও, দাদু শেষ পর্যন্ত নতুন বাথরুম তৈরির অনুমতি দেন। এটি পরিবারের পুরনো প্রথা ভাঙার পথে প্রথম পদক্ষেপ মনে করছে গোরার মা।
আরও পড়ুনঃ ‘শুভশ্রীর সঙ্গে কেউ কাজ করতে চাইছিল না, আমি তখন…’ ‘না হয় এই যুদ্ধটাতেও তোমায় সঙ্গ দিলাম…’ বিবাদ ভুলে আবেগে ভাসলেন দেব-শুভশ্রী! শুরু হলো নতুন যাত্রা!
ওদিকে দিদির বদলে যাওয়া স্বভাব দেখে কুন্তলার মনে গভীর সন্দেহের দানা বেঁধেছে। সে কোনোভাবেই মানতে পারছে না যে বর্তমানে তাদের বাড়িতে থাকা মেয়েটিই আসল রূপ। অন্যদিকে বাড়ির বাইরে কুন্তলাকে একা পেয়ে পুলস্ত্য তাকে প্ররোচিত করে দিতির ওপর কড়া নজর রাখতে। কুন্তলাও চায় না তার দিদির জায়গায় অন্য কোনো অনুপ্রবেশকারী তাদের পরিবারে জায়গা করে নিক। সে চায় আসল সত্যিটা সবার সামনে আনতে। এবারে দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।

