কোনক্রমে বিপদের হাত থেকে রক্ষা পেলো ফুলকি! আড়াল থেকে বেরিয়ে রোহিতের কাছে ধরা দিল রুদ্র!

ফুলকি (Phulki) জি বাংলার (Zee Bangla) এমন একটি ধারাবাহিক যা বরাবর নিজের জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। প্রতি সপ্তাহেই ভালো ফলাফল করছে। এমনকি ধারাবাহিকটি (Bengali Serial) প্রতিদিনই একটু একটু করে দর্শকদের কাছে আরো আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। একটি এপিসোডও দর্শকদের নিরাশ করে না এই ধারাবাহিকের। তাইতো বাংলার মেগা গুলির মধ্যে এর জনপ্রিয়তা ব্যাপক।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, ফুলকির জীবনের খুশির খবর শোনার পর রাজমহল উৎসবে মেতে ওঠে। ফুলকি মিষ্টি বিতরণের ব্যবস্থা করতে বলে সকলকে। এমন কি শত্রু পক্ষ কেও মিষ্টি বিতরণের করতে জানিয়ে দেয়। আর ফুলকির পাঠানো সেই মিষ্টি ঈশিতা রুদ্রর জন্য নিয়ে আসে। রুদ্র তো ফুলকির সন্তান আসছে শুনে দারুণ ক্ষেপে যায়। একসময় রুদ্রর রাজত্ব ছিল আর এখন রুদ্র ফুলকির ভয়ে জড়সড় হয়ে আছে। ফুলকিকে সে আর শান্তিতে থাকতে দেবে না বলে প্রতিজ্ঞা করে।

পরের দিন রুদ্র নবাবগঞ্জে মায়ের কাছে প্রার্থনা করেন ফুলকিকে শেষ করে দেওয়ার জন্য আর রুদ্র যখন অভিরূপের ছদ্মবেশে মায়ের মন্দিরে নিজের রক্ত দিয়ে সংকল্প করছিল ঠিক তখনই সেখানে এসে হাজির হয় রোহিত এবং লাবণ্য। তারা দুজন তো অভিরূপকে দেখে অবাক হয়ে যায়। অভিরূপ নবাবগঞ্জের মায়ের মন্দিরে এসেছে এই ব্যাপারটা তাদের খুবই অস্বাভাবিক লাগে। তারপরে লাবণ্য এবং রোহিত দুজনেই দেখতে পায় অভিরূপ নিজের রক্ত দিয়ে সংকল্প করছে মায়ের কাছে। যদিও খুব বুদ্ধি করেই রুদ্র লাবণ্য এবং রোহিতদের প্রশ্নের জবাব দিয়ে বেরিয়ে যায় সেখান থেকে।
অভিরূপ বেরিয়ে যাওয়ার সাথে সাথেই রোহিতের মনে পড়ে রুদ্র একইভাবে নিজের রক্ত দিয়ে মায়ের কাছে সংকল্প করত। আর ফুলকিও সন্দেহ করেছিল রুদ্র কোনভাবে বেঁচে আছে। রোহিতের মনে ভয় শুরু হয়ে যায়। ওদিকে ফুলকি সকলকে মিষ্টি বিতরণের পর গিয়েছিল বস্তিতে সকলের খোঁজ খবর নিতে। যারা অসুস্থ হয়ে পড়েছিল তারা সুস্থ আছে কিনা সেটা দেখতে। আর সেটা করতে গিয়েই বিপদে পরে ফুলকি। সেইসময় ছদ্মবেশে হাজির হয় রুদ্র। বুড়িমার ছদ্মবেশে হেঁটে যাওয়া রুদ্রকে দেখে ফুলকির দেখে দয়া হয় এবং খুব স্বাভাবিকভাবেই ফুলকি সাহায্য করতে এগিয়ে যায়। আর ফুলকি যেই ওই বুড়িমাকে নিজের ঘরের পৌঁছে দিতে যায় তারপরে আর সেখান থেকে ফেরেনা। ফুলকির সাথে ছিল তার দলের ছেলে সে অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও ফুলকিকে খুঁজে পায় না। ছুটে যায় রাজমহলে।
আরও পড়ুনঃ পারুলের পালিত বাবাই দিল তার মায়ের খোঁজ! তবে কি নিজের জন্ম পরিচয় জানতে পারবে পারুল? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব
ওদিকে ফুলকি বাড়ি ফিরছে না দেখে ফুলকির মায়ের খুব চিন্তা হয়। তমাল, পিয়াল সকলেই বাড়ি ফিরে এসেছে কিন্তু ফুলকি ফিরছে না। তাই পিয়াল ফুলকিকে ফোন করে। কিন্তু ফুলকির ফোন সুইচ অফ। রোহিত এবার চিন্তায় পড়ে যায়। আর ঠিক তখনই ফুলকির দলের ওই ছেলেটি এসে যাবে জানায় ফুলকিকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। জানায় সেখানে ফুলকির সাথে কি কি হয়েছে। রোহিত সঙ্গে সঙ্গে অংশুকে ফোন করে বেরিয়ে যায় ফুলকিকে খুঁজতে। ফুলকির ফোনে যে অ্যাপটা ইন্সটল করে দিয়েছিল সেখানে লোকেশন ট্র্যাক করে একটি জায়গায় গিয়ে পৌঁছে রোহিতরা। সেখানে ফুলকির ফোনটা পড়ে থাকতে দেখে, কিন্তু ফুলকির খোঁজ পায় না। ওদিকে ফুলকিকে তো রুদ্র একটি গুদাম ঘরে আটকে রেখেছে। কিন্তু রুদ্রর নজর সরতেই ফুলকি সেখান থেকে কোনরকমে পালিয়ে আসে। আর সেইখানে রোহিত খুঁজতে খুঁজতে পৌঁছে যায়। কিন্তু এবারের রোহিত মুখোমুখি হয়ে রুদ্রর। রুদ্র নিজের আসল চেহারা নিয়ে আসে রোহিতের সামনে। দেখার অপেক্ষায় কি হয় আগামী পর্বে।

