ফুলকিকে মে’রে মাটি চাপা দিয়ে দিল রুদ্র! ভাই বোনের ষ’ড়যন্ত্র হাতেনাতে ধরে ফেলল অরণ্য! ধুন্ধুমার আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিকগুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো ফুলকি (Phulki)। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই ধারাবাহিক দর্শকদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে। টিআরপি তালিকাতেও এই ধারাবাহিকে সবসময় প্রথম পাঁচে দেখা যায়। ধারাবাহিকটিতে প্রতিদিনই টানটান উত্তেজনা পর্ব দেখানো হয়। বর্তমানে প্রতিটি এপিসোডেই বেশ জমজমাট হয়ে উঠেছে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, বাড়ি এসে অরণ্য সব কথা জানায় ফুলকিকে। ওই বুড়িমা রাঁধুনির কাজ করে কিন্তু ফুলকি তো রান্নার কিছুই জানে না। তাই অরণ্য ফুলকিকে হাতে ধরিয়ে রান্না শেখায়। আশ্রমে যা যা হয় সব বুঝিয়ে দেয়। পরের দিন প্ল্যান মতন ফুলকি যায় আশ্রমে। প্রথমে তো রান্নার বুড়িমা দেরি করে আসছে দেখে রিকির দুই শিষ্য চিৎকার-চেঁচামেচি করতে থাকে নিজেরাই বেশিরভাগ রান্না করে ফেলেছে দেখে। তারপর আশ্রমের ভেতরে ঢোকে ফুলকি। ফুলকিকে অরণ্য যেভাবে যেভাবে বলেছিল ঠিক সেভাবে সেভাবে সমস্ত কাজ করছিল।

Abhishek Bose

আশ্রমের জন্য শুক্ত, ডাল সব রান্না করে ফুলকি। যদিও রান্না করতে গিয়ে অনেক ভুল করছিল সে। কারণ রান্নার ওই বুড়িমা অরন্যকে সব কথা জানায়নি। যেমন কয়েকদিন ধরে আশ্রমে একজন অতিরিক্ত লোক খাচ্ছে। সে কথা বুড়িমা জানায়নি অরণ্যকে। ২০ জনের বদলে ২১ জনের খাবার তৈরি হচ্ছে সেটা জানতো না ফুলকি। ২১ জনের খাবার কেন তৈরি হয়েছে সেটা জানতে পেরে খটকা লাগে ফুলকির। ফুলকি ঠিক করে নেয় রিকির উপরে নজর রাখতে হবে। রিকি নিজেই সেই খাবার নিয়ে যায়। তাই কোথায় খাবার নিয়ে যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

এরপর ফুলকি রিকির পিছন পিছন খুব সাবধানে এগিয়ে যায় রুদ্রকে ধরতে। আর একটা গোপন ঘরে গিয়ে দেখে সেখানে লুকিয়ে আছে রুদ্র। যেই ঘরে রুদ্রকে রাখা হয়েছে সেখানে ফুলকির ফোনের নেটওয়ার্ক কাজ করছিল না। তাই ফুলকি কাউকে ফোন করে সাহায্য করতে বলবে সেটাও পারছিল না। আর ঠিক তখনই পেছন থেকে এসে রিকি ফুলকিকে ধরে ফেলে। আর নিয়ে আসে রুদ্রর কাছে। রুদ্র জানায় ফুলকি যে এখানে আসবে সে কথা আগে থেকেই জানতো তারা।

আরও পড়ুনঃ ‘দিনের পর দিন অ’ত্যাচার, শারীরিক নি’র্যাতনে শেষ হয়ে গেছি…’- দীর্ঘ তিন বছর অভিনয় জগৎ থেকে দূরে! অবশেষে প্রেমিকের মুখোশ খুলে দিলেন অভিনেত্রী নয়না গাঙ্গুলী

আসলে ফুলকি কতটুকু কি করতে পারে সেটা ভাল মতই জানে দুই ভাই বোন। তাই জন্য ফুলকি যে হাল ছেড়ে দেবে না ছদ্মবেশে আসবে রুদ্রকে ধরতে সেটা আগে থেকেই আন্দাজ করেছিল তারা। আর অরণ্য, পিয়াল যখন আশ্রমের বাইরে নজর রাখছিল তখন রিকির লোকও তাদের উপর নজর রাখছিল। এরপর রুদ্র নিজে ফুলকির সাথে একান্তে বোঝাপড়া করে নিতে চায়। এদিকে ধস্তাধস্তির সময় ফুলকির হাত থেকে ফোন পড়ে গিয়েছিল। কিন্তু নিজের বুদ্ধি খাঁটিয়ে ঠিক ওই ফোনের রেকর্ডার অন করে নেয় ফুলকি। রুদ্রর সমস্ত স্বীকারোক্তি সেখানে বন্দী হয়। কিন্তু শেষ রক্ষা হয় না। ফুলকিকে অজ্ঞান করে তাকে মাটি চাপা দিয়ে দেয় তারা। যদিও সেটা আড়াল থেকে দেখে নেয় অরণ্য। এবারে দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।

Back to top button