শিল্পাই সনাতনের মেয়ে! তদন্তের আরো এক ধাপ এগিয়ে গেল ফুলকি! নিজের সর্বনাশ দেখে গর্জে উঠলো ছোট রাণী!

এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিকগুলোর (Bengali Serial) মধ্যে প্রথম সারিতে রয়েছে ফুলকির (Phulki) নাম। শুরুর দিন থেকে আজ পর্যন্ত এই ধারাবাহিক কখনোই দর্শকদের হতাশ করেনি। টিআরপি তালিকায় (TRP List) বরাবরই ভালো ফলাফল করে ধারাবাহিকটি। প্রথম পাঁচে থাকে সবসময় ফুলকির নাম। বর্তমানে সবকটি এপিসোডেই থাকছে নতুন নতুন চমক। রাজবাড়ীর নানান রহস্য, বড় রাজার হারিয়ে যাওয়ার পেছনে আসল রহস্য সবকিছু খুঁজে বার করছে ফুলকি।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়, রাজবাড়ীতে ফুলকির সব পুরনো পরিচিতরা আসে নিমন্ত্রিত হয়ে। ফুলকি ভোম্বলদার কথা মত সুন্দরভাবে রাজকুমারী সেজে তাদের সামনে উপস্থিত হয়। এরপর সকলে মিলে হাসি ঠাট্টা আনন্দ ফুর্তিতে মেতে ওঠে। এরপর ইন্দ্র সেই সুযোগেই ফুলকির ফোনে ওই ডিভাইসটা সেট করে দেয়। এবার থেকে ফুলকিদের গতিবিধি সব থাকবে তাদের নজরে।

ফুলকি সবাইকে নিয়ে আনন্দ হাসি ঠাট্টা করতে করতে পুরনো দিনের কথা মনে করে। এরপর সকলের জন্য বিরাট খাওয়া আয়োজন করে। সকলে তো রাজমহলের আয়োজন দেখে অবাক হয়ে যায়। প্রত্যেকেই বিশাল বড় রাজমহল ঘুরে দেখার জন্য ফুলকির কাছে আবদার করে। ফুলকিও রাজমহল ঘুরে দেখাতে থাকে সকলকে। এদিকে ফুলকির ফোনে যে ডিভাইসটা লাগানো রয়েছে সেটা ফুলকি জানতেও পারেনা। ফুলকি রোহিত নিজেদের মধ্যেই আজকের আনন্দ ফুর্তি নিয়ে আলোচনা করতে থাকে। ওদিকে ফুলকি রোহিত নিজেদের মধ্যে কি কি আলোচনা করছে সেই সব শুনতে থাকে ছোট রাণী, রুদ্র এবং ছোট রাজকুমার। আসলে ফুলকির ফোনে এমন একটা ডিভাইস লাগানো রয়েছে যাতে ফুলকি ফোনের আশে পাশে থাকলে যা আলোচনা যা প্ল্যানিং করবে সবকিছু জানতে পারবে ছোট রাণীরা।
এরপর হঠাৎই বড় রাণী ফোন করে ফুলকিকে জানায় বড় রাজা ঘরে নেই তাকে কোথাও পাচ্ছেন না তিনি। এই খবর পেয়েই ফুলকি বাবাকে খুঁজতে ছুটে যায়। গোটা মহলের চারিদিকে বড় রাজাকে খুঁজতে থাকে ধানু, ফুলকি এবং রোহিত কিন্তু কোথাও পায় না। অবশেষে লাইব্রেরী রুমে বড় রাজাকে খুঁজে পায় তারা এবং সেখানে বড় রাজা রাজবাড়ীর পুরনো অ্যালবাম ঘেঁটে দেখছিল। আর সেই অ্যালবাম দেখতে দেখতে হঠাৎ করে সনাতনের নাম বলে ওঠেন বড় রাজা। এই সনাতন ছিল বড় রাজার বিশ্বস্ত লোক। আর এই সনাতনকে মেরে ফেলেছিলেন ছোট রাণী। কারণ সনাতন জেনে গেছিল ছোট রাণী বড় রাজার সন্তান অর্থাৎ ফুলকিকে জন্মের পরেই সরিয়ে দিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ সবকটা শাশুড়ি কুচুটে! চিরসখা হোক বা মিঠিঝোরা, লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের ধারাবাহিকে শাশুড়ি মানেই জল্লা’দ! সমালোচনায় মুখর সমাজ মাধ্যম!
কিন্তু হঠাৎ করেই সনাতনের নাম নিতে নিতে অজ্ঞান হয়ে যান বড় রাজা। এরপর জ্ঞান ফেরার পর তাকে অনেকবার করে কথা বলতে ফুলকি কিন্তু বড় রাজা আর কোন উত্তর দেয় না। এরপরই রোহিত জানায় ধীরে ধীরে তার হয়তো মনে পড়ছে। তাই তাকে বেশি মানসিক চাপ দিয়ে লাভ নেই। এদিকে ফুলকি সকলকে নিয়ে প্ল্যান করতে থাকে এই সনাতনের পরিবারকে খুঁজে বার করার জন্য। তাহলেই তার মৃত্যুর রহস্য তাদের কাছে পরিষ্কার হবে। আর এর থেকেই অনেক তথ্য উঠে আসতে পারে। আর ফুলকির এই প্ল্যান জেনে নেয় ছোট রাণী। তিনি ঠিক করে ফেলেন ফুলকির আগেই তিনি সনাতনের পরিবারকে খুঁজে বার করবে। এদিকে শিল্পা হল ওই সনাতনের সন্তান। এই জন্য শিল্পার মা শিল্পার রাজ বাড়িতে আসা পছন্দ করেনা। তাই তো পরের দিন তিনি লুকিয়ে রাজবাড়ি থেকে শিল্পাকে আনতে যায়। কিন্তু রাজবাড়ির এক পুরনো কর্মচারী শিল্পার মাকে চিনে নেয়। ওদিকে শিল্পার পরিচয় জানার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠেন ছোট রাণী। দেখা যাক এবারে কি হয় আগামী পর্বে।

