ফুলকির স্বপ্নে এলেন স্বয়ং নৃসিংহ দেব! সর্বনাশের ইঙ্গিত পেলো ফুলকি! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব!

বর্তমানে জি বাংলার (Zee Bangla) যে সমস্ত ধারাবাহিকগুলি (Bengali Serial) টিআরপি তালিকায় (TRP List) মাথা তুলে দাঁড়িয়ে রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো ফুলকি (Phulki)। কবে থেকে ধারাবাহিকটি চলছে টেলিভিশনের পর্দায়। বছর তিন তো হতে চলল। এখনও ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা ধারাবাহিকভাবে বজায় আছে। দুর্ধর্ষ এপিসোড দিয়ে ফুলকি প্রতিদিন দর্শকদের নজর টিকিয়ে রাখে। চলতি সপ্তাহেও টিআরপি তালিকায় দারুণ ফলাফল করেছে ধারাবাহিকটি। দেখা যাক আগামী দিনে ধারাবাহিকটি কতদিন টিআরপি তালিকায় ভালো ফলাফল করে। চলুন তাহলে জেনে নি ধারাবাহিকের আগামী পর্বে কি হতে চলেছে।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়, নৃসিংহ দেব কখনো কারো ক্ষতি করতে পারে না। এর পেছনে বড় কোন রহস্য রয়েছে। আর সেই রহস্য ভেদ করবে ফুলকি। এদিকে পরের দিন আবারো ওই রাতের অন্ধকারে আরও একটি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ফুলকিকে সঙ্গে সঙ্গে খবর দেয় স্বাগতা ম্যাডাম। ফুলকি বুঝতে পারে এই সমস্তটাই ষড়যন্ত্র। ফুলকি এবং বড় রাজা যাতে মাথা তুলে এই রাজ্যে দাঁড়াতে না পারে, তার জন্যই এই এত কাণ্ড ঘটাচ্ছে ছোট রাণী। কিন্তু ফুলকিও প্রতিজ্ঞা করে সে বা তার বাবা কেউই এই বদনাম নিয়ে বাঁচবে না।

ছোট রানী নিজের প্রজাদের কাছে ভালো মানুষ আছে আর সকলের কাছে এটাই বোঝাতে চায় যে বড় রাজা এবং ফুলকে আসার পরেই যত অনাচার হচ্ছে বড় রাজার ফলে নৃসিংহ দেবের মালা পোড়ানোর পর বড় রাজাকে সিংহাসনে বসানোর পর থেকে নৃসিংহ দেব অসন্তুষ্ট হয়েছে তাই এসব ঘটনা ঘটছে তারা রাজ্য থেকে বেরিয়ে গেলে তবে সব শান্তি ফিরবে। তোমার আর ছোটরা নিয়ে সমস্ত কথায় রাজ্যবাসীরা বেশ খেপে ওঠে তারা ফুল্কির দিকে তেরই আসে আক্রমণ করার জন্য রোহিত এসে ফুলকে সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়ায় এবং সবাইকে সাবধান করে দেয়।
পরের দিন ফুলকিরা স্বাগতা ম্যাডামের সাথে দেখা করতে যায় ফরেস্ট ডিপার্টমেন্ট থেকে তো খোঁজখবর নিয়েও কোনরকম সমাধান করতে পারেনি কারণ এই জঙ্গলে কোন হিংস্র পশুর চিহ্নই পাইনি তারা কোন দিকে যাদের যাদের মৃত্যু হয়েছে তাদের সবাই একইভাবে হিংস্র পশুর আক্রমণ এই মৃত্যু হয়েছে। ফুলকি স্বাগতা ম্যাডামকেও জানাই এগুলো ছোট রানী ষড়যন্ত্র কিন্তু স্বাগতম বিশ্বাস করতে চায় না কারণ যদি ছোটরা নিয়ে এসব ঘটাতো তাহলে বোমা বন্দুক এসবের প্রমাণ পাওয়া যেত। এখানে হিংস্র বসুর আক্রমণের ছাপ পাওয়া গিয়েছে, ছোটরা এসব কি করে ঘটাতে পারে।
আরও পড়ুনঃ পরিবারের থেকে বিচ্ছিন্ন! চরম অর্থাভাব! ধীরে ধীরে গ্রাস করছে মানসিক অবসাদ! অসহায় দাদা শংকর ঘোষালের পাশে বোন রত্না ঘোষাল!
ফুলকি বুঝতে পারে তাকেই যা করার করতে হবে। তারপর রোহিতের সাথে ফুলকি রাজমহলে ফিরে গিয়ে দেখে সেখানে অনেক মানুষ ভিড় করেছে। আশেপাশের গ্রামের মোড়ল এসেছে ছোট রাণীর সঙ্গে দেখা করতে। সেখানে তারা ছোটরাণীকে জানায় এভাবে প্রাণের ভয়ে তারা বাঁচতে পারছে না। এর একটা বিহিত করতে হবে। ছোট রাণী খুব ভালো ভাবেই মনে ভয় ধরিয়ে দিয়েছে। কিন্তু গ্রামের মোড়ল সরাসরি জানিয়ে দেয় বড় রাজা এবং ফুলকি যেন এই স্টেট ছেড়ে চলে যায়। ফুলকি প্রথমে কিছুতেই রাজি হতে চায় না। ছোট রাণীকে ভুল প্রমাণ করার চেষ্টা করে। কিন্তু সাধারণ মানুষ এতটাই ভয় পেয়ে রয়েছে যে তাদের আর কোনোভাবেই বোঝানো যায় না। তাই বড় রাজা সিদ্ধান্ত নেয় ফুলকিকে নিয়ে রাজমহল থেকে চলে যাবে। বড় রাণী তাদের সঙ্গে যেতে চায় কিন্তু ছোট রাণী দেখে বড় রাণী চলে গেল তো মুশকিল। তাই বড় রাণীকে নাটক করে আটকে দেয়। ফুলকি যাওয়ার সময় ছোট রাণীকে কথা দিয়ে যায় যে যদি ফুলকি প্রমাণ করতে পারে এইসবের পেছনে ছোট রাণীর হাত আছে তাহলে ফুলকি এই হিংস্র জন্তুর মতোই ফিরে আসবে। এদিকে রাতে স্বপ্নে ফুলকি নৃসিংহ দেবকে দেখতে পায়। কোন সর্বনাশের ইঙ্গিত দিলেন নৃসিংহ দেব?

