এবারে বন্ধু সেজে লুকিয়ে থাকা শত্রুর মুখোশ খোলার পালা! নতুন লড়াইয়ে নামল ফুলকি!

বর্তমানে জি বাংলার (Zee Bangla) যে সমস্ত ধারাবাহিকগুলি (Bengali Serial) টিআরপি তালিকায় (TRP List) মাথা তুলে দাঁড়িয়ে রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো ফুলকি (Phulki)। কবে থেকে ধারাবাহিকটি চলছে টেলিভিশনের পর্দায়। বছর তিন তো হতে চলল। এখনও ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা ধারাবাহিকভাবে বজায় আছে। দুর্ধর্ষ এপিসোড দিয়ে ফুলকি প্রতিদিন দর্শকদের নজর টিকিয়ে রাখে। চলতি সপ্তাহেও টিআরপি তালিকায় দারুণ ফলাফল করেছে ধারাবাহিকটি। দেখা যাক আগামী দিনে ধারাবাহিকটি কতদিন টিআরপি তালিকায় ভালো ফলাফল করে। চলুন তাহলে জেনে নি ধারাবাহিকের আগামী পর্বে কি হতে চলেছে।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়, মন্ত্রীকে আটকে রেখে ফুলকি সরাসরি বলে বড় রাজার খবর জানতে চায়। আর বলে বড় রাজার খোঁজ দিলে তবেই মন্ত্রী মশাই মুক্তি পাবেন। নয়তো এখানেই সারাজীবন জল খাবার না খেয়ে ফেলে রাখা হবে। আর সঠিক উত্তর না দিলে ফুলকি কারেন্ট শক দেবে। প্রথমে মন্ত্রী মশাই কিছুই স্বীকার করতে চায় না। কিন্তু ফুলকির হাতে শক খাওয়ার ভয়ে তিনি সব স্বীকার করতে চান। ফুলকি মন্ত্রীকে বলে তাদের দলের লোকজনকে বলে দিতে নাহলে তাকেও ছাড়বে না ফুলকি। তাই মন্ত্রী তার লোকজনকে ফোন করে জানিয়ে দেয় তিনি সঠিক সময় ফিরে আসবেন বড় রাজাকে যেন ছেড়ে দেওয়া হয়। মন্ত্রীর কথা মত তার দলের লোকজন এই ঘটনায় পুলিশকে জড়ায় না এবং বড় রাজাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

তবে পুলিশ মন্ত্রী মশাইয়ের ফোনের লোকেশন যেখানে দেখানো হয়েছে সেখানে পৌঁছে যায় পুলিশ। কিন্তু ততক্ষণে ফুলকি মন্ত্রীকে নিয়ে সেখান থেকে নিয়ে অন্য কোথাও চলে গেছে। যারফলে মন্ত্রীকে কেউ আর খুঁজে পায় না। মন্ত্রীর দলের লোক তখন বুঝতে পারে রুদ্র ঠিকই বলেছিল ফুলকি ঠিক কতটা চালাক। ওদিকে ফুলকি কোথায় আছে, কখন ফিরবে সে সব কিছুই বলেনি রোহিতদের। রোহিতরা সবাই ফিরে আসে ফুলকি মন্ত্রী মশাইকে নিয়ে অন্য কোথাও গিয়েছে। তার ফোনটাও সুইচ অফ। রোহিতরা বাড়ি ফিরে আসার কিছুক্ষণ পরে ফিরে আসে বড় রাজা। তাকে দেখে তো সকলে ভীষণ খুশি হয়। কিন্তু ফুলকি কখন ফিরবে সেটা জানা যায় না।
ওদিকে যেহেতু মন্ত্রী মশাইকে ফুলকি আটক করে রেখেছে তাই ধানুকে বিপদে ফেলল রুদ্র। ফুলকিকে কিছুতেই মনোনয়নপত্র জমা দিতে দেবে না রুদ্র তাই শেষ চেষ্টা করবেই। তিওয়ারিকে দিয়ে ফুলের তোড়া পাঠায়। আর সেখানেই মেশানো রয়েছে অজ্ঞান করার ওষুধ। ধানু প্রথমে সেই ফুলের তোড়া পেয়ে একটু অবাকই হয়, ভাবে হতে পারে এটা শত্রু পক্ষের চাল। কিন্তু ফুলের সাথে একটি চিঠিও ছিল। সেখানে এমনভাবে কিছু কথা লেখা ছিল যেটা পরে ধানু ভেবেছে সেই ফুলের তোড়া হয়তো তাকে আদি পাঠিয়েছে। আর সেই ফুলের গন্ধ নেওয়া মাত্রই ধানুকে অজ্ঞান করে পাহাড়পুর পতিতালয়ে চালান করে দেয় রুদ্র।
আরও পড়ুনঃ মিঠির শ্লীলতাহানির চেষ্টা করল প্লুটো! সকলের সামনে প্লুটোর আসল মুখোশ টেনে খুলে দিল মিঠি!
এদিকে ধানু বাড়ি ফিরছে না দেখে সকলেই চিন্তা করতে থাকে তারপর আদিত্য এসে রোহিত কে জানাই ধানুর ফোনে একটি ট্র্যাকার অ্যাপ নামানো ছিল। সেখানে শেষ লোকেশন দেখাচ্ছে পাহাড়পুর। এই খবর রোহিত জানার পর মাথার ঠিক রাখতে পারেনা। তার বোনের এত বড় ক্ষতি যারা করেছে, তাদের কাউকে প্রাণে বাঁচতে দেবে না রোহিত। এই বলে ধানুকে উদ্ধার করতে বেরিয়ে পড়ে। তারপর রোহিত ঠিক পাহাড়পুরের ওই পতিতালয় পৌঁছে ধানুকে খুঁজতে শুরু করে। সেখানে একটি ঘরে ধানুকে আটকে রাখা হয়েছিল। কিন্তু রোহিত ঠিক ধানুকে খুঁজে বের করে সেখান থেকে উদ্ধার করে। পরের দিন ফুলকিরা ছোট রাজকুমারের মুখোমুখি হয়ে তাকে চ্যালেঞ্জ করে তাদের দলের সমস্ত অন্যায় কাজ ফাঁস করবে ফুলকি এবং ফুলকিদের সাথে যে বন্ধুর মুখোশ পরে ঘুরে বেড়াচ্ছে তাকেও খুঁজে বার করবে।

