ফুলকির ভুলের মাশুল গুনছে ধানু! রুদ্রর ফাঁদে পা দিতেই পতি’তালয়ে আটকা পড়ল ধানসিঁড়ি! বোনকে উদ্ধার করতে কি করবে রোহিত?

বাংলার মেগা ধারাবাহিকগুলি (Bengali Serial) বর্তমানে প্রত্যেকটিই দর্শকের ভীষণ পছন্দের। তবে তার মধ্যে থেকেই কয়েকটি ধারাবাহিক রয়েছে যা দর্শকের মনের খুব কাছাকাছি পৌঁছে যায় খুব সহজেই। সেই তালিকায় রয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) ফুলকি (Phulki) ধারাবাহিক। খুব অল্প সময়ের মধ্যে কত তাড়াতাড়ি ধারাবাহিকটি দর্শকের মন জয় করে নিয়েছে। একটা ধারাবাহিকের মূল ইউএসপি হলো নায়ক-নায়িকার কেমিস্ট্রি এবং প্রতিদিন উত্তেজনাপূর্ণ পর্ব। সেটাই সব সময় বজায় রেখেছে ফুলকি।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়, প্ল্যান মত নাম কীর্তন শুরু হয়। ভোম্বল রানুকে নাগারা থেকে বের করে লুকিয়ে রাখা হয়। কীর্তন শেষে আবার ফুলকি রোহিত মন্ত্রীর বাড়িতে থেকে যায় এবং আদিত্য ধানুর সাথে ভোম্বল আর রানু বেরিয়ে আসে। বেরোনোর সময় তাদের সিকিউরিটি গার্ড ভালো করে চেক করে। ধানুরা বেরিয়ে যাওয়ার পর ফুলকি রোহিত সাজ বদল করে মন্ত্রী যেখানে ম্যাসাজ করেছিলেন সেখানে যায়। ওইদিকে রুদ্র গোপন খবর দেওয়ার জন্য বারবার মন্ত্রীকে ফোন করছিল। কিন্তু মন্ত্রী তো ম্যাসাজ করানোর সময় কারোর সাথে কথা বলেন না। আর সেই সুযোগেই মন্ত্রীর ম্যাসাজ করার লোককে প্রথমে অজ্ঞান করে, সুযোগ বুঝে মন্ত্রীকে অজ্ঞান করে কিডন্যাপ করে ফুলকিরা।

মন্ত্রীকে অজ্ঞান করা হলে ওদিকে নোংরা পরিষ্কার করার লোকজন সেজে তমাল আর পিয়াল আসে। তারপর মন্ত্রী মশাইকে ওই নোংরার গাড়িতে করে তারা ঠিক বের করে নিয়ে আসে। ওদিকে রুদ্র অফিসে গিয়ে মন্ত্রীর দলের সদস্যকে সাবধান করে দেয়, প্রথমে রুদ্রর কথায় গুরুত্ব না দিলেও পরে তিনি ঠিকই মন্ত্রীর খোঁজ নিতে যান। আর ততক্ষণে পিয়ালরা মন্ত্রীকে নিয়ে বেরিয়ে ফুলকিদের হাতে তুলে দিয়েছে। সবার চোখে ফাঁকি দিয়ে রোহিত ফুলকি নিয়ে যায় মন্ত্রীকে।
ওইদিকে দলের লোক এসে মন্ত্রীর খোঁজ করেও তাকে কোথাও খুঁজে পায় না। তমাল পিয়ালকে সন্দেহ হওয়ায় তারা এসে ময়লার গাড়ি সার্চ করে। কিন্তু ততক্ষণে ফুলকিরা নিয়ে চলে এসেছে মন্ত্রীকে। মন্ত্রীকে একটা ঘরে বেঁধে রাখা হয়। তারপর ফুলকি এসে মন্ত্রীর চোখে মুখে জল দিয়ে তার জ্ঞান ফেরায়। প্রথমে তো কিন্তুতে তার জ্ঞান ফেরে না দেখে ভয় পেয়ে যায় সকলে। তার কিছুক্ষণ পরেই মন্ত্রীর জ্ঞান আসে।
আরও পড়ুনঃ জনপ্রিয়তা পেয়েই বিয়ের পিঁড়িতে পারুল! মনের মানুষের গলায় মালা দেবেন অভিনেত্রী ঈশানি চ্যাটার্জী!
আর ফুলকিকে দেখে তো তিনি অবাক, কিভাবে তারা কিডন্যাপ করলো তিনি কিছুই বুঝতে পারেন না। তারপর ফুলকি সরাসরি বলে বড় রাজার খোঁজ দিলে তবেই মন্ত্রী মশাই মুক্তি পাবেন। নয়তো এখানেই সারাজীবন জল খাবার না খেয়ে ফেলে রাখা হবে। আর সঠিক উত্তর না দিলে ফুলকি কারেন্ট শক দেবে। প্রথমে মন্ত্রী মশাই কিছুই স্বীকার করতে চায় না। কিন্তু ফুলকির হাতে শক খাওয়ার ভয়ে তিনি সব স্বীকার করতে চান। ওদিকে যেহেতু মন্ত্রী মশাইকে ফুলকি আটক করে রেখেছে তাই ধানুকে বিপদে ফেলল রুদ্র। ফুলের তোড়ায় অজ্ঞান করার ওষুধ মিশিয়ে ধানুকে অজ্ঞান করে পাহাড়পুর পতিতালয়ে চালান করে দিয়েছে রুদ্র। ধানুর ফোনের শেষ লোকেশন সেখানেই ট্র্যাক করে জানতে পেরেছে আদিত্য। এই খবর রোহিত রোহিত জানার পর সবকিছু শেষ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তার বোনের এত বড় ক্ষতি যারা করেছে, তাদের কাউকে প্রাণে বাঁচতে দেবে না রোহিত।

