মন্ত্রী মশাইকে অপহরণ করল রোহিত ফুলকি! মন্ত্রীর বাড়ি থেকেই উদ্ধার হল মোক্ষম প্রমাণ!

টিআরপি তালিকায় (TRP List) প্রথম পাঁচে থাকা জনপ্রিয় ধারাবাহিকগুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো ফুলকি (Phulki)। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই মেগা ধারাবাহিক (Bengali Serial) দর্শকদের অত্যন্ত পছন্দের। ধারাবাহিকে নায়ক নায়িকার পাশাপাশি অন্যান্য চরিত্রগুলিও দর্শকের কাছে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তাইতো ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা প্রথম দিন থেকে আজ পর্যন্ত একই রয়েছে।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়, ফুলকি বুঝতে পারে বড় রাজাকে কিডন্যাপ করা হয়েছে। ওইদিকে ধানু ফোন করে ফুলকিকে জানায় বাড়িতে একটা উপহারের বক্স এসেছে। রোহিত ধানুকে না করে দেয় সেই বাক্সতে হাত দেওয়ার জন্য। সেখানে বোমা জাতীয় কিছু থাকতে পারে। বাড়ি ফিরে বক্স খুলে একটি চিঠি পায় ফুলকি। সেখানে লেখা রয়েছে ফুলকি মনোনয়ন পত্র জমা না করলে তার বাবাকে সঠিক সময় ফিরে পাবে। এটা দেখেই বুঝতে পারে ছোট রাণীর দলের কেউ এই কাজ করেছে। কিন্তু ফুলকি যখনই প্রমাণের জন্য তার ছবি তুলতে যাবে তখন সেই কাগজ হঠাৎ পুড়ে যায়।

এরপর ছোট রাজকুমার বাড়িতে আসলে সকলেই তাকে চেপে ধরে। বড় রাজকুমার ছোট রাজকুমারকে সমানে প্রশ্ন করে যায় বড় রাজা কোথায় তাকে কোথায় রেখেছে। কিন্তু ছোট রাজকুমার কিছুতেই কথা স্বীকার করতে চায় না। বড় রাণী, ধানু সকলে মিলে তাকে ভালোভাবে বোঝায় কিন্তু কোনোমতেই সে মুখ খোলে না। তাই ফুলকি জানিয়ে দেয় সুনন্দা এবং প্রেসের লোকজনকে ডেকে ফুলকি এই কথা জানাবে। তারপরে প্রেস কনফারেন্স হয় এবং সুনন্দা জানাই বড় রাজাকে অপহরণ করা হয়েছে এবং সন্দেহের তালিকায় রয়েছে ছোট রাণীর দল এবং তার লোকজনরা।
ফুলকি প্রেস কনফারেন্সে সকলের সামনে কথা দেয় সে তার বাবাকে যেভাবেই হোক খুঁজে বার করবে এবং ভোটের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেবে। ফুলকির সাক্ষাৎকার দেখে রুদ্র তো বারবার সাবধান করে দেয় ছোট রাণীর দলের লোকজনদের। ফুলকি চুপ করে থাকার মেয়ে নয়। সে যখন একবার বলেছে সে সেটা কাজে করে দেখাবে। এদিকে রুদ্র নিজেই বড় রাজাকে এমন জায়গায় রেখেছে যাতে তাকে কোথাও কেউ কোনদিনও খুঁজে পাবে না। কিন্তু তাও রুদ্রর বিশ্বাস হয় না ফুলকিকে।
আরও পড়ুনঃ ১৮ হাজার টাকা নিয়ে বাসি পচা গলা খাওয়ার! পনির থেকে বেরোচ্ছে টক গন্ধ! খাওয়ার মুখে তুলতেই রেগে লাল সায়কের দাদা! হোম ডেলিভারি কোম্পানির বিরুদ্ধে সরব সায়ক
ফুলকি অংশু, স্বাগতা সবাইকে ডেকে প্ল্যান করতে থাকে কি করা যায় সেটা নিয়ে। তারপরই ফুলকি জানায় বড় রাজার মত এবারে মন্ত্রীকে কিডন্যাপ করতে হবে। প্রথমে তো ফুলকির এই বুদ্ধিতে কেউ রাজি হতে চায় না। কারণ এই কাজে অনেক রিস্ক রয়েছে। কিন্তু ফুলকিকে এই কাজে সাহায্য করে স্বাগতা। সে মন্ত্রী মানুষের গতিবিধি সম্পর্কে সমস্ত কিছু জানিয়ে দেয় ফুলকিকে। সুযোগ বুঝে ফুলকিরা ছদ্মবেশে গুরুদেবের আশ্রমে মন্ত্রী মহাশয়ের মাকে খুশি করতে যায়। মন্ত্রী মশাইয়ের মা ফুলকিদের নাম কীর্তন শুনে খুশি হয়, তাদেরকে বাড়িতে ডাকে। আর সেই সুযোগে ফুলকি মন্ত্রীকে কিডন্যাপ করবে বলে ছক কষে। আর সেইমতো পরের দিন মন্ত্রীর বাড়িতে গিয়ে ঠিক সুযোগ বুঝে তাকে অজ্ঞান করে কিডন্যাপ করে ফুলকিরা। আর সেখানেই ফুলকির হাতে আসে মোক্ষম প্রমাণ। দেখা যাক কি হয় আগামী পর্বে।

