কোর্টের মাঝেই রুদ্রকে কষিয়ে থা’প্পড় মারলো ফুলকি! রাগের মাথায় একি করলো সে? ফাঁস আজকের দুর্ধর্ষ পর্ব

বাংলা টেলিভিশনের (Bengali Television) জনপ্রিয় কিছু ধারাবাহিকের (Bengali Serial) মধ্যে অন্যতম একটি হলো ফুলকি (Phulki)। প্রতিসপ্তাহে টিআরপি তালিকায় বাজিমাত করছে এই ধারাবাহিক। প্রতিদিনই হচ্ছে টানটান পর্ব। শত্রুদের বিনাশ করতে একের পর এক কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়ছে ফুলকি। এক কথায় ফুলকি ধারাবাহিকের একটি এপিসোডও মিস করার মতন নয়।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, ফুলকি নিজের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয় আর এটাও জানিয়ে দেয় যে ফুলকি সারেন্ডার করবে রুদ্রকে খুন করার জন্য, আর নিজেই নিজের কেস লড়বে। ধানু শুধু তাকে সাহায্য করবে। ফুলকির সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রথমে সকলের মনের খটকা লাগে, কিন্তু ফুলকি সব সময় যা করেছে ভেবে চিন্তে করেছে। তাই জন্য আর সেভাবে প্রশ্ন করেনি। তারপরে কোর্টে ওঠে কেস। ফুলকিকে কাঠগড়ায় তোলা হয়। ফুলকি জানায় সেদিন কি কি ঘটনা ঘটেছিল। পরপর সাক্ষী এসেও ওই দিনের ঘটনা বর্ণনা করে। ফুলকি নিজেকে এবং তার সন্তানকে বাঁচানোর জন্যই ওইদিন রুদ্রর উপর আঘাত করেছিল।

কোর্টে মামলা চলাকালীন একের পর এক সাক্ষী ডেকে নিয়েছিল ফুলকি। রাজমহলে উপস্থিত অনেকেই ঐদিন সাক্ষী দেয় বিচারকের সামনে। বিচারক সবটাই শুনছিল কিন্তু যিনি রুদ্রর পক্ষ নিয়ে বিচার চাইছে তিনি একটাই প্রশ্ন করছেন বারবার। যেকোনো আসামীর বাঁচার অধিকার আছে, সেখানে ফুলকি বা অন্য কোন সাধারণ মানুষ তাকে মেরে ফেলার অধিকার রাখে না। কিন্তু ফুলকি পুরো বিষয়টাই বিচারককে বোঝানোর জন্য অরণ্যকে ডেকে পাঠায়। অরণ্য এসে জানায় প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত কি কি হয়েছিল। কিভাবে রুদ্র ধরা পড়ে ফুলকি তার পেছনে ছুটে যায় সবকিছু।
এদিকে ফুলকির এই সিদ্ধান্ত নেওয়া একেবারেই সঠিক হয়নি বলে মনে করে সকলে। বিচারক জানিয়ে দেয় মধ্যাহ্ন ভোজের পর বাকি যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার নেবে তারা। ধানু, অংশু বোঝায় রাগের মাথায় ফুলকি এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ভুল করেছে। কিন্তু এখন তো আর এই সিদ্ধান্ত থেকে বেরিয়ে আসার সময় নেই।
আরও পড়ুনঃ পুরুষ মানেই বয়সে বড়— সেই ধারণা পুরনো! সংসারে ‘বিগ বি’ এখন রাতুল, স্বামীর জন্মদিনে রূপাঞ্জনার গর্বের স্বীকারোক্তি
ওদিকে অরণ্য হাসপাতালে গিয়ে প্রমাণ জোগাড় করে। প্রথমে ডাক্তার মুখের উপর সরাসরি জানিয়ে দেয় রুদ্রর অবস্থা সঙ্কটজনক তাকে বাঁচানো যাবে কিনা সেই নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। কিন্তু আসলে রুদ্র কোন চিকিৎসাতেই সাড়া দিচ্ছে না। কিন্তু তার কিছুক্ষণ পরেই চমৎকার করেন নৃসিংহ দেব। ফুলকির ওপর তার যে আশীর্বাদের হাত রয়েছে সেই প্রমাণ তিনি বারবার দিয়েছেন। ডাক্তার জানিয়ে দেয় রুদ্র ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে, তার জ্ঞান ফিরছে। এরপর সুস্থ হবার পরেই রুদ্রকে নিয়ে যাওয়া হয় কোর্টে। আর সেই কোর্টের মাঝে রুদ্র ফুলকিকে আবারও শাসিয়ে যায়। কিন্তু ফুলকি ভরা কোর্টের মাঝেই কষিয়ে থাপ্পড় মারে রুদ্রকে। আর বুঝিয়ে দেয় এবার থেকে রুদ্রর খারাপ দিন শুরু। দেখা যাক কি হয় আগামী পর্বে।

