বিচারকের সামনে মোক্ষম চাল চাললো ফুলকি! নিজের পাতা ফাঁদে নিজেই পড়লো ছোট রানী!

বাংলার জনপ্রিয় কিছু ধারাবাহিকগুলির (Bengali Serial) মধ্যে অন্যতম একটি হলো ফুলকি (Phulki)। দুবছরেরও বেশি সময় ধরে ধারাবাহিকটি চলছে টেলিভিশনের পর্দায় (Bengali Television)। ধারাবাহিকে প্রতিদিনই নিত্য নতুন টুইস্ট এর মাধ্যমে দর্শকের মন জয় করে নিচ্ছে অভিনেতা অভিনেত্রীরা। টিআরপি তালিকাতেও দারুণ ফলাফল করে প্রতি সপ্তাহে। ফুলকি সবসময় টিআরপি তালিকায় প্রথম পাঁচে নিজেদের জায়গায় দখল করে রাখে।

ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয় ফুলকি ঠিক ওই নকল ছোট রাজার মুখোশ টেনে সকলের সামনে খুলে ফেলে। আর মুখোশের আড়ালে থাকা রুদ্র ধরা পড়ে যায়। মুখোশের আড়ালে যে রুদ্র রয়েছে সেটা কেউই ভাবতে পারেনি। সঙ্গে সঙ্গে রাজমহলের গার্ডসদের ডাকা হয় রুদ্রকে ধরার জন্য। সকলেই রুদ্রকে সারেন্ডার করতে বলে। কিন্তু শেষ চেষ্টা না করা পর্যন্ত সারেন্ডার করবে না রুদ্র। এদিকে ছোট রানীর দিকে হাজারটা প্রশ্ন ছুটে আসে। ছোট রানী বুঝতেই পারেনি শেষ মুহূর্তে এসে এভাবে ধরা পড়ে যাবে তারা।

Phulki, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali television, Phulki New Episode, Devyani Mondal, Abhishek Bose, Actress , Actor, Phulki Today's Episode 10 July, ফুলকি, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, ফুলকি নতুন এপিসোড, দিব্যানি মন্ডল, অভিষেক বোস, অভিনেতা, অভিনেত্রী, ফুলকি ১০ জুলাই এপিসোড

রুদ্র ধরা পড়ে যাওয়ার পর ফুলকির দিকে ছুরি নিয়ে এগিয়ে আসে। তখনই ফুলকি নিজেকে রুদ্রর হাত থেকে বাঁচাতে রুদ্রর উপর গুলি চালায়। আর সেখানেই গুলির আঘাতে আহত হয়ে মৃত্যু হয় রুদ্রর। আসলে ফুলকি পুরোটাই নিজেকে বাঁচানোর জন্য করেছে। রুদ্রকে গুলি করা বা তাকে আঘাত করার কোন উদ্দেশ্য তার ছিল না। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পুলিশ আসে এবং রুদ্রকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ছোট রানী নিজে শেষ হয়ে যাবে তার আগেই ফুলকিকে অ্যারেস্ট করার জন্য পুলিশকে চাপ দিতে থাকে। কিন্তু পুলিশ উল্টে ছোট রানীকে প্রশ্ন করে বসে। রুদ্র এই রাজমহলে কি করে ঢুকলো, কারণ পুলিশ নিজেই রুদ্রকে রাজমহলের সামনে থেকে গ্রেফতার করেছিল।

আরও পড়ুনঃ শুরু হওয়ার ৭ মাস পর প্রথমবার প্রথম পাঁচ থেকে ছিটকে গেল পরিণীতা! মন খারাপ দর্শকদের!

এদিকে এই সবকিছুর পর ফুলকি নিজেই জানায় সে সারেন্ডার করতে চায়। ফুলকির কথা শুনে রোহিত ধানু সকলেই অবাক হয়ে যায়। কিন্তু ফুলকি জানায় সে নিজে আইন হাতে তুলে নিয়েছে তাই সেই প্রাপ্য শাস্তিটা তাকে পেতেই হবে। এরপরে ফুলকি সারেন্ডার করে। আর এই গোটা বিষয়টা নিয়ে তদন্ত করতে বলে। এদিকে রোহিত বাড়িতে কিভাবে জানাবে গোটা বিষয়টা সেই নিয়ে চিন্তায় পড়ে যায়।

তমাল এবং পিয়ালকে আগেই ধানু সমস্তটা জানিয়েছে। এরপরে রোহিতের মা, জেঠিমা এবং লাবণ্য এসে ফুলকির কথা জিজ্ঞাসা করে। রোহিত সমস্ত ঘটনা খুলে জানায় সকলকে। প্রথমে তো এই ঘটনা কেউই মানতে পারছিল না। কারণ যতই হোক লাবণ্যর সাথে রুদ্রর ডিভোর্সরা হয়নি। আইনিভাবে তারা স্বামী-স্ত্রী। লাবণ্য এই বিষয়টি কিভাবে নেবে সেটা নিয়েই ফুলকি চিন্তায় ছিল। কিন্তু লাবণ্যর নিজের কষ্ট হলেও নিজেকে শক্ত রাখার চেষ্টা করে। কারণ রুদ্রর সাথে সম্পর্ক থেকে অনেকদিন আগেই বেরিয়ে এসেছে সে। এরপরে লাবু রোহিতকে বলে সে ফুলকির সাথে দেখা করতে চায়। লাবণ্য ফুলকির সাথে দেখা করে ফুলকিকে ভালো মতো বোঝাতে থাকে যে ফুলকি কোন অন্যায় করেনি, যা করেছে সকলের ভালোর জন্য করেছে। নিজেকে রক্ষা করার জন্য করেছে। কিন্তু ফুলকির মন মানতে চায় না। এদিকে পরের দিন কোর্টে যখন ফুলকির কেস ওঠে তখন ফুলকি আদালতের সামনে ছোট রানীকে প্রশ্ন করতে বলে এতদিন পর্যন্ত রুদ্র মুখোশ পরে ছোট রাজা সেজে ছোট রানীর সামনেই রাজমহলে ছিল আর ছোট তাকে চিনতেই পারেনি? এটা কিভাবে সম্ভব? এবার দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।

Back to top button